বাগেরহাট প্রতিনিধি

সুন্দরবনে অবৈধভাবে মাছ শিকারের সময় দুটি নৌকাসহ পাঁচজন জেলেকে আটক করেছে বন বিভাগ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের আওতাধীন বাগেরহাটের শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
আটক জেলেরা হলেন মহসিন শেখ (২০), শহীদুল শেখ (২৮), তাহিদুল শেখ (২৬), আলী শেখ (২০) ও ফরহাদ শেখ (২৮)। তাঁদের বাড়ি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার পেড়িখালী গ্রামে।
সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) রানা দেব বলেন, শেলারচরের মানিকখালী খালে অবৈধভাবে দুটি নৌকায় করে মাছ ধরার সময় পাঁচ জেলেকে আটক করা হয়েছে। এ সময় দুটি নৌকা ও মাছ ধরার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

সুন্দরবনে অবৈধভাবে মাছ শিকারের সময় দুটি নৌকাসহ পাঁচজন জেলেকে আটক করেছে বন বিভাগ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের আওতাধীন বাগেরহাটের শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
আটক জেলেরা হলেন মহসিন শেখ (২০), শহীদুল শেখ (২৮), তাহিদুল শেখ (২৬), আলী শেখ (২০) ও ফরহাদ শেখ (২৮)। তাঁদের বাড়ি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার পেড়িখালী গ্রামে।
সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) রানা দেব বলেন, শেলারচরের মানিকখালী খালে অবৈধভাবে দুটি নৌকায় করে মাছ ধরার সময় পাঁচ জেলেকে আটক করা হয়েছে। এ সময় দুটি নৌকা ও মাছ ধরার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে