
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের আটতলা নতুন ভবনের ষষ্ঠ তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুনে প্রাণহানির ঘটনা না ঘটলেও আতঙ্কে রোগী ও স্বজনদের হুড়োহুড়িতে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে লাগা আগুনে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট।
ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, শনিবার বিকেল ৪টা ৩৬ মিনিটে আটতলা ভবনের ষষ্ঠ তলার একটি স্টোররুম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই ধোঁয়া পুরো তলায় ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৯টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহায়তায় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিভিয়ে ফেলে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ছয়তলায় রোগীদের আসবাব রাখার স্টোররুম থেকে শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার পরপরই হাসপাতালের ভেতর ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে যায়। জীবন বাঁচাতে অসুস্থ শিশুদের কোলে নিয়ে স্বজনদের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার দৃশ্য দেখা যায়।
মো. রহমত আলী তাঁর দুই বছর বয়সী শিশুকে নিয়ে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন। তিনি বলেন, ‘হঠাৎ দেখি চারদিক ধোঁয়ায় ভরে গেছে। আগুনের কথা শুনেই বাচ্চাকে কোলে নিয়ে অক্সিজেন মাস্ক ছাড়াই দৌড়ে নিচে নেমে আসি। সিঁড়িতে মানুষের চাপে আমার বাচ্চার অবস্থা আরও খারাপ হয়ে গিয়েছিল। নামতে গিয়ে নিজেও ব্যথা পেয়েছি।’
হাসনা বেগম তাঁর নাতনিকে নিয়ে হৃদ্রোগ বিভাগে ছিলেন। আতঙ্কের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ধোঁয়ার কারণে ওপরে উঠতে পারছিলাম না, আবার নামতেও পারছিলাম না। কান্নাকাটি আর চিৎকার ছাড়া কিছু করার ছিল না। পরে কয়েকজন মিলে আমাদের নামিয়ে আনে।’
আব্দুল লতিফ নামে হাসপাতালের বাইরে অপেক্ষমাণ রোগীর স্বজন বলেন, ‘আগুন লাগার পর ইমারজেন্সি অনেক রোগীকে তাদের স্বজনেরা ভয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গেছেন। চারদিকে শুধু চিৎকার আর মানুষের ছোটাছুটি ছিল।’
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, ‘ছয়তলায় মূলত শিশু ওয়ার্ড। আগুন লাগার পরপরই শিশু, হৃদ্রোগ ও অন্যান্য বিভাগের সব রোগীকে নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনা হয়। আল্লাহর রহমতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’
সহকারী পরিচালক জানান, বর্তমানে হাসপাতালের বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন রেখে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে। অন্যান্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন ঢাকার নিউমার্কেট এলাকার এলিফ্যান্ট রোডের বাসিন্দা আব্দুল ওয়াহিদের ছেলে মো. ইলিয়াস হোসেন (৫৬) এবং বরিশাল নগরের বাসিন্দা মাইক্রোবাসচালক মো. রিপন। আহত ব্যক্তিরা হলেন ঢাকার খিলক্ষেতের মো. মনিরুজ্জামান (৪১), মুরাদপুরের নুরুজ্জামান (৪০) ও বাগেরহাটের মোংলা এলাকার আব্দুল ওয়েজ (৩০)।
১ ঘণ্টা আগে
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ভোরে সোনাপুর বাজারের একজন ব্যবসায়ী বিক্রির উদ্দেশ্যে একটি শাপলাপাতা মাছ নিয়ে আসেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে মাঝখানে কাটা অবস্থায় মাছটি জব্দ করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার চকবাজার হোসেনি দালান এলাকার একটি বাসা থেকে নাহিদা আক্তার ববি (২৯) নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নাহিদা আক্তার ঢাকা মেডিকেল বার্ন ইউনিটে কর্মরত ছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ঋণের অর্থের প্রকৃত উৎস আড়াল করার উদ্দেশ্যে তা বিভিন্ন হিসাবে স্থানান্তর ও লেয়ারিং করা হয়। ভুয়া প্রতিষ্ঠান খুলে প্রাপ্ত ঋণের ওই অর্থ মোরসালিন ইসলাম সৌরদ্বীপের ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ধানমন্ডি শাখার হিসাবে জমা করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে