Ajker Patrika

জ্বালানি তেলের দাম কমলে সমন্বয় করবে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

গাংনী (মেহেরপুর) প্রতিনিধি
আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ৪৪
জ্বালানি তেলের দাম কমলে সমন্বয় করবে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ছবি: আজকের পত্রিকা

মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দ্রুতই কেটে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, দায়িত্বশীল রাষ্ট্রগুলোও বিষয়টি উপলব্ধি করেছে। সংকট কেটে গেলে জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল হবে। জ্বালানি তেলের দাম কমে এলে সরকারও দ্রুত দাম সমন্বয় করবে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে মেহেরপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক সভায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, দেশের নিজস্বভাবে জ্বালানি তেল উৎপাদন নেই। বিদেশ থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করতে হয়। বর্তমানে তেল আমদানির উৎসগুলোতে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করায় সারা বিশ্ব এর কুফল ভোগ করছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে বিদেশ থেকে জ্বালানি তেল কিনে আনতে হয়। সেখানে তেলের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবহন ব্যয় ও বিমার প্রিমিয়ামও বেড়েছে। মূল্য সমন্বয় না করে সরকার কত দিন থাকতে পারবে? সরকার ছয় মাস চেষ্টা করেছে। যখন বিকল্প সামনে বেশি ছিল না, তখনই সরকারকে কঠিন এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

অনিন্দ্য ইসলাম আরও বলেন, বিগত সরকারের ক্ষোভ ছিল জনগণের প্রতি। জনগণের প্রতি তাদের রাগ ছিল বলেই তারা নির্বাচন হতে দিতে চায়নি। ২০১৪ সালের নির্বাচন হতে দেওয়া হয়নি। ২০১৮ সালে দিনের ভোট রাতে করে নেওয়া হয়েছে। কারণ তারা জানত, জনগণ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ ভোট দিয়ে একটি সরকার নির্বাচিত করায় তাদের রাগ হয়েছে জনগণের ওপর। তারা মনে করছে, এতদিন জনগণকে ভোটের বাইরে রাখার পর বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণ আবার ভোট দিয়ে সরকার পরিবর্তন করেছে। এ কারণেই তারা সরকারকে অস্থিতিশীল করতে চায়, যাতে জনগণকে কষ্টে রাখা যায়। তাই আমাদের সবার উচিত জনগণের সেবায় কাজ করা। আমরা যাঁরা জনপ্রতিনিধি হয়েছি বা রাজনীতি করি, তাঁরাও জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করে আসছি।’

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়। সভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক জাভেদ মাসুদ মিল্টন, পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়, বিজিবির চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান, মেহেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম নজরুল কবীর এবং মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. সাজ্জাৎ হাসানসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত