এস বাসু দাশ, বান্দরবান

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)। ফলে এবারের নির্বাচনে বান্দরবান আসনে বিএনপির জয়ের পাল্লাই ভারী দেখছেন নির্বাচন বিশ্লেষকেরা।
এবার নির্বাচনে বিএনপি থেকে সাচিং প্রু জেরী, এনসিপি থেকে আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজাউদ্দিন, জামায়াতে ইসলামী থেকে আবুল কালাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. আবুল কালাম আজাদ ও জাতীয় পার্টির (কাদের) আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে পাঁচজনকে বৈধ হিসেবে ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
ভোটার ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেলার ভোটের মাঠে সাতটি উপজেলায় বিএনপির ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। অপরদিকে এনসিপি, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রভাব না থাকলেও জেএসএস ও জামায়াতের প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে রুমা, রোয়াংছড়ি, থানচিসহ দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলোতে জেএসএসের জনসর্মথন রয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়িতে সবচেয়ে বেশি জনসমর্থন রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর।
এদিকে জেলার আঞ্চলিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) থেকে কেএসমংয়ের নাম শোনা গেলেও দলটি এবার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় তাদের সমর্থন থাকছে বিএনপি প্রার্থীর দিকে। অপরদিকে আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার সূত্রে জানা গেছে, জামায়াত জোটকে ঠেকাতে আওয়ামী লীগ বিএনপির প্রার্থী সাচিং প্রু জেরীকে অপ্রকাশ্যে সমর্থন দিতে পারে। তাই সব দিক বিবেচনায় বিএনপির পাল্লাই ভারী দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিন মাস ধরে জেএসএস নেতারা ঘরোয়া সভা, বৈঠক এবং পাহাড়ি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে কার্য়ক্রম চালিয়ে আসছিল। তবে গত ১০ ডিসেম্বরের পর দলটির শীর্ষপর্যায়ের একাধিক বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত নেয়, এবার বান্দরবান ও রাঙামাটি আসনে আঞ্চলিক সংগঠনটি নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি প্রার্থীদের সমর্থন দেবে। খাগড়াছড়ি আসনে তারা প্রার্থী দেওয়া ও কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া থেকে বিরত থাকবে। এ বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির এক সিনিয়র নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বান্দরবান ও রাঙামাটি আসনে জেএসএসের এবার প্রার্থী থাকবে না, কৌশলগত কারণে বিএনপি প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বান্দরবান আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল কালাম বলেন, ‘জেএসএস বা অন্য দল বিএনপিকে সমর্থন দিচ্ছে কি না, তা আমার জানা নেই। সবার জন্য কাজ করেছি, আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ ভোটারদেরও সমর্থন আশা করছি।’
বান্দরবান আসনের এনসিপির প্রার্থী আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজাউদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জোটগতভাবে জামায়াতে ইসলামী বান্দরবান আসন আমাদের (এনসিপি) ছেড়ে দিয়েছে, তাঁরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করে আমাদের সমর্থন দেবে।’
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ওসমান গনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, দলের বাইরেও বিভিন্ন দলের সমর্থনের কারণে বিএনপির প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করবেন।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)। ফলে এবারের নির্বাচনে বান্দরবান আসনে বিএনপির জয়ের পাল্লাই ভারী দেখছেন নির্বাচন বিশ্লেষকেরা।
এবার নির্বাচনে বিএনপি থেকে সাচিং প্রু জেরী, এনসিপি থেকে আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজাউদ্দিন, জামায়াতে ইসলামী থেকে আবুল কালাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. আবুল কালাম আজাদ ও জাতীয় পার্টির (কাদের) আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে পাঁচজনকে বৈধ হিসেবে ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
ভোটার ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেলার ভোটের মাঠে সাতটি উপজেলায় বিএনপির ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। অপরদিকে এনসিপি, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রভাব না থাকলেও জেএসএস ও জামায়াতের প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে রুমা, রোয়াংছড়ি, থানচিসহ দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলোতে জেএসএসের জনসর্মথন রয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়িতে সবচেয়ে বেশি জনসমর্থন রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর।
এদিকে জেলার আঞ্চলিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) থেকে কেএসমংয়ের নাম শোনা গেলেও দলটি এবার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় তাদের সমর্থন থাকছে বিএনপি প্রার্থীর দিকে। অপরদিকে আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার সূত্রে জানা গেছে, জামায়াত জোটকে ঠেকাতে আওয়ামী লীগ বিএনপির প্রার্থী সাচিং প্রু জেরীকে অপ্রকাশ্যে সমর্থন দিতে পারে। তাই সব দিক বিবেচনায় বিএনপির পাল্লাই ভারী দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিন মাস ধরে জেএসএস নেতারা ঘরোয়া সভা, বৈঠক এবং পাহাড়ি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে কার্য়ক্রম চালিয়ে আসছিল। তবে গত ১০ ডিসেম্বরের পর দলটির শীর্ষপর্যায়ের একাধিক বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত নেয়, এবার বান্দরবান ও রাঙামাটি আসনে আঞ্চলিক সংগঠনটি নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি প্রার্থীদের সমর্থন দেবে। খাগড়াছড়ি আসনে তারা প্রার্থী দেওয়া ও কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া থেকে বিরত থাকবে। এ বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির এক সিনিয়র নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বান্দরবান ও রাঙামাটি আসনে জেএসএসের এবার প্রার্থী থাকবে না, কৌশলগত কারণে বিএনপি প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বান্দরবান আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল কালাম বলেন, ‘জেএসএস বা অন্য দল বিএনপিকে সমর্থন দিচ্ছে কি না, তা আমার জানা নেই। সবার জন্য কাজ করেছি, আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ ভোটারদেরও সমর্থন আশা করছি।’
বান্দরবান আসনের এনসিপির প্রার্থী আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজাউদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জোটগতভাবে জামায়াতে ইসলামী বান্দরবান আসন আমাদের (এনসিপি) ছেড়ে দিয়েছে, তাঁরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করে আমাদের সমর্থন দেবে।’
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ওসমান গনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, দলের বাইরেও বিভিন্ন দলের সমর্থনের কারণে বিএনপির প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করবেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
৪ ঘণ্টা আগে