আনোয়ার হোসেন শামীম, গাইবান্ধা

নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষ ঈদের আনন্দ গায়ে মেখে আবার ফিরছে কর্মস্থলে। কিন্তু নিম্ন আয়ের মানুষের এই যাত্রা যেন এক যন্ত্রণার নাম। বাসভাড়া বেশি, টিকিট মিলছে না, তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গভীর রাতেও মালবাহী ট্রাক, পিকআপে ঠাসাঠাসি করে কর্মস্থলে ফিরছে শিশুসহ নারী ও বৃদ্ধরা।
শনিবার (১৫ জুন) রাতে গাইবান্ধা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, কর্মস্থলে ফেরার তাগিদে বাস কাউন্টারগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। কেউ কেউ কাঙ্ক্ষিত টিকিট পেলেও অনেকেই পিকআপ বা ট্রাকে করে রওনা হচ্ছেন। কম ভাড়ার আশায় ঝুঁকিপূর্ণ এই বাহনকেই ভরসা করছেন তারা। প্রচণ্ড গরমেও গাদাগাদি করে উঠছেন এসব বাহনে।
রাত সাড়ে ১২টায় স্ত্রী ও আট বছরের মেয়ে রিশা মনিকে নিয়ে বাসের অপেক্ষায় ছিলেন পোশাককর্মী ইকবাল হোসেন। তিনি জানান, ঈদের ছুটিতে গ্রামে এলেও ফেরার টিকিট পাননি। দুজনেই পোশাক কারখানায় কাজ করেন, মাসিক বেতন ১৭ হাজার টাকা। টিকিট না পেলেও চাকরি বাঁচাতে যেতেই হবে—এই দুশ্চিন্তায় কপালে ভাঁজ পড়েছে তাঁদের।
৪৫ বছরের রেবেকা বেগমও পোশাককর্মী। রোববার সকালে তাঁর ডিউটি, তাই ৩০০ টাকা দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পিকআপে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। বলেন, ‘চাকরি চলে গেলে খাব কী? যত কষ্টই হোক, গাজীপুর চৌরাস্তায় পৌঁছাতে হবে।’
আরেক যাত্রী গফুর মিয়া বলেন, ‘এই গরমে স্ট্রোক করার মতো অবস্থা। তবু ট্রাকে উঠেছি। ঈদে বাড়ি এসে সব টাকা শেষ। কোনোভাবে কর্মস্থলে ফিরলেই হলো।’

ট্রাকচালক রহমত আলী বলেন, ‘চন্দ্রা, গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত জনপ্রতি ৩০০ টাকা করে যাত্রী নিচ্ছি। আমরা জানি ঝুঁকি আছে, কিন্তু মানুষ অসহায়, তারাও যেতে চাইছে, আমরাও নিচ্ছি।’
এদিকে টিকিট কাউন্টারগুলোতেও চলছে নানা বিড়ম্বনা। অনেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও টিকিট পাচ্ছেন না। কেউ কেউ বাইরে থেকে এক থেকে দেড় হাজার টাকায় টিকিট কিনে রওনা হচ্ছেন।
হানিফ এন্টারপ্রাইজের টিকিট বিক্রেতা জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন, ‘আমরা কাউন্টারে ৭৬০ টাকা নিচ্ছি, বাইরে কে কত নিচ্ছে জানি না।’
গাইবান্ধা মোটর ও বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম বাদশা জানান, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে সহযোগিতা করা হচ্ছে। আজ ৩৫টি যানবাহনকে জরিমানা করা হয়েছে।
গাইবান্ধা আন্তজেলা বাস টার্মিনাল সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে গাইবান্ধা-ঢাকা রুটে ১৫০টি যাত্রীবাহী বাস ও ৫০টি লোকাল বাস চলাচল করছে। ঈদ উপলক্ষে জেলার অভ্যন্তরে তিন শতাধিক বাস প্রবেশ করেছে। এর বাইরেও শত শত মানুষ পিকআপ-ট্রাকে গাদাগাদি করে গন্তব্যে পাড়ি দিচ্ছে।

নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষ ঈদের আনন্দ গায়ে মেখে আবার ফিরছে কর্মস্থলে। কিন্তু নিম্ন আয়ের মানুষের এই যাত্রা যেন এক যন্ত্রণার নাম। বাসভাড়া বেশি, টিকিট মিলছে না, তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গভীর রাতেও মালবাহী ট্রাক, পিকআপে ঠাসাঠাসি করে কর্মস্থলে ফিরছে শিশুসহ নারী ও বৃদ্ধরা।
শনিবার (১৫ জুন) রাতে গাইবান্ধা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, কর্মস্থলে ফেরার তাগিদে বাস কাউন্টারগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। কেউ কেউ কাঙ্ক্ষিত টিকিট পেলেও অনেকেই পিকআপ বা ট্রাকে করে রওনা হচ্ছেন। কম ভাড়ার আশায় ঝুঁকিপূর্ণ এই বাহনকেই ভরসা করছেন তারা। প্রচণ্ড গরমেও গাদাগাদি করে উঠছেন এসব বাহনে।
রাত সাড়ে ১২টায় স্ত্রী ও আট বছরের মেয়ে রিশা মনিকে নিয়ে বাসের অপেক্ষায় ছিলেন পোশাককর্মী ইকবাল হোসেন। তিনি জানান, ঈদের ছুটিতে গ্রামে এলেও ফেরার টিকিট পাননি। দুজনেই পোশাক কারখানায় কাজ করেন, মাসিক বেতন ১৭ হাজার টাকা। টিকিট না পেলেও চাকরি বাঁচাতে যেতেই হবে—এই দুশ্চিন্তায় কপালে ভাঁজ পড়েছে তাঁদের।
৪৫ বছরের রেবেকা বেগমও পোশাককর্মী। রোববার সকালে তাঁর ডিউটি, তাই ৩০০ টাকা দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পিকআপে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। বলেন, ‘চাকরি চলে গেলে খাব কী? যত কষ্টই হোক, গাজীপুর চৌরাস্তায় পৌঁছাতে হবে।’
আরেক যাত্রী গফুর মিয়া বলেন, ‘এই গরমে স্ট্রোক করার মতো অবস্থা। তবু ট্রাকে উঠেছি। ঈদে বাড়ি এসে সব টাকা শেষ। কোনোভাবে কর্মস্থলে ফিরলেই হলো।’

ট্রাকচালক রহমত আলী বলেন, ‘চন্দ্রা, গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত জনপ্রতি ৩০০ টাকা করে যাত্রী নিচ্ছি। আমরা জানি ঝুঁকি আছে, কিন্তু মানুষ অসহায়, তারাও যেতে চাইছে, আমরাও নিচ্ছি।’
এদিকে টিকিট কাউন্টারগুলোতেও চলছে নানা বিড়ম্বনা। অনেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও টিকিট পাচ্ছেন না। কেউ কেউ বাইরে থেকে এক থেকে দেড় হাজার টাকায় টিকিট কিনে রওনা হচ্ছেন।
হানিফ এন্টারপ্রাইজের টিকিট বিক্রেতা জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন, ‘আমরা কাউন্টারে ৭৬০ টাকা নিচ্ছি, বাইরে কে কত নিচ্ছে জানি না।’
গাইবান্ধা মোটর ও বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম বাদশা জানান, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে সহযোগিতা করা হচ্ছে। আজ ৩৫টি যানবাহনকে জরিমানা করা হয়েছে।
গাইবান্ধা আন্তজেলা বাস টার্মিনাল সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে গাইবান্ধা-ঢাকা রুটে ১৫০টি যাত্রীবাহী বাস ও ৫০টি লোকাল বাস চলাচল করছে। ঈদ উপলক্ষে জেলার অভ্যন্তরে তিন শতাধিক বাস প্রবেশ করেছে। এর বাইরেও শত শত মানুষ পিকআপ-ট্রাকে গাদাগাদি করে গন্তব্যে পাড়ি দিচ্ছে।

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
১৩ মিনিট আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
২৮ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
৪৩ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
১ ঘণ্টা আগে