২০২৪ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার লেখক হান কাং। ‘প্রগাঢ় কাব্যিক গদ্যে ঐতিহাসিক ক্ষত তুলে ধরা এবং মানবজীবনের নাজুক পরিস্থিতির উন্মোচনের জন্য’ তাঁকে বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাবান পুরস্কারের জন্য বেছে নিয়েছে নোবেল কমিটি।
দক্ষিণ কোরীয় সাময়িকীতে একগুচ্ছ কবিতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে লেখক হিসেবে হান কাংয়ের আত্মপ্রকাশ ঘটে। ১৯৯৫ সালে ছোটগল্পের সংকলন প্রকাশের মধ্য দিয়ে তাঁর গদ্য পাঠকের সামনে আসে।
পরবর্তী সময়ে হান কাং দীর্ঘাকার গদ্য লেখা শুরু করেন। তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘দ্য ভেজেটারিয়ান’। হান কাংয়ের যেসব বই ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে, সেগুলোর প্রথম দিককার একটি এটি।
হান কাংয়ের এই উপন্যাস ২০১৬ সালে ম্যান বুকার ইন্টারন্যাশনাল পুরস্কার পায়। এই উপন্যাসে তিনি মানুষের নিষ্ঠুরতা নিয়ে আতঙ্কে ভুগতে থাকা এক তরুণীর ‘বৃক্ষের মতো’ বেঁচে থাকার চেষ্টার কথা তুলে ধরেন।
৫৩ বছর বয়সী হান কাং ১৯৭০ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার গুয়াংজুতে জন্ম নেন। সাহিত্য চর্চার পরিবেশেই তিনি জন্ম নেন। তাঁর বাবা ছিলেন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক।

বিশ্বখ্যাত জাপানি ঔপন্যাসিক হারুকি মুরাকামির নতুন উপন্যাস ‘দ্য টেল অব কাহো’ (The Tale of KAHO) প্রকাশ উপলক্ষে টোকিওতে দেখা গেল বিরল উৎসাহ। শুক্রবার (৩ জুলাই) বইটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশের আগেই রাজধানীর একটি বড় বইয়ের দোকানে মধ্যরাতের কাউন্টডাউন অনুষ্ঠানে জড়ো হন অসংখ্য পাঠক।
৪ ঘণ্টা আগে
ইউরোপ যখন কেবল কেবল সংবাদপত্র উদ্ভাবনের পথে এগোচ্ছিল, তার অনেক আগেই মুঘল ভারত গড়ে তুলেছিল নিজস্ব সংবাদ-নেটওয়ার্ক। ষোড়শ শতকের শেষভাগ থেকে লেখক, সংবাদ সংগ্রাহক, দাপ্তরিক কর্মী ও গোপন সংবাদবাহকদের বিশাল এক বাহিনী সংকলন করত ‘আখবারাত’ নামে পরিচিত সংক্ষিপ্ত সংবাদ প্রতিবেদন।
৪ দিন আগে
যে বাঙালি এত দিন ‘বিদ্রোহী’ হওয়ার কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভালোবাসত, আজ তারাই তৃণমূলের দলত্যাগী নেতাদের বিশ্বাসঘাতক বা পাল্টু বলে গালমন্দ করছে। কিন্তু আবেগের চশমা সরিয়ে একটু ভাবুন তো...
৭ দিন আগে
বাংলা একাডেমি আয়োজিত সেমিনার সিরিজে এবার স্মরণ করা হলো কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, কবি রফিক আজাদ এবং মধ্যযুগের কবি চন্দ্রাবতীকে। আজ সোমবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিন পর্বে...
১১ দিন আগে