
নওগাঁর আত্রাইয়ে নিজ বাড়িতে স্ত্রী-সন্তানকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর স্বামী নিজেও আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বলরামচক চৌধুরীপাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার বলরামচক চৌধুরীপাড়া গ্রামের গৌতম সকারের ছেলে জয় সরকার (২৭), তাঁর স্ত্রী বৃষ্টি সরকার (২২) ও ২৭ মাসের কন্যাসন্তান জিনি সরকার।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিহত জয় সরকার মাদকাসক্ত ছিলেন। স্বামী মাদকাসক্ত ও বেপরোয়া হওয়ায় স্ত্রী বৃষ্টি সরকার অনেকবার সংসার ছেড়ে চলে যান এবং পরে আবার ফিরেন আসেন। বৃহস্পতিবার রাতের খাবার খেয়ে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়লে রাতে জয় তাঁর স্ত্রী ও সন্তানকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। পরে নিজেও ছুরি দিয়ে নিজের শরীরে আঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এতে ঘটনাস্থলেই স্ত্রী বৃষ্টি সরকার মারা যান। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় জয় সরকার ও তাঁর সন্তানকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে তাঁরা দুজনই মারা যান।
আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল থেকে স্ত্রী বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আর গুরুতর অবস্থায় স্বামী ও সন্তানকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে তাঁরা দুজন মারা যান। এই ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান ওসি।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ঋণের অর্থের প্রকৃত উৎস আড়াল করার উদ্দেশ্যে তা বিভিন্ন হিসাবে স্থানান্তর ও লেয়ারিং করা হয়। ভুয়া প্রতিষ্ঠান খুলে প্রাপ্ত ঋণের ওই অর্থ মোরসালিন ইসলাম সৌরদ্বীপের ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ধানমন্ডি শাখার হিসাবে জমা করা হয়।
২৫ মিনিট আগে
শহরের কাঠপট্টি এলাকার মেসার্স মদিনা ফুড প্রোডাক্টস কারখানায় বুধবার বিকেলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেমাই উৎপাদনের দায়ে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে, যা নগদ আদায় করা হয়। কারখানাটির মালিক মো. নান্না মিয়া বলেন, তাঁরা সাধ্যমতো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে কাজ করার চেষ্টা করেন।
১ ঘণ্টা আগে
স্বজনদের ভাষ্য, প্রায় ১৫ বছর আগে পারিবারিকভাবে তাহমিনা ও তাইফুরের বিয়ে হয়। দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এর জেরে রাতে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে তাহমিনাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। পরে মরদেহ বিছানায় রেখে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
এনায়েত পরিবার নিয়ে গ্রাম থেকে চাচাতো ভাই রুবেলের ওই বাসায় এসেছিলেন বেড়াতে। একই বাড়ির চারতলায় থাকেন সাজেদ মাতব্বর। রাত সাড়ে ৩টার দিকে দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণ হয়। বিকট শব্দ শুনে সবাই বেরিয়ে দেখেন, ভবনের নিচতলা ও দ্বিতীয় তলার দেয়াল ভেঙে গেছে।
২ ঘণ্টা আগে