প্রতিনিধি, শরণখোলা (বাগেরহাট)

সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতে বাগেরহাটের শরণখোলায় তেরো হাজার পরিবারের প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ হাজার মানুষ এখনো পানিবন্দী। কয়েক দিনেও প্রশাসন বা পানি উন্নয়ন বোর্ড পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এমন পরিস্থিতিতে আজ সোমবার সকালে শরণখোলার পানিবন্দী জনগণ ক্ষুব্ধ হয়ে ওয়াপদা বেড়িবাঁধ কাটতে যায়।
খবর পেয়ে পরে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাতুনে জান্নাত এসে বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করেন। তবে এরই মধ্যে কয়েক জায়গায় বেড়িবাঁধ কেটে ফেলেছে স্থানীয়রা। উপজেলার রসুলপুর (দাসের ভারানী পাড়) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ইউএনও খাতুনে জান্নাত জানান, সোমবার সকালে পানিবন্দী জনগণ পানি অপসারণের জন্য উপজেলার রসুলপুরে (দাসের ভারানী পাড়) পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫ / ১ পোল্ডারের বেড়িবাঁধ কাটতে শুরু করে। খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জনগণকে বুঝিয়ে পরিস্থিতি শান্ত ও বাঁধ কাটা বন্ধ করি। আমরা যাওয়ার আগেই কেটে ফেলা বেড়িবাঁধের অনেকখানি জায়গা মাটি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।
উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পের (সিইআইপি-১) খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম মুঠোফোনে বলেন, শরণখোলায় জলাবদ্ধতা নিরসনে এরই মধ্যে একটি টিম মাঠে কাজ শুরু করেছে। উপজেলার চারটি ইউনিয়নে নয়টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। আগামীকালের মধ্যে এসব জায়গায় পাইপ বসিয়ে দ্রুত পানি অপসারণের কাজ শুরু করা হবে। এ ছাড়া সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য সমস্যা চিহ্নিত ও করণীয় নির্ধারণে ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সম্প্রতি ভারী বৃষ্টিপাতে শরণখোলার গ্রামাঞ্চল প্লাবিত হয়। ৪ থেকে ৫ ফুট পানির নিচে ডুবে যায় ফসলের মাঠ, বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট। ভেসে যায় ঘেরের মাছ। ধানসাগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাইনুল ইসলাম টিপু জানান, তার ইউনিয়নের শত শত পরিবার এখনো পানিবন্দী হয়ে আছে। ঘরে পানি ওঠায় অনেক পরিবারে রান্না হয় না, আত্মীয়স্বজনের বাড়ি থেকে খাবার এনে খেতে হচ্ছে।
খোন্তাকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন মহিউদ্দিন ও সাউথখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেনও তাদের ইউনিয়নের অসংখ্য পরিবার পানিবন্দী হওয়ার খবর জানান। পর্যাপ্ত স্লুইসগেট না থাকায় জমে থাকা বৃষ্টির পানি খুব ধীর গতিতে নামছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতে বাগেরহাটের শরণখোলায় তেরো হাজার পরিবারের প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ হাজার মানুষ এখনো পানিবন্দী। কয়েক দিনেও প্রশাসন বা পানি উন্নয়ন বোর্ড পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এমন পরিস্থিতিতে আজ সোমবার সকালে শরণখোলার পানিবন্দী জনগণ ক্ষুব্ধ হয়ে ওয়াপদা বেড়িবাঁধ কাটতে যায়।
খবর পেয়ে পরে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাতুনে জান্নাত এসে বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করেন। তবে এরই মধ্যে কয়েক জায়গায় বেড়িবাঁধ কেটে ফেলেছে স্থানীয়রা। উপজেলার রসুলপুর (দাসের ভারানী পাড়) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ইউএনও খাতুনে জান্নাত জানান, সোমবার সকালে পানিবন্দী জনগণ পানি অপসারণের জন্য উপজেলার রসুলপুরে (দাসের ভারানী পাড়) পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫ / ১ পোল্ডারের বেড়িবাঁধ কাটতে শুরু করে। খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জনগণকে বুঝিয়ে পরিস্থিতি শান্ত ও বাঁধ কাটা বন্ধ করি। আমরা যাওয়ার আগেই কেটে ফেলা বেড়িবাঁধের অনেকখানি জায়গা মাটি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।
উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পের (সিইআইপি-১) খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম মুঠোফোনে বলেন, শরণখোলায় জলাবদ্ধতা নিরসনে এরই মধ্যে একটি টিম মাঠে কাজ শুরু করেছে। উপজেলার চারটি ইউনিয়নে নয়টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। আগামীকালের মধ্যে এসব জায়গায় পাইপ বসিয়ে দ্রুত পানি অপসারণের কাজ শুরু করা হবে। এ ছাড়া সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য সমস্যা চিহ্নিত ও করণীয় নির্ধারণে ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সম্প্রতি ভারী বৃষ্টিপাতে শরণখোলার গ্রামাঞ্চল প্লাবিত হয়। ৪ থেকে ৫ ফুট পানির নিচে ডুবে যায় ফসলের মাঠ, বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট। ভেসে যায় ঘেরের মাছ। ধানসাগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাইনুল ইসলাম টিপু জানান, তার ইউনিয়নের শত শত পরিবার এখনো পানিবন্দী হয়ে আছে। ঘরে পানি ওঠায় অনেক পরিবারে রান্না হয় না, আত্মীয়স্বজনের বাড়ি থেকে খাবার এনে খেতে হচ্ছে।
খোন্তাকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন মহিউদ্দিন ও সাউথখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেনও তাদের ইউনিয়নের অসংখ্য পরিবার পানিবন্দী হওয়ার খবর জানান। পর্যাপ্ত স্লুইসগেট না থাকায় জমে থাকা বৃষ্টির পানি খুব ধীর গতিতে নামছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২২ জুলাই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ইন্টারনেট শাটডাউন চলাকালে এসব ব্যবসায়ী সাবেক স্বৈরাচার ও সাজাপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্দোলন দমনে সহায়তার প্রতিশ্রুতি ও সার্বিকভাবে পাশে থাকার জন্য ঢাকার ওসমানী মিলনায়তনে একত্রিত হন।
৩০ মিনিট আগে
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ইজিবাইক (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে কাশেম মোল্লা (৩২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার আশুতিয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কাশেম আশুতিয়া গ্রামের রাজ্জাক মোল্লার ছেলে। তিনি পেশাগতভাবে অটোরিকশাচালক নন। শখের বসে চালাতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৩৭ মিনিট আগে
মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে আহত টেকনাফের শিশু হুজাইফা আফনানের (৯) অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে থাকা হুজাইফার মস্তিষ্কের ‘চাপ কমাতে’ তার মাথার খুলির একটি অংশ খুলে রাখা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় বিপ্লব চন্দ্র শীল (৩৮) নামের এক ইনস্যুরেন্স কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় তাঁর ভগ্নিপতি পলাশ চন্দ্র শীল গুরুতর আহত হন। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার গলাকাটা পোল এলাকায় কবিরহাট-বসুরহাট সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে