পঞ্চগড় প্রতিনিধি

নতুন বছরের শুরুতেই পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা কমে গিয়ে শীতের অনুভূতি বেড়েছে। আজ শুক্রবার ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাস থাকলেও সূর্য ওঠার পর কুয়াশা কেটে যায়। তবে রোদ উঠলেও শীতের তীব্রতা খুব একটা কমেনি।
আজ সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার একই সময়ে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুপুরে সূর্যের দেখা মিললেও ওই দিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কনকনে ঠান্ডার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটছে পঞ্চগড়ে। সকালে ঠান্ডা বাতাসের কারণে মানুষ কাজে বের হতে দেরি করছে। কুয়াশায় যানবাহন চালাতেও বেগ পেতে হচ্ছে চালকদের। ভোরের দিকে হালকা কুয়াশার মধ্যে অনেক যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করে। মোটরসাইকেলচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভোরে হালকা কুয়াশা থাকলে সামনে ঠিকভাবে দেখা যায় না। ঠান্ডার কারণে হাত-পা অবশ হয়ে আসে, খুব সতর্ক হয়ে চালাতে হয়।’ শীতের প্রভাবে রেল যোগাযোগও ধীরগতিতে হচ্ছে। সকালের দিকে সিগন্যাল স্পষ্ট দেখা না যাওয়ায় কিছু ট্রেন নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দেরিতে গন্তব্যে পৌঁছায়। এক লোকোমাস্টার বলেন, ‘ভোরে কুয়াশা থাকলে নিরাপত্তার কারণে গতি কমিয়ে ট্রেন চালাতে হয়।
জেলার হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ঠান্ডজনিত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। পঞ্চগড় সদর হাসপাতালের নার্স রিনা বেগম বলেন, ‘ঠান্ডাজনিত জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্টের রোগী প্রতিদিনই আসছে।’ হাসপাতালে আসা এক রোগীর স্বজন শামসুল হক বলেন, ‘ঠান্ডার কারণে আমার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কয়েক দিন ধরে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’ আরেক রোগীর স্বজন সালমা খাতুন বলেন, শীতের কারণে শিশুদের অসুস্থতা বেড়েছে।
টানা শীত আর ঠান্ডা বাতাসে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। সকালবেলা ঠান্ডার কারণে অনেকেই কাজে বের হতে পারছেন না। বের হলেও কাজের সুযোগ কম। ভ্যানচালক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘শীত বেশি থাকলে মানুষ বের হয় কম, যাত্রীও পাওয়া যায় না।’ অটোরিকশাচালক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সকালটা একেবারেই খারাপ যায়, দুপুরের আগে তেমন আয় হয় না।’
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে জেলার তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। বর্তমানে এটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে রয়েছে।’
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতার্ত মানুষের মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। আরও শীতবস্ত্রের চাহিদা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক কাজী সাইমুজ্জামান বলেন, শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নতুন বছরের শুরুতেই পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা কমে গিয়ে শীতের অনুভূতি বেড়েছে। আজ শুক্রবার ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাস থাকলেও সূর্য ওঠার পর কুয়াশা কেটে যায়। তবে রোদ উঠলেও শীতের তীব্রতা খুব একটা কমেনি।
আজ সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার একই সময়ে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুপুরে সূর্যের দেখা মিললেও ওই দিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কনকনে ঠান্ডার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটছে পঞ্চগড়ে। সকালে ঠান্ডা বাতাসের কারণে মানুষ কাজে বের হতে দেরি করছে। কুয়াশায় যানবাহন চালাতেও বেগ পেতে হচ্ছে চালকদের। ভোরের দিকে হালকা কুয়াশার মধ্যে অনেক যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করে। মোটরসাইকেলচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভোরে হালকা কুয়াশা থাকলে সামনে ঠিকভাবে দেখা যায় না। ঠান্ডার কারণে হাত-পা অবশ হয়ে আসে, খুব সতর্ক হয়ে চালাতে হয়।’ শীতের প্রভাবে রেল যোগাযোগও ধীরগতিতে হচ্ছে। সকালের দিকে সিগন্যাল স্পষ্ট দেখা না যাওয়ায় কিছু ট্রেন নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দেরিতে গন্তব্যে পৌঁছায়। এক লোকোমাস্টার বলেন, ‘ভোরে কুয়াশা থাকলে নিরাপত্তার কারণে গতি কমিয়ে ট্রেন চালাতে হয়।
জেলার হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ঠান্ডজনিত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। পঞ্চগড় সদর হাসপাতালের নার্স রিনা বেগম বলেন, ‘ঠান্ডাজনিত জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্টের রোগী প্রতিদিনই আসছে।’ হাসপাতালে আসা এক রোগীর স্বজন শামসুল হক বলেন, ‘ঠান্ডার কারণে আমার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কয়েক দিন ধরে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’ আরেক রোগীর স্বজন সালমা খাতুন বলেন, শীতের কারণে শিশুদের অসুস্থতা বেড়েছে।
টানা শীত আর ঠান্ডা বাতাসে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। সকালবেলা ঠান্ডার কারণে অনেকেই কাজে বের হতে পারছেন না। বের হলেও কাজের সুযোগ কম। ভ্যানচালক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘শীত বেশি থাকলে মানুষ বের হয় কম, যাত্রীও পাওয়া যায় না।’ অটোরিকশাচালক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সকালটা একেবারেই খারাপ যায়, দুপুরের আগে তেমন আয় হয় না।’
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে জেলার তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। বর্তমানে এটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে রয়েছে।’
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতার্ত মানুষের মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। আরও শীতবস্ত্রের চাহিদা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক কাজী সাইমুজ্জামান বলেন, শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ঘন কুয়াশায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর ও লৌহজংয়ে তিনটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ের পৃথক পৃথক স্থানে বাস, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
৪ মিনিট আগে
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার সদর ইউনিয়নের গংগারহাট সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক সদস্য গুলিতে নিহত হয়েছেন। বিজিবির বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, নিহত নাসিম উদ্দিন নিজের সার্ভিস রাইফেলের গুলিতে ‘আত্মহত্যা’ করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
৭ মিনিট আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শুক্রবার ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, কুয়াশার কারণে ৯টি ফ্লাইট ডাইভার্ট করা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি ফ্লাইট চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, চারটি ফ্লাইট ভারতের কলকাতা বিমানবন্দরে এবং একটি ফ্লাইট থাইল্যান্ডের ব্যাংকক বিমানবন্দরে পাঠানো হয়।
১ ঘণ্টা আগে