“হটলাইনে ফোন করি, অক্সিজেন পৌঁছে যাবে আপনার বাড়ি” স্লোগান নিয়ে বাগেরহাট অক্সিজেন ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর ও কচুয়া) আসনের সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়ের উদ্যোগে এই জরুরি সেবা চালু করা হয়। বাগেরহাট পুরোনো কোর্ট মসজিদ চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ আজিজুর রহমান।
এ সময়, বাগেরহাটের পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক, সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগেরে সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী ভূঁইয়া হেমায়েত উদ্দিন, বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ মোছাব্বেরুল ইসলাম, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রদীপ বখসী, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক নাহিয়ান সুলতান আল ওশানসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়ের অর্থায়নে ৫০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে এই সেবা কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জেলা ছাত্রলীগের কর্মীরা। হটলাইন নম্বর-০১৮৮৬-৩০৫৩০৯–এ ফোন করলে ছাত্রলীগের কর্মীরা মুমূর্ষু রোগীর বাড়িতে অক্সিজেন পৌঁছে দেবেন। এর জন্য বাগেরহাট জেলা ছাত্রলীগের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, প্রয়োজনের তাগিদে পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রমে আরও ৫০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার যুক্ত হবে।
বাগেরহাট জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বাগেরহাট অক্সিজেন ব্যাংকের পক্ষ থেকে মুমূর্ষু রোগীদের বাড়ি বাড়ি অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগের কর্মীরা প্রস্তুত রয়েছেন। এ কাজের জন্য তাঁরা প্রয়োজনীয়সংখ্যক কর্মীকে প্রশিক্ষণও দিয়েছেন।
বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, এখন মানুষ চাইলেই সহজে হাসপাতালে আসতে পারবে না। তাই বাড়ি বাড়ি অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগে মুমূর্ষু রোগীদের অক্সিজেনের চাহিদা পূরণ হবে। এসব কার্যক্রম তখনই সফল হবে, যখন বাগেরহাটের মানুষ সচেতন হবে।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ আজিজুর রহমান বলেন, দেশের ক্রান্তিলগ্নে বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ তন্ময় যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এর ফলে জেলার মানুষ অক্সিজেনের অভাবে মারা যাবে না।
এর আগে সাংসদ শেখ তন্ময় বাড়ি বাড়ি গিয়ে রোগীদের চিকিৎসা ও নমুনা সংগ্রহ কার্যক্রম চালু করেছিলেন, যা এখনো সচল রয়েছে।

বর্ষা এলেই মৌলভীবাজারের টিলা-পাহাড়ঘেরা জনপদে নেমে আসে আতঙ্ক। তবু ঝুঁকি নিয়ে এসব স্থানে বসবাস করছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত চার বছরে টিলাধসে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোর নিরাপদ পুনর্বাসনে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
৩১ মিনিট আগে
গর্ভাবস্থার শুরু থেকে ঠাকুরগাঁও মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছিলেন রাশেদা আক্তার। চিকিৎসকদের আশ্বাস আর সাশ্রয়ী খরচের কথা ভেবে আশা করেছিলেন, সরকারি এ প্রতিষ্ঠানেই নিরাপদে জন্ম নেবে তাঁর সন্তান। কিন্তু প্রসববেদনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার তিনি হাসপাতালে পৌঁছার পর আশাহত হন।
১ ঘণ্টা আগে
মাগুরার শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় গুরুতর আহত আমিরুল মোল্যা (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের সোয়া শতডাঙ্গা গ্রামে অন্তত ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
পাবনা শহরে রয়েছে অসংখ্য পুকুর, দিঘি ও প্রাকৃতিক জলাধার। একসময় এসব জলাধার ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস, ভূগর্ভস্থ পানির ভারসাম্য রক্ষার কার্যকর মাধ্যম এবং নগরীর সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন। কিন্তু দখল, দূষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব জলাধার হারিয়ে যাওয়ার পথে।
১ ঘণ্টা আগে