নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা মো. জুবায়েদ হোসেন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন মাহির রহমানকে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন তাঁর মা রেখা আক্তার। সোমবার (২০ অক্টোবর) সকালে তিনি নিজে বংশাল থানায় গিয়ে ছেলেকে পুলিশের কাছে দিয়ে আসেন বলে জানান মাহির খালা আঁখি আক্তার।
সোমবার রাতে আজকের পত্রিকাকে এই তথ্য জানান তিনি।
মাহির খালা আঁখি আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা ভয় পাই। যেহেতু সারা দেশ উত্তাল ছিল, ছাত্ররা ক্ষুব্ধ ছিল। আমরা ভাবছিলাম, মাহিরকে যদি না পায়, তবে বিনা কারণে অন্য কাউকে ধরে নিতে পারে। ওর জন্য অন্যরা হয়রানি হতে পারে। ওর জন্য সারা দেশ উত্তাল। তাই এর চেয়ে ভালো ওকেই ধরাইয়া দেই। পরে আপা (মাহিরের মা) সিদ্ধান্ত নিল ওকেই ধরাইয়ে দেই।’
মাহির খালা আরও বলেন, ‘আমরা সবাই বসে আলাপ করি। আমি মাহিরের ফুফুর সঙ্গে যোগাযোগ করি। ওর ফুফুই মাহিরের সঙ্গে কোনোভাবে যোগাযোগ করে। আমরা জানতাম না, ও তখন কোথায় ছিল। পরে ওর মা নিজেই মাহিরকে নিয়ে বংশাল থানায় যায়।’
মাহির ও জুবায়দের ছাত্রীর বন্ধুত্বের বিষয়ে আঁখি বলেন, ‘মাহিরের সঙ্গে মেয়েটার সম্পর্ক ছিল। আমরা জানতাম। মেয়েটা মাঝখানে ওকে না করে দিয়েছিল, এটাও জানতাম। কিন্তু না করার পরও মেয়েটা মাহিরের সঙ্গে কথা বলত। এই জিনিসটা মাহির নিতে পারেনি, না করেও আবার কথা বলা, আবার স্যারকেও পছন্দ করা, এই কনফিউশনেই ছেলেটার মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছিল।’
খালা আঁখি আরও বলেন, ‘মাহির জানত, মেয়েটা স্যারকে পছন্দ করে। মেয়েটাও মাহির সামনে বলেছে, “আমি স্যারকে পছন্দ করি, তোমার সঙ্গে থাকব না।” এই কথা শোনার পর মাহি সরে এসেছিল। কিন্তু সপ্তাহখানেক পর আবার যোগাযোগ করে। মাহির কনফিউজড হয়ে গিয়েছিল। ১৯ বছরের একটা ছেলে, মাথাটা আওলাইয়া গেছে, তাই হয়তো এই ঘটনাটা ঘটাইয়া ফেলছে।’
মাহিরের বন্ধু প্রীতম ও এলান একই বয়সী এবং একই কলেজের ছাত্র বলে জানান আঁখি আক্তার।
এর আগে আঁখি আক্তারের স্বামী ও মাহিরের খালু মো. ইমরান শেখ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রোববার রাতে অফিস থেকে এসে দেখি ফেসবুকে এসব খবর ছড়াইছে। আমি তখন আর কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি। মাহিরের বাড়িতে ফোন দিয়েছি, তাদের নম্বর বন্ধ ছিল। আমার স্ত্রীর বড় বোনের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করেছি, কিন্তু তাঁর ফোনও বন্ধ। ভাবলাম তাঁরা ব্যস্ত আছে। পরে আমরা ঘুমিয়ে যাই।’
ইমরান শেখ আরও বলেন, ‘রাত সাড়ে তিনটা-চারটার দিকে আমাদের বাসায় ডিবির লোকজন আসে। দরজায় নক দেয়। আমরা খুলে দিলে তাঁরা বাসা তল্লাশি করে। কোথাও মাহিরকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে কি না, তা দেখে। পরে আমাকে ডেকে নিচে নেয়। জিজ্ঞেস করে, “আপনার শালা কোথায়?” আমি বলি, আমার তো শালা নেই, দুইটা শালি আছে। কিন্তু তারা ধরে নেয়, আমার শালা আছে। আমি বললাম, আমার শালা নেই। মাহির আমার ভাগনে হয়। তখন তারা আমাকে মাহিরের বাড়ি নিয়ে যায়। গিয়ে দেখি বাড়িতে তালা মারা। কেউ নাই। পরে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তারা আমাকে ছেড়ে দেয়। আমি বাড়ি ফিরে অফিসে চলে যাই।’
ইমরান শেখ আরও বলেন, ‘এই ঘটনা যখন মাহিরের মা জানতে পারেন, তখন তিনি কষ্ট পান। তাঁর ছেলের জন্য কেন আমাকে ধরে নিয়ে হেনস্তা করবে। মাহিরও আমাকে খুব ভালোবাসত। আমিও ছেলের মতো আদর করতাম। তাই সে-ও হয়তো ভেবেছে, আমার জন্য তিনি কেন হেনস্তার শিকার হবেন। তখন তাঁর মাকে বলে, তাঁর মা সাড়ে ৭টার দিকে বংশাল থানায় গিয়ে দিয়ে আসে। আমাকে ছেড়ে দিলেও মাহিরের বাড়ির লোকজন চিন্তা করেছে, তার জন্য আত্মীয়স্বজন হয়রানি শিকার হতে পারে। তাই তাকে দিয়ে আসে।’
তবে মাহিরকে থানায় দিয়ে আসার বিষয়টি পুলিশের কেউ স্বীকার করেনি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা মো. জুবায়েদ হোসেন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন মাহির রহমানকে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন তাঁর মা রেখা আক্তার। সোমবার (২০ অক্টোবর) সকালে তিনি নিজে বংশাল থানায় গিয়ে ছেলেকে পুলিশের কাছে দিয়ে আসেন বলে জানান মাহির খালা আঁখি আক্তার।
সোমবার রাতে আজকের পত্রিকাকে এই তথ্য জানান তিনি।
মাহির খালা আঁখি আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা ভয় পাই। যেহেতু সারা দেশ উত্তাল ছিল, ছাত্ররা ক্ষুব্ধ ছিল। আমরা ভাবছিলাম, মাহিরকে যদি না পায়, তবে বিনা কারণে অন্য কাউকে ধরে নিতে পারে। ওর জন্য অন্যরা হয়রানি হতে পারে। ওর জন্য সারা দেশ উত্তাল। তাই এর চেয়ে ভালো ওকেই ধরাইয়া দেই। পরে আপা (মাহিরের মা) সিদ্ধান্ত নিল ওকেই ধরাইয়ে দেই।’
মাহির খালা আরও বলেন, ‘আমরা সবাই বসে আলাপ করি। আমি মাহিরের ফুফুর সঙ্গে যোগাযোগ করি। ওর ফুফুই মাহিরের সঙ্গে কোনোভাবে যোগাযোগ করে। আমরা জানতাম না, ও তখন কোথায় ছিল। পরে ওর মা নিজেই মাহিরকে নিয়ে বংশাল থানায় যায়।’
মাহির ও জুবায়দের ছাত্রীর বন্ধুত্বের বিষয়ে আঁখি বলেন, ‘মাহিরের সঙ্গে মেয়েটার সম্পর্ক ছিল। আমরা জানতাম। মেয়েটা মাঝখানে ওকে না করে দিয়েছিল, এটাও জানতাম। কিন্তু না করার পরও মেয়েটা মাহিরের সঙ্গে কথা বলত। এই জিনিসটা মাহির নিতে পারেনি, না করেও আবার কথা বলা, আবার স্যারকেও পছন্দ করা, এই কনফিউশনেই ছেলেটার মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছিল।’
খালা আঁখি আরও বলেন, ‘মাহির জানত, মেয়েটা স্যারকে পছন্দ করে। মেয়েটাও মাহির সামনে বলেছে, “আমি স্যারকে পছন্দ করি, তোমার সঙ্গে থাকব না।” এই কথা শোনার পর মাহি সরে এসেছিল। কিন্তু সপ্তাহখানেক পর আবার যোগাযোগ করে। মাহির কনফিউজড হয়ে গিয়েছিল। ১৯ বছরের একটা ছেলে, মাথাটা আওলাইয়া গেছে, তাই হয়তো এই ঘটনাটা ঘটাইয়া ফেলছে।’
মাহিরের বন্ধু প্রীতম ও এলান একই বয়সী এবং একই কলেজের ছাত্র বলে জানান আঁখি আক্তার।
এর আগে আঁখি আক্তারের স্বামী ও মাহিরের খালু মো. ইমরান শেখ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রোববার রাতে অফিস থেকে এসে দেখি ফেসবুকে এসব খবর ছড়াইছে। আমি তখন আর কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি। মাহিরের বাড়িতে ফোন দিয়েছি, তাদের নম্বর বন্ধ ছিল। আমার স্ত্রীর বড় বোনের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করেছি, কিন্তু তাঁর ফোনও বন্ধ। ভাবলাম তাঁরা ব্যস্ত আছে। পরে আমরা ঘুমিয়ে যাই।’
ইমরান শেখ আরও বলেন, ‘রাত সাড়ে তিনটা-চারটার দিকে আমাদের বাসায় ডিবির লোকজন আসে। দরজায় নক দেয়। আমরা খুলে দিলে তাঁরা বাসা তল্লাশি করে। কোথাও মাহিরকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে কি না, তা দেখে। পরে আমাকে ডেকে নিচে নেয়। জিজ্ঞেস করে, “আপনার শালা কোথায়?” আমি বলি, আমার তো শালা নেই, দুইটা শালি আছে। কিন্তু তারা ধরে নেয়, আমার শালা আছে। আমি বললাম, আমার শালা নেই। মাহির আমার ভাগনে হয়। তখন তারা আমাকে মাহিরের বাড়ি নিয়ে যায়। গিয়ে দেখি বাড়িতে তালা মারা। কেউ নাই। পরে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তারা আমাকে ছেড়ে দেয়। আমি বাড়ি ফিরে অফিসে চলে যাই।’
ইমরান শেখ আরও বলেন, ‘এই ঘটনা যখন মাহিরের মা জানতে পারেন, তখন তিনি কষ্ট পান। তাঁর ছেলের জন্য কেন আমাকে ধরে নিয়ে হেনস্তা করবে। মাহিরও আমাকে খুব ভালোবাসত। আমিও ছেলের মতো আদর করতাম। তাই সে-ও হয়তো ভেবেছে, আমার জন্য তিনি কেন হেনস্তার শিকার হবেন। তখন তাঁর মাকে বলে, তাঁর মা সাড়ে ৭টার দিকে বংশাল থানায় গিয়ে দিয়ে আসে। আমাকে ছেড়ে দিলেও মাহিরের বাড়ির লোকজন চিন্তা করেছে, তার জন্য আত্মীয়স্বজন হয়রানি শিকার হতে পারে। তাই তাকে দিয়ে আসে।’
তবে মাহিরকে থানায় দিয়ে আসার বিষয়টি পুলিশের কেউ স্বীকার করেনি।

যশোরে গানে গানে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, হত্যা, ধর্ষণ ও লুটপাটের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে নাগরিক সমাজের ব্যানারে যশোর প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে প্রতিবাদী গান পরিবেশন করা হয়। এ সময় বক্তারা সহিংসতার প্রতিবাদ ও জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের
৩১ মিনিট আগে
মানিকগঞ্জে মোছাম্মৎ নুরজাহান (৬০) নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার ভোরে শহরের পৌলি এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ বলছে, মৃতের গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার এক যুবক নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম সায়েদ আহমেদ বিল্লাল (৩০)। সায়েদ আহমেদ বিল্লাল গফরগাঁওয়ের বারবাড়িয়া ইউনিয়নের পাকাটি বাজার এলাকার মো. রুহুল আমিনের ছেলে। জীবিকার তাগিদে চার বছর আগে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান। চলতি মাসে তাঁর দেশের ফেরার কথা ছিল।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার শুটার জিন্নাত আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের খাসকামরায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন জিন্নাত।
১ ঘণ্টা আগে