Ajker Patrika

নেত্রকোনা শহরে পুড়ল দোকান-বসতঘর, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
নেত্রকোনা শহরে পুড়ল দোকান-বসতঘর, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি
গতকাল রাত ১০টার দিকে বড়বাজারে আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। ছবি: আজকের পত্রিকা

নেত্রকোনা শহরের ব্যস্ত বড়বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে দুটি বহুতল ভবনের বহু দোকান ও বেশ কয়েকটি বসতঘর। শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে একটি জুতার দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তেই আশপাশের দোকান ও ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাত ১০টার দিকে বড়বাজারের একটি জুতার দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন আশপাশের দোকানপাটে ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বহুতল মজুমদার ভবনের নিচতলার মার্কেটেও আগুন ছড়িয়ে যায়। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো বাজার এলাকায়।

খবর পেয়ে নেত্রকোনা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের পাশাপাশি বারহাট্টা, আটপাড়া ও পূর্বধলা ফায়ার সার্ভিসের একটি করে ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

গতকাল রাত ১০টার দিকে বড়বাজারে আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। ছবি: আজকের পত্রিকা
গতকাল রাত ১০টার দিকে বড়বাজারে আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। ছবি: আজকের পত্রিকা

স্থানীয় ব্যবসায়ী রুবেল মিয়া বলেন, ‘বড়বাজার শহরের সবচেয়ে ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা। মূল বাজারের পাশের কিছু দোকান ও বসতঘরে আগুন লাগে। সময়মতো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে তা পুরো বাণিজ্যিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারত। এখানকার দোকানপাট একটি আরেকটির সঙ্গে লাগোয়া। আগুনে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে বিভিন্ন ফায়ার সার্ভিস ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। সম্মিলিত চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।

জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, আগুনের সূত্রপাতের পর আশপাশের দোকান ও বাসাবাড়িতে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারসহ দাহ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ সামগ্রী দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করেছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা হয়নি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত