জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ। এখন ভোটের অপেক্ষা। নরসিংদীতে দীর্ঘদিন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রভাব ছিল। তবে দলটি এবারের ভোটে নেই। বিএনপির ভোটও কম নয় এখানে। ফলে এই জেলার পাঁচটি আসনেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে। সব প্রার্থীই চেষ্টা চালিয়েছেন আওয়ামী লীগের ভোট টানতে।
১৯৯১ সালে নরসিংদীর পাঁচটি আসনেই জয়ী হয়েছিল বিএনপি। তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে সব আসন জিতে নিয়েছিল আওয়ামী লীগ। দলীয় ও স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, এবারের ভোটে আওয়ামী লীগ না থাকায় সব প্রার্থীই চেষ্টা করছেন ওই ভোটগুলো নিজের ঝুলিতে ভরার। এ কারণে তাঁরা নানা প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন। নরসিংদী ১, ২ ও ৪ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে হলেও নরসিংদী ৩ ও ৫ আসনের হিসাব বেশ খানিকটা জটিল। দুটি আসনেই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। পাশাপাশি আছেন অন্য দলগুলোর প্রার্থীও। বিশেষ করে নরসিংদী-৫ আসনে হবে চতুর্মুখী লড়াই।
নরসিংদী-১ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা সভাপতি খায়রুল কবির খোকন। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর ইব্রাহিম ভূঁইয়া। এই আসনে ১৯৯১, ১৯৯৬-এর ফেব্রুয়ারি ও ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালে বিএনপির সামসুদ্দীন আহমেদ এছাক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে যায় ২০০৮ সালে দলটির প্রার্থী হিসেবে লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম হিরুর (বীর প্রতীক) বিজয়ের মাধ্যমে।
নরসিংদী-২ (পলাশ ও সদরের আংশিক) আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। তাঁর বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গোলাম সারোয়ার তুষার।
নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মনজুর এলাহী। তবে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফুল ইসলাম মৃধা এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
নরসিংদী-৪ (বেলাব-মনোহরদী) আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল ও জামায়াতের মো. জাহাঙ্গীর আলমের মধ্যে। এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ২৪ হাজার ১৫৬ জন। এই আসন থেকে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিএনপির সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেনাপ্রধান নুরউদ্দীন খান নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে আবার এই আসন বিএনপির দখলে যায়। ২০০৮ সাল থেকে আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল।
নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সমীকরণ এবার সবচেয়ে জটিল। বিএনপির প্রার্থী মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল, দলটির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী জামাল আহাম্মদ চৌধুরী মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছেন। আরও আছেন ১১ দলীয় জোট, ইসলামী আন্দোলন ও একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী। মোট ভোটার ৪ লাখ ৮৮ হাজার ২৯৬ জন। এই আসনে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী জয়ী হন। ১৯৯৬ সালে আসনটিতে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগের রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু। এরপর থেকেই আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে।

স্বাধীনতার পর দীর্ঘদিন পটুয়াখালীর চার আসনের মধ্যে তিনটিতে একক আধিপত্য ছিল আওয়ামী লীগের। তবে এবার সে চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে। তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ। পটুয়াখালী-১ আসনে শক্ত অবস্থানে রয়েছে বিএনপি। বাকি তিনটিতে জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ ও ইসলামী আন্দোলনের অবস্থান অপেক্ষাকৃত...
১ ঘণ্টা আগে
নকলা ও নালিতাবাড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত শেরপুর-২ আসনে এবার সংসদ সদস্য প্রার্থীদের জয়-পরাজয় নির্ধারণের অন্যতম ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে ‘অঞ্চলপ্রীতি’। আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বী চার প্রার্থীর তিনজনই নালিতাবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা। আর ধানের শীষের প্রার্থীর বাড়ি নকলায়।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জোটের প্রার্থী রশীদ আহমাদ। তিনি জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের একাংশের যুগ্ম মহাসচিব। তবে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রশীদ আহমাদকে হারাতে এককাট্টা হয়েছেন যশোর জেলা ও মনিরামপুর উপজেলা বিএনপির নেতারা।
৩ ঘণ্টা আগে
শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের প্রচার। এবার প্রতীক্ষা বহুকাঙ্ক্ষিত ভোটের দিনের। উৎসবের এ আমেজের মধ্যে বরিশাল-৬ আসনে পেশিশক্তি ব্যবহার হওয়ার আশঙ্কা করছেন কয়েক প্রার্থী। একই অভিযোগ বরিশাল-৫ আসনেও রয়েছে। এদিকে বরিশাল-১ আসনে এবার ভোটের প্রচারে সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে