
বরগুনা সদর উপজেলায় সাড়ে ২২ কিলোমিটারের একটি সড়ক সংস্কার ও প্রশস্তকরণ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে এক বছর আগে; কিন্তু কাজ শেষ হয়নি। ক্রোক স্লুইসগেট থেকে নিশানবাড়িয়া পর্যন্ত এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ৩৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু কাজ শেষ না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী, পথচারী ও যানবাহনের চালকেরা।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বরগুনা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার বরগুনা-নিশানবাড়িয়া সড়কের সাড়ে ২২ কিলোমিটার সংস্কারের জন্য ৯টি প্যাকেজে ৩৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ১ বছর মেয়াদে ৮ প্যাকেজের কাজ শুরু করে বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন এবং অন্যটির কাজ পায় জাকাউল্লাহ অ্যান্ড ব্রাদার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন রাজশাহীর একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় তাদের প্রতিনিধি হয়ে ওই আটটি প্যাকেজের কাজ শুরু করেন বশির নামের এক স্থানীয় ঠিকাদার। কাজ শুরুর পর দুটি প্যাকেজ সম্পন্ন করে একটি মামলায় বশির গ্রেপ্তার হলে বাকি দুটি প্যাকেজের প্রায় ৬-৭ কিলোমিটার সড়কের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া সড়কের নির্ধারিত পথের মোট ১০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার সম্পন্ন হয়েছে। বাকি সাড়ে ১২ কিলোমিটার কাজের ধীরগতিতে দুর্ভোগে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা ছিল। কিন্তু মেয়াদ পেরিয়ে আরও এক বছর গেলেও কাজ শেষ হয়নি।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে কাজ না করে ফেলে রাখায় দ্রুত সংস্কারের দাবিতে বাঁশ দিয়ে আটকে সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গতকাল সোমবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বরগুনা সদর উপজেলার ৮ নম্বর ঢলুয়া ইউনিয়নের বরগুনা-নিশানবাড়িয়া সড়কের ক্রোক নামক এলাকায় বাঁশ দিয়ে সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে এলজিইডি
কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক মাসের মধ্যে সড়ক সংস্কার সম্পন্নের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন তাঁরা।
সড়ক অবরোধে অংশ নিয়ে বশির উদ্দিন নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, প্রায় তিন বছর এ সড়কটি সংস্কারাধীন অবস্থায় রয়েছে। যখন কোনো গাড়ি সড়ক দিয়ে যায়, তখন মনে হয় ধুলার মেঘ উড়ে যাচ্ছে। আশপাশের বাড়িঘরে ধুলার স্তূপ তৈরি হয়েছে। এ ছাড়াও শিশু-বৃদ্ধরা সবাই এখন শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে।
বরগুনা-নিশানবাড়িয়া সড়কে নিয়মিত যাতায়াত করা আমতলী এলাকার বাসিন্দা মো. খলিলুর রহমান বলেন, এভাবে সড়কের কাজ ফেলে রাখা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এক বছর ধরে এই সড়কের পাশে থাকা প্রত্যেকেই সর্দি, কাশি এবং শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়েছেন। আশপাশের সবজিখেত, পুকুর, বাড়িঘর সব ধুলায় নষ্ট হচ্ছে।
বরগুনা সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মোশারেফ হোসেন বলেন, ‘সড়ক অবরোধের মূল কারণ এখানকার বাসিন্দারা ধুলাবালুর কষ্টে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।’
ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয় বাসিন্দাদের তোপের মুখে দ্রুত সড়ক সংস্কারের আশ্বাস দিয়ে এলজিইডির জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলী শ্যামল কুমার গাইন বলেন, ‘ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশনের ব্যবস্থাপক মো. বশির উদ্দিন গ্রেপ্তার থাকলে তাঁদের অন্য ব্যবস্থাপক কাজ করবেন। প্রতিনিধি গ্রেপ্তারের সঙ্গে কাজ বন্ধ থাকার কোনো সুযোগ নেই। মূল ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলেছি, তাঁরা আগামী শুক্রবার থেকেই কাজ শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন।’
এলজিইডি বরগুনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান খান বলেন, ‘সড়কটির বর্তমানে কার্পেটিং করার কাজ বাকি রয়েছে। কিন্তু ঠিকাদার গ্রেপ্তার হওয়ায় কাজ বন্ধ আছে। আমরা সংশ্লিষ্ট মূল ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলেছি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসনে বিজয়ী হন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আসন দুটি হচ্ছে—বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭। সংবিধান অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একাধিক আসনে নির্বাচিত হলেও কেবল একটিতে সংসদ সদস্য হিসেবে থাকতে পারেন। সে অনুযায়ী, ঢাকা-১৭ রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন তারেক রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
ফুটপাত আর সংলগ্ন সড়কজুড়ে সারি সারি দোকান। ফল, পোশাক, মোবাইল সামগ্রীসহ হরেক রকম পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা। হকারদের কবল থেকে মুক্তি নেই পদচারী-সেতুতেও। এই চিত্র সাভারের বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড এলাকার। রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এসব ভাসমান দোকান থেকে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়। আর এর খে
১ ঘণ্টা আগে
মুকুলে ঠাসা আমগাছগুলো। কোনো কোনো ডাল নুয়ে পড়ছে। গাছতলায়; এমনকি দূরেও ম-ম গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। রাজশাহী অঞ্চলে এবার প্রায় সব আমবাগানের চিত্র এ রকম। চাষি ও কৃষি বিভাগ বলছে, ইতিমধ্যে বাগানগুলোর প্রায় ৬৩ শতাংশ গাছে মুকুল এসেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে শিকার নিষিদ্ধ পরিযায়ী ও বিভিন্ন বুনো পাখি। জানা গেছে শীতকালজুড়ে একশ্রেণির পাখিশিকারি তৎপর থাকে। শীতকাল চলে গেলেও থামেনি তাঁদের কারবার।
২ ঘণ্টা আগে