বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন হওয়া সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশের খসড়া প্রত্যাহারের দাবিতে আজ রোববারও সচিবালয়ে বিক্ষোভ করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
আজ সকাল সাড়ে ৯টার পর থেকে সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের সামনের বাদামতলায় জড়ো হন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সকাল ১০টার দিকে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের একাংশের সভাপতি মো. নূরুল ইসলাম ও মহাসচিব মো. মুজাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে মিছিল করেন তাঁরা।
৬ নম্বর ভবনের সামনে থেকে মিছিল শুরু হয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সামনে দিয়ে সচিবালয়ের নতুন ভবন হয়ে ক্লিনিক ভবনের সামনে দিয়ে ১১ নম্বর ভবনের সামনে এসে মিছিলটি শেষ হয়।
পরে মিছিল নিয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা দপ্তর ঘেরাও করেন তাঁরা। বেলা পৌনে ১২টার দিকে দেখা যায়, বিক্ষোভকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গৃহায়ন উপদেষ্টা দপ্তরের সামনে বসে পড়েছেন। এ সময় সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা সচিবালয়ে প্রবেশ করলে তাঁর গাড়ি আটকে দেন বিক্ষোভকারীরা।
সেখান থেকে মিছিল নিয়ে সচিবালয়ের এক নাম্বার ফটক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
বিক্ষোভ মিছিল থেকে ‘সচিবালয়ের কর্মচারী, এক হও লড়াই করো’, ‘অবৈধ কালো আইন, মানি না মানব না’, ‘আমাদের দাবি আমাদের দাবি, মানতে হবে মানতে হবে’ স্লোগান দেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

একই দাবিতে এর আগে গতকাল শনিবারও সচিবালয়ে বিক্ষোভ করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সরকারি চাকরিজীবীদের শৃঙ্খলে আনতে ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইন সংশোধনে অধ্যাদেশের খসড়া গত বৃহস্পতিবার অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। অধ্যাদেশের খসড়ায় শৃঙ্খলা বিঘ্নিত, কর্তব্য সম্পাদনে বাধা, ছুটি ছাড়া অনুপস্থিত, কর্তব্য পালন না করার জন্য উসকানি দিলে চাকরিচ্যুতির বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন হওয়া সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশের খসড়া প্রত্যাহারের দাবিতে আজ রোববারও সচিবালয়ে বিক্ষোভ করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
আজ সকাল সাড়ে ৯টার পর থেকে সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের সামনের বাদামতলায় জড়ো হন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সকাল ১০টার দিকে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের একাংশের সভাপতি মো. নূরুল ইসলাম ও মহাসচিব মো. মুজাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে মিছিল করেন তাঁরা।
৬ নম্বর ভবনের সামনে থেকে মিছিল শুরু হয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সামনে দিয়ে সচিবালয়ের নতুন ভবন হয়ে ক্লিনিক ভবনের সামনে দিয়ে ১১ নম্বর ভবনের সামনে এসে মিছিলটি শেষ হয়।
পরে মিছিল নিয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা দপ্তর ঘেরাও করেন তাঁরা। বেলা পৌনে ১২টার দিকে দেখা যায়, বিক্ষোভকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গৃহায়ন উপদেষ্টা দপ্তরের সামনে বসে পড়েছেন। এ সময় সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা সচিবালয়ে প্রবেশ করলে তাঁর গাড়ি আটকে দেন বিক্ষোভকারীরা।
সেখান থেকে মিছিল নিয়ে সচিবালয়ের এক নাম্বার ফটক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
বিক্ষোভ মিছিল থেকে ‘সচিবালয়ের কর্মচারী, এক হও লড়াই করো’, ‘অবৈধ কালো আইন, মানি না মানব না’, ‘আমাদের দাবি আমাদের দাবি, মানতে হবে মানতে হবে’ স্লোগান দেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

একই দাবিতে এর আগে গতকাল শনিবারও সচিবালয়ে বিক্ষোভ করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সরকারি চাকরিজীবীদের শৃঙ্খলে আনতে ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইন সংশোধনে অধ্যাদেশের খসড়া গত বৃহস্পতিবার অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। অধ্যাদেশের খসড়ায় শৃঙ্খলা বিঘ্নিত, কর্তব্য সম্পাদনে বাধা, ছুটি ছাড়া অনুপস্থিত, কর্তব্য পালন না করার জন্য উসকানি দিলে চাকরিচ্যুতির বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে