রাজশাহীতে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন আশিকুর রহমান (২৮) নামের এক যুবক। সোমবার সকালে রাজশাহীর দামকুড়া থানার জোতরাবোন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ধার নেওয়া ৪৫০ টাকা ফেরত না দেওয়ার কারণে এ ঘটনা ঘটান আশিকুরের বন্ধু ফয়সাল আলী জয় (২৬)।
নিহত আশিকুর জোতরাবোন গ্রামের আকরাম আলীর ছেলে। আর তাঁর বন্ধু ফয়সালের বাবার নাম মোন্তাজ আলী। ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত ফয়সালকে গ্রেপ্তার করেছে। পেশায় তিনি অটোরিকশাচালক। তাঁর কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি জব্দ করা হয়েছে।
দামকুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম জানান, ২১ মে বন্ধু ফয়সালের কাছ থেকে ৪৫০ টাকা ধার নেন আশিকুর। সোমবার সকাল ১০টার দিকে ফয়সাল সেই টাকা চাইতে আশিকুরের বাড়ি যান। তখন দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।
এরপর ফয়সাল ফিরে আসেন। বেলা ১১টার দিকে তিনি ভাড়া মারতে অটোরিকশা নিয়ে বের হন। তখন আবার আশিকুরের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। এ সময় আবার কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। তখন ছুরি দিয়ে আশিকুরের বাঁ পাঁজরে আঘাত করেন ফয়সাল। এরপর কৌশলে ফয়সাল পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা আশিকুরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি জানান, ঘটনার পর ফয়সালকে ধরতে তাঁরা অভিযান শুরু করেন। পরে রাজশাহী নগরের আলুপট্টি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঢাকার কেরানীগঞ্জের রসুলপুর মাদ্রাসা পশুর হাটে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে ১ হাজার ৪০০ কেজি (৩৫ মণ) ওজনের বিশাল আকৃতির ষাঁড়। নাম টাইসন। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ শুধু একনজর টাইসনকে দেখতে হাটে ভিড় করে।
৩ ঘণ্টা আগে
গোলাম মোর্তজা ৯০ হাজার টাকা দিয়ে একটি গরু কিনেছেন। রাজশাহীর সিটি হাটে এর জন্য তাঁকে হাসিল দিতে হয়েছে এক হাজার টাকা। হাটের ইজারাদারের লোকজন তাঁকে রসিদও দিয়েছেন, কিন্তু তাতে লেখা নেই টাকার পরিমাণ। কোরবানির আগে এমন কৌশলে উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় এই পশুর হাটটিতে পশু ক্রেতাদের গলা কাটছেন ইজারাদার।
৩ ঘণ্টা আগে
বছরের পর বছর মেঘনার অব্যাহত ভাঙনে বিলীন হচ্ছে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চানন্দী, নলচিরা, সুখচর ও চর ঈশ্বর ইউনিয়নের হাজারো ঘরবাড়ি।
৩ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন ছড়া থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ সিলিকা বালু অবাধে লুট হচ্ছে। এতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু, একটি স্লুইস গেট এবং সিলেট-ঢাকা রেললাইন ও সিলেট-ব্রাহ্মণবাজার সড়কের ওপর নির্মিত সেতু যেকোনো সময় ধসে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে