উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

রাজধানীর উত্তরার আবদুল্লাহপুর থেকে মিরপুর বেড়িবাঁধ সড়ক পর্যন্ত আট কিলোমিটার পর্যন্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন (বিআইডব্লিউটিএ) কর্তৃপক্ষ। এ সময় প্রায় ১৭০ একর অধিগ্রহণ করা জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়।
মিরপুর টু তুরাগের ধউর বেড়িবাঁধ সড়কে আজ সোমবার (২৬ মে) সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই অভিযান চলে।
উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব দেন বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল হালিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধাক প্রকৌশলী দেওয়ান আইনুল হক, ঢাকা জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী এম এল সৈকত।
অভিযানকালে জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, ডেসকো, ওয়াসা, সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সহযোগিতা করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, মিরপুর বেড়িবাঁধ সড়কের বিরুলিয়া ব্রিজ থেকে ধউর বেড়িবাঁধ পর্যন্ত সড়কের বাম পাশের প্রায় অধিকাংশ জায়গায়ই দখল করে আছে ১৪টি বালুর গলি, বোট ক্লাব, এনডিই (NDE) রেডি মিক্সার, সেবা গ্রিন ফিলিং স্টেশন, তানভির কনস্ট্রাকশন (রেডি মিক্সার), তমা কনস্ট্রাকশন, সারমানো ফিলিং স্টেশন, শারমিন গ্রুপ, আকিজ রেডিমিক্স, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি)-সংলগ্ন অটো এক্সপার্ট লিমিটেড, অস্থায়ী দোকানপাট, বসতঘরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
অপরদিকে ঢাকা-আশুলিয়া মহাসড়কের উত্তরার অংশে নাভানা এলপিজি রিফুয়েলিং সেন্টার, আবদুল্লাহপুর মাছের বাজারসহ বিভিন্ন স্থাপনা দখল করে রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি।

যার মধ্যে এনডিই রেডি মিক্সার ও তানভির কনস্ট্রাকশনের অবৈধ স্থাপনার কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয়, অটো এক্সপার্ট লিমিটেডের দখল করা অংশ ও এর আশপাশের টংদোকান উচ্ছেদ করতে দেখা যায়। তবে সেবা গ্রিন ফিলিং স্টেশনে উচ্চ আদালতের স্থিতিশীলতার নিষেধাজ্ঞা থাকায় সেখানে কোনো অভিযান পরিচালনা করা হয়নি। এ ছাড়া আশুলিয়া মহাসড়কের আবদুল্লাহপুর মাছের বাজারসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা আংশিক উচ্ছেদ করা হয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি দখলের কারণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনডিই (NDE) রেডি মিক্সার কোম্পানির ডিজিএম মো. বাকের আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখানে যাঁরা আছেন, তাঁরা সবাই জানেন জমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের। এদিকের সবাই যেমন ম্যানেজ করেছে, ঠিক তেমনই আমাদের কোম্পানিও ম্যানেজ করেছে।’
বাকের বলেন, ‘যেহেতু অভিযান চলছে, সেহেতু ছেড়ে দিতে হবে। তারা ভাঙছে, আমরা ছেড়ে দিচ্ছি।’ আগে মাইকিং করে অবৈধ স্থাপনা থেকে সরে যাওয়ার জন্য বলা হলেও দখল না ছাড়ার কারণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাকের বলেন, ‘আমাদের সিনিয়র স্যারেরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছেন। তাঁদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করছেন।’
অপরদিকে সেবা গ্রিন ফিলিং স্টেশনের ইনচার্জ বিপুল তালুকদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের এখানে উচ্ছেদ অভিযানের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছিল। কিন্তু যখন তারা (অভিযানকারী) জানতে পারছে, জমিটি নিয়ে উচ্চ আদালরের স্থিতিবস্থার আদেশ রয়েছে, তখন আর তারা উচ্ছেদ করেনি।’
অভিযান প্রসঙ্গে বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল হালিম বলেন, ‘আমরা সকাল ১০টা থেকে অভিযান শুরু করেছি। অভিযানটি রাত পর্যন্ত চলবে।’
বাধা ও অপ্রীতিকর ঘটনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল হালিম বলেন, ‘অভিযানকালে আমরা এখন পর্যন্ত কোনো বাধার সম্মুখীন হইনি। সেই সঙ্গে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেনি।’
অভিযান শেষে বিআইডব্লিউটিএ জানিয়েছে, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধের চেইনেজ ০.৫০ কিলোমিটার আবদুল্লাহপুর মাছের বাজার হতে পঞ্চবটি পর্যন্ত সাড়ে ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত অবৈধ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্ছেদ চলাকালে এনডিই রেডিমিক্স প্ল্যান্ট, তানভির কনস্ট্রাকশন, তমা কনস্ট্রাকশন, সারমানো ফিলিং স্টেশন, শারমিন গ্রুপ, আকিজ রেডিমিক্স, এক্সপার্ট কার ওয়াশ, উত্তরা ও বিইউএফটি ইউনিভার্সিটিসংলগ্ন অবৈধ স্থাপনা, নাভানা এলপিজি রিফুয়েলিং সেন্টার, আবদুল্লাহপুর মাছের বাজারসহ অন্যান্য অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট অপসারণ করা হয়। এ সময় ১৭০ একর অধিগ্রহণ করা জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ, উচ্ছেদ অভিযানের খবর পেয়ে অভিযানের আগেই মিরপুর বেড়িবাঁধ সড়কের বেশ কিছু চোরাই তেলের দোকান এবং ভাসমান টংদোকান সরিয়ে ফেলেছে। তাঁদের কয়েকজন নাম প্রকাশ করার অনিচ্ছায় বলেন, ‘অভিযান চলছে, তাই সরিয়ে ফেলছি। শেষ হলেই আবার স্ব স্ব জায়গায় বসে যাব।’

রাজধানীর উত্তরার আবদুল্লাহপুর থেকে মিরপুর বেড়িবাঁধ সড়ক পর্যন্ত আট কিলোমিটার পর্যন্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন (বিআইডব্লিউটিএ) কর্তৃপক্ষ। এ সময় প্রায় ১৭০ একর অধিগ্রহণ করা জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়।
মিরপুর টু তুরাগের ধউর বেড়িবাঁধ সড়কে আজ সোমবার (২৬ মে) সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই অভিযান চলে।
উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব দেন বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল হালিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধাক প্রকৌশলী দেওয়ান আইনুল হক, ঢাকা জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী এম এল সৈকত।
অভিযানকালে জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, ডেসকো, ওয়াসা, সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সহযোগিতা করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, মিরপুর বেড়িবাঁধ সড়কের বিরুলিয়া ব্রিজ থেকে ধউর বেড়িবাঁধ পর্যন্ত সড়কের বাম পাশের প্রায় অধিকাংশ জায়গায়ই দখল করে আছে ১৪টি বালুর গলি, বোট ক্লাব, এনডিই (NDE) রেডি মিক্সার, সেবা গ্রিন ফিলিং স্টেশন, তানভির কনস্ট্রাকশন (রেডি মিক্সার), তমা কনস্ট্রাকশন, সারমানো ফিলিং স্টেশন, শারমিন গ্রুপ, আকিজ রেডিমিক্স, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি)-সংলগ্ন অটো এক্সপার্ট লিমিটেড, অস্থায়ী দোকানপাট, বসতঘরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
অপরদিকে ঢাকা-আশুলিয়া মহাসড়কের উত্তরার অংশে নাভানা এলপিজি রিফুয়েলিং সেন্টার, আবদুল্লাহপুর মাছের বাজারসহ বিভিন্ন স্থাপনা দখল করে রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি।

