প্রতিনিধি, বদলগাছী (নওগাঁ)

নওগাঁয় আজ বুধবার চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তীব্র শীতে নওগাঁর জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। তীব্র ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর, ভ্যান ও রিকশাচালক, পথশিশু ও ছিন্নমূল মানুষ।
ভোর হতেই ঘন কুয়াশায় আড়াল হয়ে যাচ্ছে চারপাশ, দেখা মিলছে না সূর্যের। কনকনে ঠান্ডা আর উত্তরের হিমেল বাতাসে কাঁপছে শহর, গ্রামসহ পুরো জেলা। বদলগাছী কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, আজ সকাল ৯টায় বদলগাছীতে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা এই মৌসুমের সর্বনিম্ন। আগের দিন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হিমেল বাতাসের কারণে আগামী কয়েক দিন শীত আরও বাড়তে পারে।
নওগাঁ যেন শীতের চাদরে ঢাকা এক নিস্তব্ধ জনপদ হয়ে গেছে। তীব্র ঠান্ডায় লোকজন ঘর থেকে প্রয়োজন ছাড়া খুব একটা বের হচ্ছে না। ঘন কুয়াশার কারণে সকাল থেকেই সড়ক-মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দূরপাল্লার যানবাহন চলছে ধীরগতিতে, বেড়েছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। শীতের তীব্রতায় খেটে খাওয়া মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
বদলগাছী সদর এলাকার কৃষক দুলাল হোসেন বলেন, ‘এ বছরের মতো এত শীত আমি কোনো বছর দেখিনি। বোরো আবাদের বীজতলা আর আলুর গাছ ঘন কুয়াশায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। খুব চিন্তায় আছি, কবে যে আবহাওয়া ভালো হবে।’
ভ্যানচালক আব্দুল তালেব বলেন, ‘শীতে হাত-পা বরফ হয়ে যাচ্ছে। সকালে কোনো যাত্রীর দেখা নেই। পেটের দায়ে ভোরেই ভ্যান নিয়ে চার মাথা মোড়ে এসেছি, কিন্তু এখনো যাত্রী পাইনি। ঠান্ডার জন্য মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না।’
শহর থেকে গ্রাম সবখানে শীতের একচেটিয়া দাপট। সকালে মাঠে যেতে পারছেন না কৃষকেরা, কাজে বের হতে দেরি করছেন শ্রমজীবীরা। অনেক স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে। শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে সর্দি-কাশি, জ্বরসহ শীতজনিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। শীত নিবারণের জন্য অনেকেই আগুন জ্বালিয়ে কিংবা পুরোনো কম্বল গায়ে জড়িয়ে রাত পার করছেন। তবে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এই শীত যেন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দ্রুত শীতবস্ত্র বিতরণ করা না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

নওগাঁয় আজ বুধবার চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তীব্র শীতে নওগাঁর জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। তীব্র ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর, ভ্যান ও রিকশাচালক, পথশিশু ও ছিন্নমূল মানুষ।
ভোর হতেই ঘন কুয়াশায় আড়াল হয়ে যাচ্ছে চারপাশ, দেখা মিলছে না সূর্যের। কনকনে ঠান্ডা আর উত্তরের হিমেল বাতাসে কাঁপছে শহর, গ্রামসহ পুরো জেলা। বদলগাছী কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, আজ সকাল ৯টায় বদলগাছীতে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা এই মৌসুমের সর্বনিম্ন। আগের দিন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হিমেল বাতাসের কারণে আগামী কয়েক দিন শীত আরও বাড়তে পারে।
নওগাঁ যেন শীতের চাদরে ঢাকা এক নিস্তব্ধ জনপদ হয়ে গেছে। তীব্র ঠান্ডায় লোকজন ঘর থেকে প্রয়োজন ছাড়া খুব একটা বের হচ্ছে না। ঘন কুয়াশার কারণে সকাল থেকেই সড়ক-মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দূরপাল্লার যানবাহন চলছে ধীরগতিতে, বেড়েছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। শীতের তীব্রতায় খেটে খাওয়া মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
বদলগাছী সদর এলাকার কৃষক দুলাল হোসেন বলেন, ‘এ বছরের মতো এত শীত আমি কোনো বছর দেখিনি। বোরো আবাদের বীজতলা আর আলুর গাছ ঘন কুয়াশায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। খুব চিন্তায় আছি, কবে যে আবহাওয়া ভালো হবে।’
ভ্যানচালক আব্দুল তালেব বলেন, ‘শীতে হাত-পা বরফ হয়ে যাচ্ছে। সকালে কোনো যাত্রীর দেখা নেই। পেটের দায়ে ভোরেই ভ্যান নিয়ে চার মাথা মোড়ে এসেছি, কিন্তু এখনো যাত্রী পাইনি। ঠান্ডার জন্য মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না।’
শহর থেকে গ্রাম সবখানে শীতের একচেটিয়া দাপট। সকালে মাঠে যেতে পারছেন না কৃষকেরা, কাজে বের হতে দেরি করছেন শ্রমজীবীরা। অনেক স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে। শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে সর্দি-কাশি, জ্বরসহ শীতজনিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। শীত নিবারণের জন্য অনেকেই আগুন জ্বালিয়ে কিংবা পুরোনো কম্বল গায়ে জড়িয়ে রাত পার করছেন। তবে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এই শীত যেন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দ্রুত শীতবস্ত্র বিতরণ করা না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

শূন্য ভিটার ওপর দাঁড়িয়ে আছে বসতঘরের অবকাঠামো। নেই বেড়া, ছাউনি। বৃষ্টির পানিতে ভিটার মাটি ধুয়ে সমতলে মিশে গেছে অনেক আগে। এসব ঘরে এখন আর মানুষ বসবাস করে না। এমন দৃশ্য নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চর আতাউরের গুচ্ছগ্রামের ঘরগুলোর।
৬ ঘণ্টা আগে
ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে জলাতঙ্কের টিকা সরবরাহ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালের জলাতঙ্ক ইউনিটের দরজায় তালা ঝুলিয়ে সাঁটানো একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ইনজেকশন-র্যাবিস ভ্যাকসিন’ এবং ‘ইনজেকশন-আরআইজি’ সরকারি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের রাউজানে রাজনৈতিক খুনোখুনি থামছেই না। গত ১৬ মাসে উপজেলায় খুন হয়েছেন ১৯ জন। তাঁদের মধ্যে ৮ জন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং একজন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী।
৭ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্তে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করার ঘটনা ঘটেছে। পরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাঁদের উদ্ধার করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে