
কখনো বাড়ি-ঘরে, কখনো এই দোকান সেই দোকান ঘুরে বেড়াচ্ছে একটি দলছুট মুখপোড়া হনুমান। ক্ষুধার তাড়নায় খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে আসা হনুমানটি একপর্যায়ে চা-দোকানে ঢুকে খাবার ছিনিয়ে নেয়। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় আজ রোববার সকালে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
এদিকে উৎসুক জনতার মধ্য থেকে কেউ কেউ এ সময় হনুমানটিকে বিস্কুট, কলা, পাউরুটি খেতে দেয়। কেউ আবার হনুমাটির দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নানা অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করে। অনেকে মুঠোফোনে হনুমানের ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। তবে কেউ কেউ কারণে-অকারণে প্রাণীটিকে লক্ষ্য করে ঢিলও ছুড়েছে। এ সময় প্রাণভয়ে অন্য স্থানে ছুটে যায় হনুমানটি। কখনো আতঙ্কিত হয়ে বাড়ির ছাদে, আবার কখনো বাজারের দোকানের ছাদে উঠে পড়ছে।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, হনুমানটি সপ্তাহ খানেক ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যাচ্ছে। এটি একটি বিপন্ন মুখপোড়া হনুমান। এই অঞ্চলে হনুমানের আবাসস্থল নেই। ফলে হনুমানটিকে ঘিরে জনমনে একধরনের আগ্রহ ও আতঙ্ক রয়েছে।
ফকিরহাট প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শেখ জাহিদুর রহমান বলেন, ‘হনুমানটি সম্ভবত যশোরের কেশবপুর থেকে এসেছে। খাদ্যের সন্ধানে কোনো পরিবহনের ছাদে অথবা কলাভর্তি ট্রাকে উঠে আসতে পারে।’ হনুমানটিকে বিরক্ত না করে সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানাই।’

বর্ষা এলেই মৌলভীবাজারের টিলা-পাহাড়ঘেরা জনপদে নেমে আসে আতঙ্ক। তবু ঝুঁকি নিয়ে এসব স্থানে বসবাস করছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত চার বছরে টিলাধসে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোর নিরাপদ পুনর্বাসনে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
২২ মিনিট আগে
গর্ভাবস্থার শুরু থেকে ঠাকুরগাঁও মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছিলেন রাশেদা আক্তার। চিকিৎসকদের আশ্বাস আর সাশ্রয়ী খরচের কথা ভেবে আশা করেছিলেন, সরকারি এ প্রতিষ্ঠানেই নিরাপদে জন্ম নেবে তাঁর সন্তান। কিন্তু প্রসববেদনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার তিনি হাসপাতালে পৌঁছার পর আশাহত হন।
১ ঘণ্টা আগে
মাগুরার শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় গুরুতর আহত আমিরুল মোল্যা (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের সোয়া শতডাঙ্গা গ্রামে অন্তত ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
পাবনা শহরে রয়েছে অসংখ্য পুকুর, দিঘি ও প্রাকৃতিক জলাধার। একসময় এসব জলাধার ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস, ভূগর্ভস্থ পানির ভারসাম্য রক্ষার কার্যকর মাধ্যম এবং নগরীর সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন। কিন্তু দখল, দূষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব জলাধার হারিয়ে যাওয়ার পথে।
১ ঘণ্টা আগে