যার মধ্যে এনডিই রেডি মিক্সার ও তানভির কনস্ট্রাকশনের অবৈধ স্থাপনার কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয়, অটো এক্সপার্ট লিমিটেডের দখল করা অংশ ও এর আশপাশের টংদোকান উচ্ছেদ করতে দেখা যায়। তবে সেবা গ্রিন ফিলিং স্টেশনে উচ্চ আদালতের স্থিতিশীলতার নিষেধাজ্ঞা থাকায় সেখানে কোনো অভিযান পরিচালনা করা হয়নি। এ ছাড়া আশুলিয়া মহাসড়কের আবদুল্লাহপুর মাছের বাজারসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা আংশিক উচ্ছেদ করা হয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি দখলের কারণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনডিই (NDE) রেডি মিক্সার কোম্পানির ডিজিএম মো. বাকের আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখানে যাঁরা আছেন, তাঁরা সবাই জানেন জমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের। এদিকের সবাই যেমন ম্যানেজ করেছে, ঠিক তেমনই আমাদের কোম্পানিও ম্যানেজ করেছে।’
বাকের বলেন, ‘যেহেতু অভিযান চলছে, সেহেতু ছেড়ে দিতে হবে। তারা ভাঙছে, আমরা ছেড়ে দিচ্ছি।’ আগে মাইকিং করে অবৈধ স্থাপনা থেকে সরে যাওয়ার জন্য বলা হলেও দখল না ছাড়ার কারণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাকের বলেন, ‘আমাদের সিনিয়র স্যারেরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছেন। তাঁদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করছেন।’
অপরদিকে সেবা গ্রিন ফিলিং স্টেশনের ইনচার্জ বিপুল তালুকদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের এখানে উচ্ছেদ অভিযানের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছিল। কিন্তু যখন তারা (অভিযানকারী) জানতে পারছে, জমিটি নিয়ে উচ্চ আদালরের স্থিতিবস্থার আদেশ রয়েছে, তখন আর তারা উচ্ছেদ করেনি।’
অভিযান প্রসঙ্গে বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল হালিম বলেন, ‘আমরা সকাল ১০টা থেকে অভিযান শুরু করেছি। অভিযানটি রাত পর্যন্ত চলবে।’
বাধা ও অপ্রীতিকর ঘটনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল হালিম বলেন, ‘অভিযানকালে আমরা এখন পর্যন্ত কোনো বাধার সম্মুখীন হইনি। সেই সঙ্গে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেনি।’
অভিযান শেষে বিআইডব্লিউটিএ জানিয়েছে, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধের চেইনেজ ০.৫০ কিলোমিটার আবদুল্লাহপুর মাছের বাজার হতে পঞ্চবটি পর্যন্ত সাড়ে ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত অবৈধ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্ছেদ চলাকালে এনডিই রেডিমিক্স প্ল্যান্ট, তানভির কনস্ট্রাকশন, তমা কনস্ট্রাকশন, সারমানো ফিলিং স্টেশন, শারমিন গ্রুপ, আকিজ রেডিমিক্স, এক্সপার্ট কার ওয়াশ, উত্তরা ও বিইউএফটি ইউনিভার্সিটিসংলগ্ন অবৈধ স্থাপনা, নাভানা এলপিজি রিফুয়েলিং সেন্টার, আবদুল্লাহপুর মাছের বাজারসহ অন্যান্য অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট অপসারণ করা হয়। এ সময় ১৭০ একর অধিগ্রহণ করা জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ, উচ্ছেদ অভিযানের খবর পেয়ে অভিযানের আগেই মিরপুর বেড়িবাঁধ সড়কের বেশ কিছু চোরাই তেলের দোকান এবং ভাসমান টংদোকান সরিয়ে ফেলেছে। তাঁদের কয়েকজন নাম প্রকাশ করার অনিচ্ছায় বলেন, ‘অভিযান চলছে, তাই সরিয়ে ফেলছি। শেষ হলেই আবার স্ব স্ব জায়গায় বসে যাব।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে