
পাবনায় কয়েক দিন ধরে বেড়েছে লোডশেডিং। দিনে-রাতে কয়েকবার করে বিদ্যুতের আসা-যাওয়ায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। একদিকে ভ্যাপসা গরম ও অন্যদিকে লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় ভোগান্তির শেষ নেই তাদের। বিশেষ করে পরীক্ষার্থী, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের দুর্ভোগ বেড়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে নেমে এসেছে স্থবিরতা।
ভুক্তভোগীরা জানান, দিনে চার থেকে পাঁচবার এবং রাতে তিন থেকে চারবার করে লোডশেডিং দিচ্ছে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগ। শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি লোডশেডিং চলছে। এমন অবস্থায় আসন্ন এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়ালেখায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। এ ছাড়া ধর্মীয় উপাসনা কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। গরমে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকার কারণে দৈনন্দিন জীবনযাপনে ভোগান্তি বেড়েছে।
পাবনা শহরের কাপড় ব্যবসায়ী সবুজ হোসেন বলেন, ‘ক্রেতারা দোকানে এসে যদি দেখে বিদ্যুৎ নেই, তখনই উঠে চলে যায়। বলে বিদ্যুৎ আসুক তারপর দোকানে আসব। এভাবে ব্যবসা হয় বলেন ভাই? দিনে কমপক্ষে চার-পাঁচবার করে বিদ্যুৎ চলে যায়। ঠিকমতো ব্যবসাই করতে পারছি না।’
মুদিখানা ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যুৎ ঠিকমতো না থাকলে এই গরমে বসে থাকাই কঠিন। বেচাকেনাও কমে গেছে। হাতপাখা দিয়ে আর কতক্ষণ বাতাস নেওয়া যায়। একদিকে গরম, আরেক দিকে লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় আর বাঁচি না।’
চাটমোহর উপজেলার বেসরকারি চাকরিজীবী শামীম হোসেন বলেন, ‘সামনে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা। লোডশেডিংয়ের কারণে বাচ্চারা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে লোডশেডিং কমিয়ে আনা উচিত।’
পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল আমিন চৌধুরী বলেন, ‘একদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে। অন্যদিকে আমরা চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছি না। গত কয়েক দিন আগে লোডশেডিং দিতে হয়েছে। তবে শনিবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। লোডশেডিং অনেকটা কমেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘রোববার আমাদের চাহিদা ১০৩ মেগাওয়াটের বিপরীতে পেয়েছি ৮৭ মেগাওয়াট। আর কয়েক দিন আগে চাহিদার তুলনায় ৭০ ভাগ বিদ্যুৎ পেয়েছিলাম। যে কারণে লোডশেডিং করতে হয়েছে। জাতীয় গ্রিড থেকে যেমন দেয়, আমরা সেটাই সরবরাহ করি। এখানে আমাদের কিছু করার নেই।’
এপ্রিলের শুরু থেকে পাবনায় প্রচণ্ড গরম অনুভূত হচ্ছে। বাইরে বের হলে কড়া রোদে একমুহূর্ত দাঁড়িয়ে থাকা যাচ্ছে না। শরীর বেয়ে দরদর করে ঘাম ঝরছে। রোদের তীব্রতায় বাইরে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত আবহাওয়া পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন বলেন, বর্তমানে পাবনার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কয়েক দিন ধরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে। এর মাঝে বিক্ষিপ্তভাবে কিছু এলাকায় বৃষ্টি হলেও গরম কমছে না।

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যাত্রীবাহী বাস ও বালুভর্তি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৬ টায় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১৯ মিনিট আগে
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পৌরসভার নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের সেপটিক ট্যাংকে নেমে মাসুম শেখ (৫২) নামে এক নির্মাণশ্রমিক মারা গেছেন। অতিরিক্ত গ্যাসের কারণে তাঁর মৃত্যু হয় বলে ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে। আজ সোমবার সকালে ভাঙ্গা পৌর সদরের কোর্টপাড় মাছবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২১ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের পটিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের কোপে আহত সুপারি ব্যবসায়ী আবুল কাসেম (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ সোমবার ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি।
২৩ মিনিট আগে
সিলেটে হামে আক্রান্ত হয়ে সাজু নামে দুই বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ৯টার দিকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (পিআইসিইউ) তার মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে