গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আলোচিত তিন সাঁওতাল হত্যার বিচারসহ ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিক্ষোভ-মানববন্ধন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ-দিনাজপুর আঞ্চলিক সড়কের কাটামোড় নামক স্থানে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির আয়োজনে এ কর্মসূচি হয়।
এর আগে একটি বিক্ষোভ মিছিল গোবিন্দগঞ্জ-দিনাজপুর আঞ্চলিক সড়ক ঘুরে সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় বক্তারা বলেন, সাঁওতাল হত্যা মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাঁদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। বিভিন্ন সময় তাঁরা সাঁওতালদের ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকি প্রদর্শন করে যাচ্ছেন। অথচ প্রশাসন তাঁদের খুঁজে পায় না। আসামিরা এভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোয় ভুক্তভোগীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অবিলম্বে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, ভাঙচুর, জমি ফেরত দেওয়াসহ সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবি জানান বক্তারা।
বক্তারা আরও বলেন, ‘একটি কুচক্রী মহল সাঁওতাল হত্যার বিচার ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ইপিজেড করা নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এখানে সাঁওতালদের অধিকার বঞ্চিত করার চেষ্টা করা হলে তা প্রতিহত করা হবে। এই জমি উদ্ধার করতে গিয়ে তিনজনকে প্রাণ দিতে হয়েছে। প্রয়োজনে আমরাও প্রাণ দেব, তবু জমি ছেড়ে দেব না।’
সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি বার্নাবাস টুডুর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাফরুল ইসলাম প্রধান, সাংগঠনিক সম্পাদক রাফায়েল হাসদা, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিনহাজ শেখ, অর্থ সম্পাদক গণেশ মুরমু, প্রচার সম্পাদক আতাউর রহমান সাবু, আদিবাসী নেত্রী মায়রা হেমব্রম, জামিন হেমব্রম, আনছেল হেমব্রম, টাটু হেমব্রম, রুমিলা কিসকু প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর বিরোধপূর্ণ রংপুর চিনিকলের আওতাধীন সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারের জমিতে পুলিশ সঙ্গে নিয়ে আখ কাটতে যায় চিনিকল কর্তৃপক্ষ। এ সময় সাঁওতালরা আখ কাটতে বাধা দেয়। তাতে পুলিশ ও চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে সাঁওতালদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পুলিশসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়। তাঁদের মধ্যে শ্যামল, মঙ্গল ও রমেশ নামের তিন সাঁওতাল মারা যান।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আলোচিত তিন সাঁওতাল হত্যার বিচারসহ ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিক্ষোভ-মানববন্ধন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ-দিনাজপুর আঞ্চলিক সড়কের কাটামোড় নামক স্থানে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির আয়োজনে এ কর্মসূচি হয়।
এর আগে একটি বিক্ষোভ মিছিল গোবিন্দগঞ্জ-দিনাজপুর আঞ্চলিক সড়ক ঘুরে সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় বক্তারা বলেন, সাঁওতাল হত্যা মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাঁদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। বিভিন্ন সময় তাঁরা সাঁওতালদের ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকি প্রদর্শন করে যাচ্ছেন। অথচ প্রশাসন তাঁদের খুঁজে পায় না। আসামিরা এভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোয় ভুক্তভোগীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অবিলম্বে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, ভাঙচুর, জমি ফেরত দেওয়াসহ সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবি জানান বক্তারা।
বক্তারা আরও বলেন, ‘একটি কুচক্রী মহল সাঁওতাল হত্যার বিচার ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ইপিজেড করা নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এখানে সাঁওতালদের অধিকার বঞ্চিত করার চেষ্টা করা হলে তা প্রতিহত করা হবে। এই জমি উদ্ধার করতে গিয়ে তিনজনকে প্রাণ দিতে হয়েছে। প্রয়োজনে আমরাও প্রাণ দেব, তবু জমি ছেড়ে দেব না।’
সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি বার্নাবাস টুডুর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাফরুল ইসলাম প্রধান, সাংগঠনিক সম্পাদক রাফায়েল হাসদা, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিনহাজ শেখ, অর্থ সম্পাদক গণেশ মুরমু, প্রচার সম্পাদক আতাউর রহমান সাবু, আদিবাসী নেত্রী মায়রা হেমব্রম, জামিন হেমব্রম, আনছেল হেমব্রম, টাটু হেমব্রম, রুমিলা কিসকু প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর বিরোধপূর্ণ রংপুর চিনিকলের আওতাধীন সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারের জমিতে পুলিশ সঙ্গে নিয়ে আখ কাটতে যায় চিনিকল কর্তৃপক্ষ। এ সময় সাঁওতালরা আখ কাটতে বাধা দেয়। তাতে পুলিশ ও চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে সাঁওতালদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পুলিশসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়। তাঁদের মধ্যে শ্যামল, মঙ্গল ও রমেশ নামের তিন সাঁওতাল মারা যান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে