
দেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব, প্রখ্যাত গণসংগীতশিল্পী ও সংগঠক কামরুদ্দিন আবসার মারা গেছেন। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কামরুদ্দিন আবসার দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রাজধানীর বিআইএসএইচ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
কামরুদ্দিন আবসার দীর্ঘ কর্মজীবনে বামপন্থী আদর্শভিত্তিক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি লেখক সংগঠন বাংলাদেশ লেখক শিবিরের সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িত ছিলেন। পাশাপাশি গণসংস্কৃতি ফ্রন্টের সক্রিয় সংগঠক হিসেবে সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে বেগবান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। জনপ্রিয় গণসংগীত দল ‘সৃজনের’ সঙ্গেও ছিল তাঁর দীর্ঘদিনের নিবিড় সম্পৃক্ততা।
শ্রমিক, কৃষক ও মেহনতি মানুষের মুক্তির সংগ্রামে সাংস্কৃতিক লড়াইকে এগিয়ে নিতে তিনি আজীবন কাজ করে গেছেন। সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন একনিষ্ঠ, নির্লোভ, নিরহংকার ও এক সাহসী সাংস্কৃতিক কর্মী। মাঠের সংগঠকই নন, গণসংগীতের জগতে তাঁর অবদান ছিল অনন্য। গণসংগীতচর্চার পাশাপাশি তিনি নিজে অসংখ্য গান রচনা করেছেন এবং সেগুলোতে সুরারোপ করেছেন। প্রগতিশীল গণসংগীতের পাশাপাশি শিশুদের জন্য বহু ছড়াগানেও সুর দিয়েছেন গুণী এই শিল্পী।
তাঁর আকস্মিক প্রয়াণে দেশের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করা হয়েছে।

শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শরীফপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামে কয়েক দিন আগে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাকিবের চাচাতো ভাইয়ের ছেলের সঙ্গে স্থানীয় এক দোকানদারের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
২৩ মিনিট আগে
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশে খাদে পড়ে রিক্তা বেগম (২৮) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ যাত্রী। আজ রোববার সকালে গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কে উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের ঠুটিয়াপাকুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৩৭ মিনিট আগে
পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২৮ ও ২৯ মে দুই দিন জেলা প্রশাসন পরিচালিত বান্দরবানের মেঘলা, নীলাচল, প্রান্তিক লেক, চিম্বুকসহ সরকারী পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশমূল্য ছাড় দেওয়া হয়। তবু পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যটকদের আগমন কম ছিল।
১ ঘণ্টা আগে
এপ্রিল মাসের প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত ১ হাজারের বেশি শিশু হাম উপসর্গে চিকিৎসা নিয়েছে। তাদের মধ্যে ১০-১৫ জনকে ঢাকা ও চট্টগ্রামে রেফার করা হয়েছিল। বর্তমানে হাসপাতালের আইসোলেশন ও শিশু ওয়ার্ড মিলিয়ে হাম এবং অন্যান্য রোগে ১০৮ শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে