Ajker Patrika

সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতা দুই ভাইয়ের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১০

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ২২: ০৪
সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতা দুই ভাইয়ের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১০
দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর। ছবি: আজকের পত্রিকা

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সহোদর দুই ভাইয়ের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। তাঁরা দুজন স্থানীয় বিএনপির নেতা। এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন এবং বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

আজ বুধবার বিকেলে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের আষাড়িয়ারচর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ওই দুই বিএনপি নেতা হলেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রউফ ও পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল জলিল। আবদুর রউফ ও আবদুল জলিল সম্পর্কে আপন ভাই। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে তাঁদের মধ্যে পুরোনো দ্বন্দ্ব রয়েছে।

সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন আবদুর রউফ পক্ষের আবুবক্কর সিদ্দিক, মফিজুল ইসলাম, ইয়ানবী, বাবুল হোসেন ও রফিকুল ইসলাম এবং আবদুল জলিল পক্ষের সবুর খান ও আব্দুল লতিফ। তাঁদের প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিকেলে আধিপত্য ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথমে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায় এবং পিরোজপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর করে।

বিএনপি নেতা আবদুর রউফের অভিযোগ, এর আগেও প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর অনুসারীদের বাড়িঘরে আগুন দিয়েছেন এবং তাঁকে হত্যার চেষ্টা করেছেন। আজ তিনি দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। সেখানে তাঁকেসহ তাঁর নেতা-কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে।

তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আবদুল জলিল। তাঁর দাবি, পূর্বশত্রুতার জেরে তাঁর এক অনুসারীর ওপর প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা করেন। পরে জলিলকেও দলীয় কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে মারধর করা হয়। তাঁর চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন বলে দাবি করেন তিনি।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। পুরো ঘটনা তদন্ত করছে পুলিশ। অভিযোগ পেলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত