চবি সংবাদদাতা

শতভাগ আবাসন, আবাসিক হলে অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সিট বাতিলসহ পাঁচ দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার বেলা ১টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। পরে বেলা আড়াইটার দিকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন।
এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘১০০ টাকার ভিক্ষুক, তাঁরা নাকি শিক্ষক’, ‘আবাসন ভাতা দে, নইলে গদি ছেড়ে দে’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়। এ ছাড়া উপাচার্য, সহ-উপাচার্য ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ভুয়া ভুয়া স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবি হলো—শিক্ষার্থীদের জন্য শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করা, শতভাগ আবাসন না হওয়া পর্যন্ত অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত আবাসন ভাতা দেওয়া, সব হলে অবৈধভাবে অবস্থানকারী ছাত্রছাত্রীর তালিকা শনাক্ত করে অবিলম্বে তাঁদের হলের সিট বাতিল করতে হবে, হলের আবেদনপত্রের সঙ্গে ১০০ টাকা করে নিয়েও সিট না দিলে শিক্ষার্থীদের টাকা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে এবং ছাত্রীদের হলে ডাবলিং (এক সিটে দুজন থাকার) প্রথা বন্ধ করতে হবে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন রিয়াদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোটি কোটি খরচ করে “ডিলিট” উপাধি দিতে পারে, অথচ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি পূরণে কোনো উদ্যোগ নিতে পারে না। দেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আবাসন দিতে না পারলেও ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা রেখেছে। অথচ চবিতে আমরা কেবল আশ্বাসই পেয়েছি, কোনো বাস্তব পদক্ষেপ নেই।’
ইতিহাস বিভাগের আরও এক শিক্ষার্থী তাহসান হাবিব বলেন, ‘আমাদের আবাসন সমস্যা নিরসনে প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। অনেকবার আন্দোলন হয়েছে, স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন কর্ণপাত করেনি। এ জন্য আমরা প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়েছি।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা বেশ কিছু দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে রেখেছে। আমরা লিখিতভাবে তাদের দাবিগুলো চেয়েছি। লিখিতভাবে দাবিগুলো পেলে সমাধানের চেষ্টা করব।’

শতভাগ আবাসন, আবাসিক হলে অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সিট বাতিলসহ পাঁচ দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার বেলা ১টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। পরে বেলা আড়াইটার দিকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন।
এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘১০০ টাকার ভিক্ষুক, তাঁরা নাকি শিক্ষক’, ‘আবাসন ভাতা দে, নইলে গদি ছেড়ে দে’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়। এ ছাড়া উপাচার্য, সহ-উপাচার্য ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ভুয়া ভুয়া স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবি হলো—শিক্ষার্থীদের জন্য শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করা, শতভাগ আবাসন না হওয়া পর্যন্ত অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত আবাসন ভাতা দেওয়া, সব হলে অবৈধভাবে অবস্থানকারী ছাত্রছাত্রীর তালিকা শনাক্ত করে অবিলম্বে তাঁদের হলের সিট বাতিল করতে হবে, হলের আবেদনপত্রের সঙ্গে ১০০ টাকা করে নিয়েও সিট না দিলে শিক্ষার্থীদের টাকা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে এবং ছাত্রীদের হলে ডাবলিং (এক সিটে দুজন থাকার) প্রথা বন্ধ করতে হবে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন রিয়াদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোটি কোটি খরচ করে “ডিলিট” উপাধি দিতে পারে, অথচ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি পূরণে কোনো উদ্যোগ নিতে পারে না। দেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আবাসন দিতে না পারলেও ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা রেখেছে। অথচ চবিতে আমরা কেবল আশ্বাসই পেয়েছি, কোনো বাস্তব পদক্ষেপ নেই।’
ইতিহাস বিভাগের আরও এক শিক্ষার্থী তাহসান হাবিব বলেন, ‘আমাদের আবাসন সমস্যা নিরসনে প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। অনেকবার আন্দোলন হয়েছে, স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন কর্ণপাত করেনি। এ জন্য আমরা প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়েছি।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা বেশ কিছু দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে রেখেছে। আমরা লিখিতভাবে তাদের দাবিগুলো চেয়েছি। লিখিতভাবে দাবিগুলো পেলে সমাধানের চেষ্টা করব।’

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পাঁচ দিন পিছিয়ে ২৫ জানুয়ারি ধার্য করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই তারিখ ধার্য করেন।
৮ মিনিট আগে
নির্বাচন কমিশনে আপিল মঞ্জুর হওয়ায় টাঙ্গাইলের দুই নারীসহ ১৮ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এর ফলে টাঙ্গাইলের আটটি আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়াল ৫৫। টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
১০ মিনিট আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত র্যাব কর্মকর্তা মো. মোতালেব হোসেনের প্রথম জানাজা চট্টগ্রামে র্যাব কার্যালয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এ সময় তাঁর সহকর্মীরা তাঁকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। জানাজা শেষে তাঁর লাশ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স কুমিল্লায় নিজ গ্রামের পথে রওনা দিয়েছে বলে
১১ মিনিট আগে
‘গণভোটের ব্যাপারে সরকারের যে তৎপরতা দেখছি, দুষ্কৃতকারীদের দমনে সেই তৎপরতা দেখছি না। তফসিল ঘোষণার পর ১৫ জন নেতা-কর্মী নিহত হয়েছে, কিন্তু নির্বাচন কমিশন কী করছে?’
৩১ মিনিট আগে