ঢাবি সংবাদদাতা

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী। নিহত শাহরিয়ার আলম সাম্য শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ১৫ মিনিটে রক্তাক্ত অবস্থায় সাম্যকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান সহপাঠীরা। চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক। তিনি বলেন, ‘চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার ডান পায়ে ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।’
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে সাম্য ও তার দুই বন্ধু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় একটি বাইকের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে বাইক আরোহীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ৮-১০ জনের একটি দল তাঁদের ওপর হামলা চালায়। দুর্বৃত্তরা সাম্যের মাথা ও পায়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে পালিয়ে যায়। তিনি গুরুতর আহত হন।
সাম্যের বন্ধু বায়েজিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা কালী মন্দিরসংলগ্ন ক্যান্টিনে আড্ডা শেষে বের হচ্ছিলাম। তখন হঠাৎ দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হই। সাম্য ছুরিকাঘাতে প্রচুর রক্তক্ষরণে অচেতন হয়ে পড়ে। পরে মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালিদ মুনসুর আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে আমরা সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাই। সাম্যকে ঢামেকে নেওয়া হয়, তবে সেখানে তিনি মারা যান। আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি।’
নিহতের সহপাঠি আশরাফুল ইসলাম রাফি জানান, সাম্য থাকতেন এফ রহমান হলের ২২২ নম্বর রুমে। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায়।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী। নিহত শাহরিয়ার আলম সাম্য শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ১৫ মিনিটে রক্তাক্ত অবস্থায় সাম্যকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান সহপাঠীরা। চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক। তিনি বলেন, ‘চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার ডান পায়ে ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।’
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে সাম্য ও তার দুই বন্ধু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় একটি বাইকের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে বাইক আরোহীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ৮-১০ জনের একটি দল তাঁদের ওপর হামলা চালায়। দুর্বৃত্তরা সাম্যের মাথা ও পায়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে পালিয়ে যায়। তিনি গুরুতর আহত হন।
সাম্যের বন্ধু বায়েজিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা কালী মন্দিরসংলগ্ন ক্যান্টিনে আড্ডা শেষে বের হচ্ছিলাম। তখন হঠাৎ দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হই। সাম্য ছুরিকাঘাতে প্রচুর রক্তক্ষরণে অচেতন হয়ে পড়ে। পরে মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালিদ মুনসুর আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে আমরা সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাই। সাম্যকে ঢামেকে নেওয়া হয়, তবে সেখানে তিনি মারা যান। আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি।’
নিহতের সহপাঠি আশরাফুল ইসলাম রাফি জানান, সাম্য থাকতেন এফ রহমান হলের ২২২ নম্বর রুমে। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে