শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

‘আগুন আগুন চিৎকার শুনে বাড়ি থেকে দৌড়ে রাস্তায় এসে দেখি বাসে আগুন জ্বলছে। দ্রুত আহত কয়েকজনকে অটোরিকশায় করে হাসপাতালে পাঠাই। বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিয়ে এই লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করি। পরে বাসে উঠে দেখি একজন শিক্ষার্থীর নিথর দেহ পড়ে রয়েছে বাসের ফাঁকা জায়গায়। কয়েকজন মিলে আগুনে পোড়া লাশ নিচে নামাই।’
আজ শনিবার সকালে গাজীপুরের শ্রীপুরে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) পিকনিকের বাসে বিদ্যুতায়িত হয়ে তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা জাকির হোসেন এসব কথা বলছিলেন।
জাকির হোসেন আরও বলেন, ‘কয়েকজনকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে অটোরিকশাযোগে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে বাসে উঠে দেখি ভেতরে একজনের লাশ পড়ে রয়েছে। কয়েকজন মিলে আগুনে পোড়া সেই লাশ নিচে নামাই।’
ক্ষোভ প্রকাশ করে জাকির হোসেন বলেন, ‘এমন ছোট্ট সংযোগ সড়কে বিআরটিসির দোতলা বাসে কী করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের পিকনিকে নিয়ে এল। সড়কের সামান্য ওপরে বৈদ্যুতিক তার। সেই তারে ছোট পরিবহন চলাচল যেখানে ঝুঁকিপূর্ণ। সেই সড়কে কী করে বিআরটিসির দোতলা বাস চলাচল করে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিয়াকৈর সার্কেল) আফজাল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পিকনিকের বাসে বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) পিকনিকের বাস বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে মোস্তাকিম রহমান মাহিম, মোজাম্মেল হোসেন ও জুবায়ের রহমান সাকিব নামের তিন শিক্ষার্থী মারা যান। এ ঘটনায় আরও তিনজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

‘আগুন আগুন চিৎকার শুনে বাড়ি থেকে দৌড়ে রাস্তায় এসে দেখি বাসে আগুন জ্বলছে। দ্রুত আহত কয়েকজনকে অটোরিকশায় করে হাসপাতালে পাঠাই। বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিয়ে এই লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করি। পরে বাসে উঠে দেখি একজন শিক্ষার্থীর নিথর দেহ পড়ে রয়েছে বাসের ফাঁকা জায়গায়। কয়েকজন মিলে আগুনে পোড়া লাশ নিচে নামাই।’
আজ শনিবার সকালে গাজীপুরের শ্রীপুরে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) পিকনিকের বাসে বিদ্যুতায়িত হয়ে তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা জাকির হোসেন এসব কথা বলছিলেন।
জাকির হোসেন আরও বলেন, ‘কয়েকজনকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে অটোরিকশাযোগে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে বাসে উঠে দেখি ভেতরে একজনের লাশ পড়ে রয়েছে। কয়েকজন মিলে আগুনে পোড়া সেই লাশ নিচে নামাই।’
ক্ষোভ প্রকাশ করে জাকির হোসেন বলেন, ‘এমন ছোট্ট সংযোগ সড়কে বিআরটিসির দোতলা বাসে কী করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের পিকনিকে নিয়ে এল। সড়কের সামান্য ওপরে বৈদ্যুতিক তার। সেই তারে ছোট পরিবহন চলাচল যেখানে ঝুঁকিপূর্ণ। সেই সড়কে কী করে বিআরটিসির দোতলা বাস চলাচল করে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিয়াকৈর সার্কেল) আফজাল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পিকনিকের বাসে বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) পিকনিকের বাস বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে মোস্তাকিম রহমান মাহিম, মোজাম্মেল হোসেন ও জুবায়ের রহমান সাকিব নামের তিন শিক্ষার্থী মারা যান। এ ঘটনায় আরও তিনজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে