Ajker Patrika

বরিশাল বিএম কলেজ: শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে অধ্যাপ‌ক আজাদের পদায়ন বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১৯: ৪৯
বরিশাল বিএম কলেজ: শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে অধ্যাপ‌ক আজাদের পদায়ন বাতিল
ছবি: সংগৃহীত

বিসিএস ক্যাডার শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে উপাধ্যক্ষ পদে অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদের পদায়ন বাতিল করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সরকারি কলেজ-২-এর উপসচিব এ এস এম শাহরিয়ার জাহান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। এদিকে বাতিলের আগমুহূর্তে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে অধ্যাপক আজাদের পক্ষে একদল শিক্ষার্থী প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ করলে শিক্ষকেরা অধ্যক্ষের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। এ নিয়ে ছাত্রদের দুই পক্ষে হাতাহাতি হয়।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জারি করা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ‘গত ২০ আগস্ট এক প্রজ্ঞাপনের ৮ নম্বর ক্রমিকে বিএম কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদকে ওই কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে পদায়ন করা হয়। প্রশাসনিক কারণে ওই পদায়ন বাতিল করা হলো।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে ইসলামের ইতিহাস বিভাগের একদল শিক্ষার্থী অধ্যাপক আজাদকে যোগদানের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এ সময় শিক্ষকেরা অধ্যক্ষের কার্যালয় ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন।

একই সময়ে বিসিএস শিক্ষকদের পক্ষ নিয়ে অপর একদল ছাত্র অবস্থান নিলে দুই পক্ষে হাতাহাতি ঘটে। একপর্যায়ে শিক্ষকেরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে এ সময় ছাত্রনেতাদের দেখা যায়নি।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কলেজের মসজিদ গেট পর্যন্ত এসে অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. তাজুল ইসলাম কার্যালয়ের সামনে হইচই ও হট্টগোল দেখে গাড়ি নিয়ে দ্রুত সটকে পড়েন। এ সময় ছাত্ররা স্লোগান দেন।

কলেজের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে অধ্যাপক আজাদ ইসলামের ইতিহাস বিভাগের একটি কক্ষে ঢুকে ছাত্রদের উত্তেজিত করে তোলেন। ওই ছাত্ররাই প্রশাসনিক ভবনে এসে বিক্ষোভ করেন।

কলেজের সহকারী অধ্যাপক জহিরুল ইসলাম বলেন, তাঁদের আন্দোলন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ছিল না। ক্যাডারের মর্যাদা রক্ষায় আন্দোলন করেছেন। অধ্যাপক আজাদ ছিলেন ১০ শতাংশ কোটায় আসা নন-ক্যাডার শিক্ষক। তাঁরা ক্যাডারভুক্ত কলেজে প্রশাসনিক পদে নন-ক্যাডার পদায়নের বিরুদ্ধে ২০১৭ সাল থেকে আন্দোলন করে আসছেন।

এ বিষয়ে জানতে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. তাজুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত