ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মরিয়ম (০৯) নামে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী নিহত হয়েছে। এ সময় অপর এক ছাত্রী গুরুতর আহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বৈলতলী নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু উপজেলার বৈলতলী গ্রামের রেজাউল করিমের মেয়ে। অন্যদিকে গুরুতর আহত শিশুর নাম তাজমিরা (১২)। সে একই গ্রামের সরোয়ার হোসেনের মেয়ে।
সময় শিশু দুটি দ্বিতীয় শিফটে বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য রাস্তা পার হওয়ার সময়ে দ্রুতগামী মাইক্রোটি তাদের চাপা দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহত শিশুর স্কুলের প্রধান শিক্ষক নাসিমা খাতুন জানান, দুপুর ১২টার দিকে স্কুলে আসার জন্য রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় খুলনাগামী একটি দ্রুতগামী মাইক্রোবাস তাদের ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে শিশু দুজন গুরুতর আহত হয়। শিশুদের উদ্ধার করে প্রাথমিকভাবে ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শিশু দুইটি পিলজঙ্গ ইউনিয়নের বৈলতলী পশ্বিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।
নিহত মরিয়মের বাবা রেজাউল করিম কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘ফুলের মতো শিশুটিকে ঘাতক চালক চিরদিনের মতো আমার কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে।’ এ সময় তিনি মাইক্রোবাসটি জব্দ করে চালককে বিচারের আওতায় আনার দাবি করেন।
ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শাওন দাস জানান, দুর্ঘটনায় আহত শিশু দুইটির মধ্যে মরিয়মের মাথা ও বুকে গুরুতর আঘাত লাগায় শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। তার অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল। অপর শিশু তাজমিরার পা ভেঙে গিয়েছে ও বুকে আঘাত লেগেছে। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শিশু মরিয়মের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বৈলতলী পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা খাতুন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমি দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই এবং সাথে থেকে শিশুদের সকল প্রকার চিকিৎসা সহযোগিতা করি। কিন্তু শিশু মরিয়ম খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর পর আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে যায়।’
মাদ্রাসাঘাট হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবুল হাসান বলেন, মাইক্রোবাসটি শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মরিয়ম (০৯) নামে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী নিহত হয়েছে। এ সময় অপর এক ছাত্রী গুরুতর আহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বৈলতলী নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু উপজেলার বৈলতলী গ্রামের রেজাউল করিমের মেয়ে। অন্যদিকে গুরুতর আহত শিশুর নাম তাজমিরা (১২)। সে একই গ্রামের সরোয়ার হোসেনের মেয়ে।
সময় শিশু দুটি দ্বিতীয় শিফটে বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য রাস্তা পার হওয়ার সময়ে দ্রুতগামী মাইক্রোটি তাদের চাপা দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহত শিশুর স্কুলের প্রধান শিক্ষক নাসিমা খাতুন জানান, দুপুর ১২টার দিকে স্কুলে আসার জন্য রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় খুলনাগামী একটি দ্রুতগামী মাইক্রোবাস তাদের ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে শিশু দুজন গুরুতর আহত হয়। শিশুদের উদ্ধার করে প্রাথমিকভাবে ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শিশু দুইটি পিলজঙ্গ ইউনিয়নের বৈলতলী পশ্বিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।
নিহত মরিয়মের বাবা রেজাউল করিম কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘ফুলের মতো শিশুটিকে ঘাতক চালক চিরদিনের মতো আমার কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে।’ এ সময় তিনি মাইক্রোবাসটি জব্দ করে চালককে বিচারের আওতায় আনার দাবি করেন।
ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শাওন দাস জানান, দুর্ঘটনায় আহত শিশু দুইটির মধ্যে মরিয়মের মাথা ও বুকে গুরুতর আঘাত লাগায় শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। তার অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল। অপর শিশু তাজমিরার পা ভেঙে গিয়েছে ও বুকে আঘাত লেগেছে। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শিশু মরিয়মের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বৈলতলী পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা খাতুন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমি দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই এবং সাথে থেকে শিশুদের সকল প্রকার চিকিৎসা সহযোগিতা করি। কিন্তু শিশু মরিয়ম খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর পর আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে যায়।’
মাদ্রাসাঘাট হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবুল হাসান বলেন, মাইক্রোবাসটি শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে