
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় একটি মাদ্রাসার একতলা ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে।
বিস্ফোরণে মাদ্রাসা ভবনের জানালার কাচ ভেঙে যায় এবং দেয়ালের একটি অংশ উড়ে যায়। এতে পাশের একটি ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত হওয়া মাদ্রাসাটি থেকে বিস্ফোরকসহ বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের খবর জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) হাসনাবাদ উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আহতরা হলো ওই মাদ্রাসার শিক্ষক আলামিনের দুই ছেলে উমায়েদ (১০) ও আবদুল্লাহ (৮), মেয়ে রাবেয়া (৬) এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশার গ্যারেজের শ্রমিক জাকির হোসেন (৪৫)।
পাশের ভবনের এক বাসিন্দা বলেন, বিস্ফোরণে তাঁদের ভবনের কিছু অংশ ফেটে গেছে। ঘরের ভেতরের আসবাবও ভেঙে পড়েছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, মাদ্রাসাটিতে ৩০-৩৫ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করত। তবে শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় মাদ্রাসা বন্ধ ছিল। এ কারণে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
ভবনমালিক পারভীন বেগম গণমাধ্যমকে বলেন, তিন বছর ধরে তাঁর বাড়ি ভাড়া নিয়ে মুফতি হারুন মাদ্রাসা পরিচালনা করতেন। হারুন তাঁর শ্যালক আলামিন ও শ্যালকের স্ত্রী আছিয়াকে মাদ্রাসা পরিচালনার দায়িত্ব দেন। তিনি মাঝেমধ্যে মাদ্রাসায় আসতেন। কিন্তু মাদ্রাসার আড়ালে কী কার্যক্রম চলছিল, তা বুঝতে পারেননি। পুলিশ ভবনের ভেতর থেকে কেমিক্যাল, ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ককটেল, দাহ্য পদার্থ ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ক্রাইম সিন দল এবং বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল কাজ করছে।

চাঁদাবাজদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজশাহী-২ (সদর) আসনের বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেছেন, ‘আমি এখানে জন্ম নিয়েছি। আমি জানি, কারা কী করে না করে এখানে। প্রত্যেককে কঠোর হস্তে দমন করা হবে।’
৭ মিনিট আগে
বরিশাল বিভাগে বড় জয় এসেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপির। এই বিভাগের ২১টি আসন মধ্যে ১৬টিতে জিতেছে দলটি। এ ছাড়া, জামায়াত পেয়েছে দুটি। গণ–অধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ জিতেছে একটি করে আসন। ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিভাগের ৬টি জেলার মধ্যে ৩ টিতে একচেটিয়া...
১০ মিনিট আগে
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী আফরোজা খানম ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহাম্মদ সাইদ নূর পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট।
১৪ মিনিট আগে
গাইবান্ধায় পাঁচটি সংসদীয় আসনে গণভোট কাস্ট হয়েছে ১২ লাখ ৭ হাজার ৩৬৯। এর মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৮ লাখ ৭৯ হাজার ৩২৭টি এবং ‘না’ ভোট ৩ লাখ ২৮ হাজার ৪২টি।
১৮ মিনিট আগে