
যশোরের মনিরামপুরে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে তৃপ্তি রাণী (৪০) নামে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত যুবক সংকর ঘটনার পর থেকে পলাতক। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার কৃষ্ণবাটি দক্ষিণপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, তৃপ্তি রাণী মাঠ থেকে ঘাস কেটে এক প্রতিবেশীর সঙ্গে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে তাঁর নিকটতম প্রতিবেশী সংকর তাঁদের গতি রোধ করেন। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংকর তৃপ্তিকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন এবং হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর ঘাড়ে ও মাথায় এলোপাতাড়ি কোপান। এ সময় তৃপ্তির সঙ্গে থাকা নারী বাধা দিতে গেলে সংকর তাঁকেও হত্যার ভয় দেখান।
আহত অবস্থায় তৃপ্তি রাণীকে প্রথমে মনিরামপুর ও পরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকের পরামর্শে স্বজনেরা তাঁকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। পথে নড়াইল এলাকায় পৌঁছালে সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়।
কৃষ্ণবাটি এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য সাধন দাস জানান, তৃপ্তির স্বামী অবনিশ মল্লিক পেশায় ভ্যানচালক। এই দম্পতির একটি সন্তান রয়েছে। নিহত তৃপ্তি ও অভিযুক্ত সংকর—উভয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক চলছিল, যা এলাকার মানুষ জানত। একপর্যায়ে সংকর তৃপ্তিকে ঘরে তুলতে চাইলে তৃপ্তি তাঁর কাছে ভিটা-বাড়ি দাবি করেন। সংকর এতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এই বিরোধের জেরেই সংকর তৃপ্তিকে খুন করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে খবর পেয়ে মনিরামপুর থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে নিহতের বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়েছে।
মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাস্থল থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পরকীয়ার জেরে সংকর নামে এক ব্যক্তি দুপুরে গৃহবধূকে কুপিয়ে আহত করেন। পরে ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। গৃহবধূর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য আজ (শুক্রবার) সকালে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। অভিযুক্ত সংকর পলাতক রয়েছেন এবং তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

রাজশাহী মহানগরের চন্দ্রিমা থানা এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২১টি ককটেল ও কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে এসব বিস্ফোরক ও অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
১ ঘণ্টা আগে
কয়েকজন বাসযাত্রী বলেন, যেখানে সিরাজগঞ্জগামী বাসের ভাড়া সাধারণ সময়ে প্রায় ৩৫০ টাকা, সেখানে ঈদ উপলক্ষে ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার চেষ্টা করছেন কিছু পরিবহন মালিক।
২ ঘণ্টা আগে
৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী মুন্নি বেগম ও আল আমিন বলেন, ‘সরকার আমাদের ১০ কেজি করে চাল দিয়েছে। কিন্তু মেম্বার পাঁচজনকে ৩০ কেজির একটি বস্তা দিয়ে বলেছেন—এর বেশি নেই। আমরা গরিব মানুষ, তাই আর কিছু বলতে পারিনি।’
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি সাদুল্লাপুরে যাচ্ছিলেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা তানজিমুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গোবিন্দগঞ্জে প্রায়ই যানজটের কারণে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। ঈদের সময় এই যানজট আরও ভয়াবহ হতে পারে।’
২ ঘণ্টা আগে