Ajker Patrika

লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে ভাইভায় বাড়ানোর প্রতিবাদে জকসুর মানববন্ধন

জবি প্রতিনিধি‎‎
আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬: ৫৬
লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে ভাইভায় বাড়ানোর প্রতিবাদে জকসুর মানববন্ধন
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহিদ রফিক ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন। ছবি: আজকের পত্রিকা

সরকারি চাকরির নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।

আজ বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জকসু প্রতিনিধিরা ‘বেশি মার্ক ভাইভায়, চাকরি হবে পয়সায়’, ‘ভাইবা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘কোটা গেছে যে পথে, ভাইভা যাবে সে পথে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

মানববন্ধনে জকসুর সহসভাপতি (ভিপি) রিয়াজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার দেশের গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসংকট সমাধান না করে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দিকে কোনোপ্রকার ভ্রুক্ষেপ না করে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন খাতে দলীয়করণের ঘৃণ্য পাঁয়তারা শুরু করেছে।

রিয়াজুল ইসলাম আরও বলেন, সরকারি চাকরিতে লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর বৃদ্ধি করা মূলত দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন খাতকে দলীয়করণ করার একটি কৌশল। অবিলম্বে এমন অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।

জকসুর সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মাসুদ রানা বলেন, সরকারি চাকরিতে লিখিত পদ্ধতির নম্বর কমিয়ে ভাইভায় নম্বর বৃদ্ধি মূলত কোটা পদ্ধতির নব্য রূপ। এ রকম প্রতারণামূলক পদ্ধতির আবির্ভাব ঘটিয়ে পূর্বের সরকারকে তীব্র জনরোষের মুখে দেশ ছাড়তে হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই পদ্ধতি বাতিল না করলে বর্তমান সরকারকেও শিক্ষার্থীরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে।

জাতীয় ছাত্রশক্তির জবি শাখার সভাপতি মো. শাহীন মিয়া বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। আমরা সরকারকে সতর্ক করে দিতে চাই, একের পর এক এমন শিক্ষার্থী বিরোধী, গণবিরোধী সিদ্ধান্ত প্রণয়ন বন্ধ না করলে পূর্বের ফ্যাসিস্ট সরকারের মতো এই সরকারকেও কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারী নিয়োগে লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন প্রস্তাবে গ্রেড ভেদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরের অনুপাতও বদলানো হচ্ছে। যেমন ১১-১২ গ্রেডের ক্ষেত্রে ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় লিখিত ৫০ এবং মৌখিক ৫০; ১৩-১৬ গ্রেডে লিখিত ৬০ ও মৌখিক ৪০; আর ১৭-২০ গ্রেডে লিখিত ও মৌখিক—দুটিতেই ২৫ করে নম্বর রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত