নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) ঢাকায় চিকিৎসাধীন ধর্ষণের শিকার মাগুরার শিশুটির শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। আজ বুধবার সন্ধ্যায় শিশুটির মা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মেয়ের কাছেই আছি। আমার মেয়ের শারীরিক অবস্থা ভালো না। ডাক্তার বলছে—“আল্লাহকে ডাকেন। ”’
কোনো সাড়া দেয় কি না, জানতে চাইলে শিশুটির মা বলেন, ‘আগের মতো আঁচড় দিলে আর সাড়া দেয় না। এখন আর নাড়ায় না।’
এ বিষয়ে বুধবার দুপুরে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রেস সচিব বলেন, সিএমএইচ ঢাকায় চিকিৎসাধীন মাগুরার আট বছরের শিশুটির শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার সিজিএস (কমা লেবেল) ৪ থেকে ৩-এ নেমে এসেছে। মস্তিষ্ক এবং চোখের পাতা গতকালের (মঙ্গলবার) চেয়ে কম কাজ করছে। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের চিকিৎসকেরা শিশুটির সুচিকিৎসার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। শিশুটির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রেস সচিব।
পুলিশ ও শিশুটির পরিবারসূত্রে জানা যায়, গত ৫ মার্চ (বুধবার) রাতে মাগুরা পৌর সদরে বড় বোনের বাড়িতে শিশুটি ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়। পরে ৬ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেন তার বোনের শাশুড়ি। পরে শিশুটির মা হাসপাতালে আসেন। ওই দিন দুপুরেই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে ৬ মার্চ রাতেই পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
৭ মার্চ রাতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। পরদিন ৮ মার্চ বিকেলে শিশুটিকে সিএমএইচ ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে করা মামলায় তার বড় বোনের শ্বশুর, শাশুড়ি, স্বামী ও ভাশুর রিমান্ডে রয়েছেন।

সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) ঢাকায় চিকিৎসাধীন ধর্ষণের শিকার মাগুরার শিশুটির শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। আজ বুধবার সন্ধ্যায় শিশুটির মা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মেয়ের কাছেই আছি। আমার মেয়ের শারীরিক অবস্থা ভালো না। ডাক্তার বলছে—“আল্লাহকে ডাকেন। ”’
কোনো সাড়া দেয় কি না, জানতে চাইলে শিশুটির মা বলেন, ‘আগের মতো আঁচড় দিলে আর সাড়া দেয় না। এখন আর নাড়ায় না।’
এ বিষয়ে বুধবার দুপুরে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রেস সচিব বলেন, সিএমএইচ ঢাকায় চিকিৎসাধীন মাগুরার আট বছরের শিশুটির শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার সিজিএস (কমা লেবেল) ৪ থেকে ৩-এ নেমে এসেছে। মস্তিষ্ক এবং চোখের পাতা গতকালের (মঙ্গলবার) চেয়ে কম কাজ করছে। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের চিকিৎসকেরা শিশুটির সুচিকিৎসার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। শিশুটির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রেস সচিব।
পুলিশ ও শিশুটির পরিবারসূত্রে জানা যায়, গত ৫ মার্চ (বুধবার) রাতে মাগুরা পৌর সদরে বড় বোনের বাড়িতে শিশুটি ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়। পরে ৬ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেন তার বোনের শাশুড়ি। পরে শিশুটির মা হাসপাতালে আসেন। ওই দিন দুপুরেই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে ৬ মার্চ রাতেই পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
৭ মার্চ রাতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। পরদিন ৮ মার্চ বিকেলে শিশুটিকে সিএমএইচ ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে করা মামলায় তার বড় বোনের শ্বশুর, শাশুড়ি, স্বামী ও ভাশুর রিমান্ডে রয়েছেন।

ময়মনসিংহ নগরীতে পুলিশ সদস্যদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে হাতকড়াসহ আরিফুল ইসলাম নামের এক আসামিকে ছিনিয়ে নিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা। হামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে নগরীর দিগারকান্দা ফিশারিজ মোড় এলাকায় এ ঘটনা
১ সেকেন্ড আগে
তিন দিন ধরে রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে কুমির বিচরণ করতে দেখা গেছে। এতে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তীরবর্তী এলাকায় নদীতে কখনো সকালে, কখনো দুপুরে কুমির ভেসে উঠছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। হঠাৎ পদ্মায় কুমির বিচরণের খবর শুনে তা দেখতে নদীতীরে ভিড় করছে উৎসুক জনতা।
১৮ মিনিট আগে
দীর্ঘ এক দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে হাসি ফিরেছে সুমন-এনি দম্পতির ঘরে। আজ মঙ্গলবার একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ নবজাতককে নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তাঁরা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ওই প্রসূতি পাঁচ সন্তান জন্ম দেন। তার মধ্যে তিনজন মেয়ে ও দুজন ছেলে।
৪৪ মিনিট আগে
ট্রেড ইউনিয়নের নামে হয়রানি, খাদ্য মূল্যস্ফীতি, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের অভাব ও নিয়মবহির্ভূত স্ট্রিট ফুডের বিস্তারে দেশের রেস্তোরাঁ খাত আগে থেকেই সংকটে ছিল। নতুন করে যোগ হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চরম সংকট। বাড়তি দাম দিয়েও সময়মতো মিলছে না এলপিজি। এতে অনেক রেস্তোরাঁই বন্ধের পথে রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে