শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর আহত নবীন হোসেন সরদার (২৫) নামের আরও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
এ নিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত বেড়ে দাঁড়াল দুজনে। এ ছাড়া নয়ন মোল্লা নামের আরও একজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন, ‘নবীন নামে আরও একজন ঢাকা মেডিকেলে মারা যাওয়ার খবর পেয়েছি। এ নিয়ে মোট দুজনের মারা যাওয়ার তথ্য আছে আমাদের কাছে। আরও একজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানতে পেরেছি। ময়নাতদন্ত শেষে সোহানের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নবীনের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে বাড়ি আনা হচ্ছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।’

নবীন সরদার চেরাগ আলী ব্যাপারী কান্দি গ্রামের রহিম সরদারের ছেলে। তিনি পেশায় গ্রিল মিস্ত্রি ছিলেন। তাঁর মরদেহ বাড়ি আনার প্রক্রিয়া চলছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই ব্যাপারীর কান্দি গ্রামে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে একটি বসতঘর উড়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে আধা কিলোমিটার দূরে একটি ফসলের মাঠ থেকে সোহান ব্যাপারী (৩০) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
সোহান ব্যাপারী ওই ইউনিয়নের চেরাগ আলী ব্যাপারী কান্দি গ্রামের বাসিন্দা দেলোয়ার ব্যাপারীর ছেলে। তিনি পেশায় নির্মাণশ্রমিক ছিলেন। হাফসা মনি (৮) ও হামিম (৪) নামে সোহানের দুটি সন্তান রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার পরে বাড়িতে তাঁকে দাফন করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ ও নেপথ্য কাহিনি
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিলাসপুর ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে দুটি প্রভাবশালী পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলে আসছে। এক পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী এবং অপর পক্ষে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল জলিল মাতবর।
গত বছরের এপ্রিল ও নভেম্বর মাসে বিলাসপুর এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এসব ঘটনায় পুলিশ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করে। মামলায় আব্দুল জলিল মাতবর বর্তমানে কারাগারে। অপর দিকে ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী জামিনে মুক্ত হলেও এলাকা ছেড়েছেন।
বর্তমানে কুদ্দুস ব্যাপারীর সমর্থক তাইজুল ইসলাম ছৈয়াল এবং জলিল মাতবরের সমর্থক নাসির ব্যাপারীর লোকজন এলাকায় নতুন করে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানা যায়।
গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) বুধাইরহাট এলাকায় দুই পক্ষের লোকজন একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এর জেরে পরদিন রোববার সকালে বুধাইরহাট বাজারে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বাজারের দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দুটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। সংঘর্ষ চলাকালে শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে জাবেদ শেখ নামে নাসির ব্যাপারীর এক সমর্থকের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ভোরে মুলাই ব্যাপারী কান্দি গ্রামে বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারীর বাড়ির পাশে তাঁর চাচাতো ভাই সাগর ব্যাপারীর একটি টিনের বসতঘর বোমা বিস্ফোরণে সম্পূর্ণ লন্ডভন্ড হয়ে যায়। এতে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘরটি নতুন নির্মাণ করা হয়েছে এবং সেখানে কেউ বসবাস করতেন না বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলের অদূরে একটি ফসলের মাঠ থেকে তাইজুল ইসলাম ছৈয়ালের পক্ষের সমর্থক বলে পরিচিত সোহান ব্যাপারীর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নবীন সরদার ও নয়ন মোল্লা নামে তাইজুল ইসলামের পক্ষের আরও দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবীন সরদার মারা যান।

নবীন সরদারের মা রুবিনা বেগম বলেন, ‘আমার দুই ছেলে। নবীন গত রমজান মাসে মালয়েশিয়ায় পুলিশের কাছে ধরা পড়ে বাড়ি ফিরে আসে। এরপর বুধাইরহাটে গ্রিলের দোকান দেয়। আমার ছেলে কোনো দল করে না। তারপরও আমার ছেলেকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। এর পর থেকে আমার নবীন পুলিশের ভয়ে ঘরে ঘুমাতে পারে না। রাতে খাবার খেয়ে ঘর থেকে বের হয়। এরপর তার কোনো খোঁজ নাই। রাতে শুনি আমার ছেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে। আমার নবীন কীভাবে মরল, কে মারল? আমি এর বিচার চাই।’
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহত সোহান ব্যাপারীর বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, তাঁর মা মাফিয়া বেগম, স্ত্রী পিংকি বেগম ও বোন মাজেদা দুই শিশুকে বুকে জড়িয়ে আহাজারি করছেন। বৃদ্ধ বাবা দেলোয়ার ব্যাপারী নির্বাক হয়ে বসে আছেন।
সোহানের বোন মাজেদা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার ভাইকে মিথ্যা মামলায় আসামি করা হয়েছিল। পুলিশের ভয়ে সে বাড়িতে থাকতে পারত না। নাসির ব্যাপারীর লোকজন আমার ভাইকে বোমা মেরে হত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই।’
স্ত্রী পিংকি বেগম বলেন, ‘আমার দুটি সন্তান যারা এতিম করেছে, আমি তাদের ফাঁসি চাই। এ ছাড়া আমার বলার কিছু নাই।’
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমেদ বলেন, ‘বিলাসপুর এলাকায় কয়েক দিন ধরেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল। বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে টহল পুলিশ বোমা বিস্ফোরণের শব্দ পায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি টিনের ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। কিছু দূরে একটি ফসলের মাঠ থেকে সোহান নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বোমা বানানোর সময় বিস্ফোরণ হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নই। বিষয়টি নিশ্চিত হতে ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা আজ (শুক্রবার) ঘটনাস্থলে এসেছেন।’

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর আহত নবীন হোসেন সরদার (২৫) নামের আরও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
এ নিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত বেড়ে দাঁড়াল দুজনে। এ ছাড়া নয়ন মোল্লা নামের আরও একজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন, ‘নবীন নামে আরও একজন ঢাকা মেডিকেলে মারা যাওয়ার খবর পেয়েছি। এ নিয়ে মোট দুজনের মারা যাওয়ার তথ্য আছে আমাদের কাছে। আরও একজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানতে পেরেছি। ময়নাতদন্ত শেষে সোহানের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নবীনের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে বাড়ি আনা হচ্ছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।’

নবীন সরদার চেরাগ আলী ব্যাপারী কান্দি গ্রামের রহিম সরদারের ছেলে। তিনি পেশায় গ্রিল মিস্ত্রি ছিলেন। তাঁর মরদেহ বাড়ি আনার প্রক্রিয়া চলছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই ব্যাপারীর কান্দি গ্রামে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে একটি বসতঘর উড়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে আধা কিলোমিটার দূরে একটি ফসলের মাঠ থেকে সোহান ব্যাপারী (৩০) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
সোহান ব্যাপারী ওই ইউনিয়নের চেরাগ আলী ব্যাপারী কান্দি গ্রামের বাসিন্দা দেলোয়ার ব্যাপারীর ছেলে। তিনি পেশায় নির্মাণশ্রমিক ছিলেন। হাফসা মনি (৮) ও হামিম (৪) নামে সোহানের দুটি সন্তান রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার পরে বাড়িতে তাঁকে দাফন করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ ও নেপথ্য কাহিনি
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিলাসপুর ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে দুটি প্রভাবশালী পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলে আসছে। এক পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী এবং অপর পক্ষে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল জলিল মাতবর।
গত বছরের এপ্রিল ও নভেম্বর মাসে বিলাসপুর এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এসব ঘটনায় পুলিশ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করে। মামলায় আব্দুল জলিল মাতবর বর্তমানে কারাগারে। অপর দিকে ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী জামিনে মুক্ত হলেও এলাকা ছেড়েছেন।
বর্তমানে কুদ্দুস ব্যাপারীর সমর্থক তাইজুল ইসলাম ছৈয়াল এবং জলিল মাতবরের সমর্থক নাসির ব্যাপারীর লোকজন এলাকায় নতুন করে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানা যায়।
গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) বুধাইরহাট এলাকায় দুই পক্ষের লোকজন একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এর জেরে পরদিন রোববার সকালে বুধাইরহাট বাজারে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বাজারের দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দুটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। সংঘর্ষ চলাকালে শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে জাবেদ শেখ নামে নাসির ব্যাপারীর এক সমর্থকের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ভোরে মুলাই ব্যাপারী কান্দি গ্রামে বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারীর বাড়ির পাশে তাঁর চাচাতো ভাই সাগর ব্যাপারীর একটি টিনের বসতঘর বোমা বিস্ফোরণে সম্পূর্ণ লন্ডভন্ড হয়ে যায়। এতে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘরটি নতুন নির্মাণ করা হয়েছে এবং সেখানে কেউ বসবাস করতেন না বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলের অদূরে একটি ফসলের মাঠ থেকে তাইজুল ইসলাম ছৈয়ালের পক্ষের সমর্থক বলে পরিচিত সোহান ব্যাপারীর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নবীন সরদার ও নয়ন মোল্লা নামে তাইজুল ইসলামের পক্ষের আরও দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবীন সরদার মারা যান।

নবীন সরদারের মা রুবিনা বেগম বলেন, ‘আমার দুই ছেলে। নবীন গত রমজান মাসে মালয়েশিয়ায় পুলিশের কাছে ধরা পড়ে বাড়ি ফিরে আসে। এরপর বুধাইরহাটে গ্রিলের দোকান দেয়। আমার ছেলে কোনো দল করে না। তারপরও আমার ছেলেকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। এর পর থেকে আমার নবীন পুলিশের ভয়ে ঘরে ঘুমাতে পারে না। রাতে খাবার খেয়ে ঘর থেকে বের হয়। এরপর তার কোনো খোঁজ নাই। রাতে শুনি আমার ছেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে। আমার নবীন কীভাবে মরল, কে মারল? আমি এর বিচার চাই।’
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহত সোহান ব্যাপারীর বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, তাঁর মা মাফিয়া বেগম, স্ত্রী পিংকি বেগম ও বোন মাজেদা দুই শিশুকে বুকে জড়িয়ে আহাজারি করছেন। বৃদ্ধ বাবা দেলোয়ার ব্যাপারী নির্বাক হয়ে বসে আছেন।
সোহানের বোন মাজেদা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার ভাইকে মিথ্যা মামলায় আসামি করা হয়েছিল। পুলিশের ভয়ে সে বাড়িতে থাকতে পারত না। নাসির ব্যাপারীর লোকজন আমার ভাইকে বোমা মেরে হত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই।’
স্ত্রী পিংকি বেগম বলেন, ‘আমার দুটি সন্তান যারা এতিম করেছে, আমি তাদের ফাঁসি চাই। এ ছাড়া আমার বলার কিছু নাই।’
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমেদ বলেন, ‘বিলাসপুর এলাকায় কয়েক দিন ধরেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল। বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে টহল পুলিশ বোমা বিস্ফোরণের শব্দ পায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি টিনের ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। কিছু দূরে একটি ফসলের মাঠ থেকে সোহান নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বোমা বানানোর সময় বিস্ফোরণ হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নই। বিষয়টি নিশ্চিত হতে ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা আজ (শুক্রবার) ঘটনাস্থলে এসেছেন।’

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর সদরে একটি পাটের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ২ হাজার ৬০০ মণ পাট পুড়ে গেছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সরকারি টিঅ্যান্ডটি অফিসের সামনে সুনীল সাহার পাটের গুদামে আগুন লাগে।
১৫ মিনিট আগে
বরগুনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার হলে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করার অভিযোগে এক যুবলীগ নেতার স্ত্রীসহ দুই চাকরিপ্রার্থীকে আটক করেছে পুলিশ।
২২ মিনিট আগে
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে শিয়ালের কামড়ে জাহেরা বেগম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কামারখন্দ হাটখোলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। তিনি ওই এলাকার মৃত আমজাদ আলীর স্ত্রী।
২ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীতে একটি লবণের কার্গো ট্রাক থেকে ১২৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে র্যাব। এ সময় হাসানুর রহমান (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাঁর বাড়ি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার মাঝেরপাড়া গ্রামে।
২ ঘণ্টা আগে