
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মহাপ্রয়াণ দিবসে উপলক্ষে আজ রাজধানীর ধানমন্ডির বিডিওএসএন কার্যালয়ে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন মুক্ত আসর এবং নজরুলচর্চা ও গবেষণা কেন্দ্র ‘আমিই নজরুল’ আয়োজন করে ‘নজরুল স্মরণে’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানের। অনুষ্ঠানে গান, কবিতা আবৃত্তি, আলোচনাসহ নজরুলবিষয়ক দুটি বই প্রকাশিত হয়। বন্দে আলী মিয়ার ‘ছোটদের নজরুল’ ও অশোক কুমার সেনগুপ্তের ‘গিরিবালা সেনগুপ্ত: এক অবহেলিত মহীয়সী’। বই দুটি কাঠবিড়ালি প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়।
অনুষ্ঠানে অংশ নেন শিক্ষাবিদ, কবি, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী, আবৃত্তিশিল্পী ও সাহিত্যানুরাগীরা।
আলোচনা করেন শিক্ষাবিদ ও ইতিহাসবিদ অধ্যাপক এ কে এম শাহনেওয়াজ, গবেষক মোহাম্মদ আবদুল হাই, প্রাবন্ধিক খান মাহবুব, গবেষক মামুন সিদ্দিকী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব লিয়াকত আলী, শিক্ষাবিদ নীরদ বরণ মজুমদার, লেখক সোনিয়া তাসনিম, নজরুল গবেষক মাহবুবুল হক, মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শক ইয়াকুব নবী, মাসুদ আহমেদ, কবি শরিফুল ইসলাম শরিফ, মুক্ত আসরের উপদেষ্টা ফারাহ দিবা আহমেদ, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আবু সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক আয়শা জাহান নূপুর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৌশিক চাকমা প্রমুখ।
মুক্ত আসরের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আবু সাঈদ বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম কবি, শিল্পী, গীতিকার, সুরকার, ঔপন্যাসিক পরিচয়ের সঙ্গে তিনি ছিল একজন রাজনীতিবিদও। এই বছর তাঁর রাজনীতি শতবছর পূর্তি হচ্ছে। নজরুলের চেতনা, আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আমিই নজরুল সারা বছর নানা উদ্যোগ নিয়ে থাকে।’
অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন শিল্পী মুন্নী কাদের। কবিতা আবৃত্তি করেন নাজমুন নাহার, জেসমিন বন্যা ও সুরাইয়া আর চৌধুরী।
‘নজরুল স্মরণে’ অনুষ্ঠানের আয়োজনে সহযোগিতা ছিল স্বপ্ন ৭১ প্রকাশন, কাঠবিড়ালি প্রকাশন ও বইবিষয়ক পত্রিকা বইচারিতা।

জগজিৎ সিংয়ের গান ও সংগীত ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অ্যালিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘গজল ইভনিং: আ ট্রিবিউট টু জগজিৎ সিং’। অনুষ্ঠানে গজল পরিবেশন করেন মঞ্জুরুল ইসলাম খান ও অতিথি শিল্পী আফসানা রুনা।
৪ দিন আগে
শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ছায়ানটের দুই দিনব্যাপী শরৎ উৎসব শুরু হয়েছে। শুক্রবার উদ্বোধনী দিনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ছায়ানটের শিক্ষার্থীরা গান, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করে। শনিবার সেন্ট গ্রেগরি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান হবে...
৬ দিন আগে
কানাডীয় সাহিত্যিক অ্যান কারসন সমকালীন সাহিত্যের নতুন ধারার জন্ম দিয়েছেন। আর এর জন্য এবার সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার তিনিই জিতেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সুইডিশ একাডেমি এ পুরস্কার ঘোষণা করে।
৭ দিন আগে
পড়েছেন চিত্রকলায়। কিন্তু শিল্পের খুব কমই শাখা আছে, যেখানে মুস্তাফা মনোয়ার হাত দেননি। শুধু হাত দেওয়া নয়, স্বকীয়তার ছাপ রেখেছেন। তবে সবকিছু ছাপিয়ে পাপেট-সংশ্লিষ্টতাই তাঁকে সারা দেশের ঘরে ঘরে পরিচিত মুখ করে তুলেছিল।
১৪ দিন আগে