মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল

বেড়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। সেই সঙ্গে রয়েছে হাম, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, জ্বরসহ নানা সমস্যা। কিন্তু সেই অনুযায়ী বাড়েনি চিকিৎসা সেবা ব্যবস্থাপনা। এ অবস্থায় হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা করাতে এসে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে পরিবারগুলো।
মাদারীপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে বর্তমানে ৪০ শয্যার বিপরীতে ১৫৭ শিশু রোগী ভর্তি রয়েছে। শয্যাসংকটে একই বিছানায় দুই থেকে চার শিশু ও তাঁদের মায়েদের থাকতে হচ্ছে। রোগীদের অনেকে মেঝেতে ম্যাট্রেস বা মাদুর পেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
আজ সোমবার দুপুরে সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ সবচেয়ে বেশি। ছোট শিশুদের সঙ্গে মায়েদের থাকতে হওয়ায় ওয়ার্ডে তিল ধারণের জায়গা নেই। সেই সঙ্গে শিশুদের কান্না, চিৎকারে বিভীষিকাময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলা, শহর ও গ্রামের শিশুরা চিকিৎসার জন্য এই হাসপাতালে আসে। রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় শয্যাসংকট দেখা দিয়েছে।
মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি এলাকার লাকী বেগমের তিন বছর বয়সী ছেলে তাফসির জ্বর ও ঠান্ডাজনিত সমস্যায় হাসপাতালে ভর্তি। লাকী বেগম বলেন, ‘একই বেডে আমার ছেলেসহ তিনজন শিশু থাকছে। থাকতে আমাদের অনেক সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু কী করব, ছেলেকে চিকিৎসা করাতে হবে, তাই কষ্ট করে থাকছি।’
মাদারীপুর সদর উপজেলার চিড়াইপাড়া গ্রামের তৌয়বা তাবাসসুম তুবা বলেন, তাঁর এক মাস ২০ দিন বয়সী ছেলে আরশিয়া রহমান নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এক বেডে তিনজন শিশু আছে। সব শিশুই ছোট। মায়েদের কোলে নিয়ে বা পাশে শুয়ে থাকতে হয়। এই পরিস্থিতিতে খুব সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’
মাদারীপুরের জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শরীফুল আবেদীন কমল বলেন, ‘গত কয়েক দিনে মাদারীপুরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য হাসপাতালে আলাদা ইউনিট খোলা হয়েছে। এ ছাড়া তাদের চিকিৎসার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা রাখা আছে। ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পর্যাপ্ত কিটও রয়েছে। তবে অন্যান্য রোগীদের ক্ষেত্রে এতটা সুবিধা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। শয্যা সংকটের কারণে অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত শিশুদের কয়েকজনকে একসঙ্গে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছ।’
জনবলসংকটের কথা উল্লেখ করে শরীফুল আবেদীন বলেন, ‘মাদারীপুরের ১০০ শয্যা হাসপাতালের লোকবল দিয়েই ২৫০ শয্যার কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। এতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। লোকবল পর্যাপ্ত থাকলে চিকিৎসার মানও অনেক গুণ বেড়ে যায়। শিশু ওয়ার্ডে মাত্র ৪০টি আসন রয়েছে। কিন্তু প্রতিদিনই দেড়শ থেকে দুই শতাধিক রোগী ভর্তি থাকে। তবু আমরা কোনো অসুস্থ শিশুকে ফিরিয়ে দিই না। ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করি।’
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর জেলা সদর হাসপাতালে ১৯৭ জনবলের বিপরীতে কর্মরত আছেন ১৩৮ জন। শূন্য পদ ৫৯টি। প্রথম শ্রেণির ৫৬ পদের মধ্যে ১৯টি পদে কর্মরত আছেন, শূন্য ৩৭টি। দ্বিতীয় শ্রেণির ৬৮ পদের মধ্যে কর্মরত ৬৭ জন, শূন্য একটি পদ। তৃতীয় শ্রেণির ২৮ পদের মধ্যে কর্মরত ২৩ জন, শূন্য ৫টি পদ। চতুর্থ শ্রেণির ৪৫ পদের মধ্যে কর্মরত ২৯ জন, শূন্য ১৬টি পদ। চিকিৎসকের ৩৭টি পদ শূন্য রয়েছে।

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় এক শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলা হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ের মাঠে মোবাইলটি ভাঙেন শিক্ষক নেওয়াজ শরীফ রায়হান।
২ মিনিট আগে
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুল বলেছেন, ‘আমরা সমাজের পরিবর্তন আনতে চাচ্ছি। সমাজে জনগণের জন্য সরকার যেটা বরাদ্দ দিয়েছে, সেটার সুষম বণ্টন করতে হবে। এগুলো কোনো নেতার মাধ্যমে দেওয়া যাবে না।’
৩ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি রাখার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ। তাঁর দাবি, ভাষা আন্দোলনের পটভূমি তুলে ধরতেই জিন্নাহর...
৪ মিনিট আগে
বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) সনদ নেই তাঁর। নেই এমবিবিএস ডিগ্রিও। অথচ দীর্ঘদিন ধরে ব্যবস্থাপত্রে নামের আগে ‘ডাক্তার’ লিখে রোগী দেখে আসছিলেন নাটোরের নলডাঙ্গার পল্লিচিকিৎসক আল আমিন। এই অভিযোগে আজ সোমবার তাঁকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
২৬ মিনিট আগে