
নাটোরের লালপুরে ৫২৫ গ্রাম হেরোইনসহ দুই কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় মাদক বহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন জব্দ করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার আড়বাব ইউনিয়নের কচুয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, লালপুর উপজেলার দক্ষিণ লালপুর গ্রামের ফরমান আলীর ছেলে মো. আরিফুজ্জামান বাপ্পী (৪৮) এবং উত্তর লালপুর গ্রামের মৃত আলম মোল্লার ছেলে মো. জিল্লুর রহমান (৪১)।
এসআরবি-৫, রাজশাহীর সিপিসি-২, নাটোর ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আজ ভোর পৌনে চারটার দিকে কচুয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালায় এসআরবির একটি দল। এ সময় আরিফুজ্জামান বাপ্পী ও জিল্লুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে ৫২৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এ সময় হেরোইন ছাড়াও মাদক কারবারে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন জব্দ করা হয়।
এসআরবি জানায়, হেরোইন বিক্রির উদ্দেশে মোটরসাইকেলে করে জিল্লুর রহমানের কাছে নিয়ে যাচ্ছিলেন বাপ্পী। এ জন্য তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করে লালপুর বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বাঙালি হিন্দুধর্মাবলম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে এ বছর প্রতিটি পূজামণ্ডপে চালের বরাদ্দ ৫০০ কেজি থেকে বাড়িয়ে ৬০০ কেজি করেছে সরকার। তবে বরাদ্দের সেই চাল বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে প্রভাবশালী চক্রের কাছে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন সাভার-আশুলিয়ার দুর্গামণ্ডপের পূজারিরা।
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়ায় যুবদলের কর্মী পরিচয়ে বিরোধী নেতা-কর্মীদের পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে হারুনার রশিদ হারুন (৪২) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, গত ২৮ সেপ্টেম্বর টাকা না দেওয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দুই নেতাকে পুলিশে ধরিয়ে দেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়ার শাজাহানপুর ও শেরপুর উপজেলার এলাকায় বিভিন্ন বয়সী মানুষের ফেস ভেরিফিকেশন, ছবি, পাসপোর্টের ছবি ও বায়োমেট্রিক তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আট বছর ধরে এই কাজ করেছে একটি চক্র।
১ ঘণ্টা আগে
কোথাও চলছে মাথার আদলে ক্যাপ ঠিকঠাক করার কাজ। কেউ সেটিতে লাগাচ্ছেন কৃত্রিম চুল। তাঁদের হাতে মাথার আদলে তৈরি হচ্ছে পরচুলা। দুই, চার কিংবা দশজন নন। এই কাজ করছেন প্রায় আড়াই শ নারী। আর এই কারখানা তদারকি করছেন বিলকিস বেগম। কারখানাটির মালিক তিনি। অন্যের প্রতিষ্ঠানে পরচুলা তৈরির কাজ শিখে এখন...
২ ঘণ্টা আগে