
তিস্তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নদীসংক্রান্ত দ্বিপক্ষীয় কাঠামোগুলো অনুসরণের কথা বলেছে ভারত। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) তিস্তা নদীর পানিবণ্টন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৪টি এবং এসব নদীসংক্রান্ত সব ধরনের ইস্যু নিয়ে আলোচনা করার জন্য দুই দেশের মধ্যে সুসংগঠিত দ্বিপক্ষীয় কাঠামো রয়েছে। তিনি জানান, পানিবণ্টন ও নদী ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিদ্যমান যৌথ প্রক্রিয়াগুলো নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে।
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদীর প্রসঙ্গে জানা যায়, হিমালয়, আসাম-মেঘালয় অঞ্চল ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে নেমে আসা এসব নদী বাংলাদেশ হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। এই নদীগুলো শুধু পানিপ্রবাহ নয়; কৃষি, নৌপথ, মৎস্য, জীববৈচিত্র্য, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত।
যে নদী দুই দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে, সেগুলোই অভিন্ন বা আন্তসীমান্ত নদী। বাংলাদেশ-ভারতের ক্ষেত্রে গঙ্গা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, দুধকুমার, ফেনী, মনু, খোয়াই, মুহুরীসহ বহু নদ-নদী এই তালিকায় রয়েছে।
কেন এত গুরুত্বপূর্ণ
বাংলাদেশ ভাটির দেশ হওয়ায় উজানের পানিপ্রবাহের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। শুষ্ক মৌসুমে পানি কমে গেলে কৃষি, সেচ ও পরিবেশে প্রভাব পড়ে। আবার বর্ষায় অতিরিক্ত পানি বন্যার ঝুঁকি বাড়ায়। তাই নদী ব্যবস্থাপনা দুই দেশের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দ্বিপক্ষীয় কাঠামো কী
নদীসংক্রান্ত আলোচনা এবং সমন্বয়ের জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কয়েকটি আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা রয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি)। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কমিশন দুই দেশের মধ্যে পানিবণ্টন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদী ব্যবস্থাপনা ও তথ্য আদান-প্রদান নিয়ে কাজ করে। সাধারণত দুই দেশের মন্ত্রী, সচিব ও বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে বৈঠক হয়। এসব বৈঠকে পানিপ্রবাহের তথ্য, বাঁধ, নদী খনন, বন্যা সতর্কীকরণ ইত্যাদি বিষয়ও আলোচনায় আসে।
নদী নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য চুক্তিগুলোর মধ্যে ১৯৯৬ সালে গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে ৩০ বছরের চুক্তি অন্যতম। এটি দুই দেশের মধ্যে অন্যতম বড় পানি চুক্তি। ফারাক্কা বাঁধে শুষ্ক মৌসুমে কীভাবে পানি ভাগ হবে, তা এই চুক্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিস্তা চুক্তি কেন আটকে
তিস্তার পানিবণ্টন নিয়ে বহু বছর ধরে আলোচনা চলছে। ২০১১ সালে একটি খসড়া চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়েছিল, কিন্তু ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের আপত্তির কারণে সেটি সই হয়নি। ফলে এখনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।
ভারত প্রায়ই বলে থাকে, বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর মাধ্যমেই সব পানিসংক্রান্ত ইস্যু আলোচনা সম্ভব। তবে এসব কাঠামোগত আলোচনার পরও তিস্তা চুক্তির বিষয়টি এখনো অমীমাংসিতই রয়ে গেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সি চিনপিংয়ের ওয়াশিংটন বৈঠকের কয়েক দিন আগে আমি এনডিটিভিতে লিখেছিলাম, চীনের সঙ্গে আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে কতটা গুরুত্ব দেয়, এই শীর্ষ বৈঠক তা স্পষ্ট করে দেবে। আমি তিনটি সম্ভাব্য ফলাফলের কথা বলেছিলাম। ট্রাম্প চীনের কাছ থেকে বড় কোনো ছাড় আদায় করতে পারেন, দুই পক্ষ এমন
১৬ ঘণ্টা আগে
নাইকি এখনো বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্পোর্টস ব্র্যান্ড এবং বিশ্বজুড়ে তরুণদের মাঝে এর বিপুল গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তবে একসময় যেভাবে বিশ্ববাজারে একক আধিপত্য বজায় রেখেছিল, সেখানে যে বড় ধরনের চিড় ধরেছে তা স্পষ্ট।
২ দিন আগে
বাংলাদেশের বিশ্বের এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) শিল্পের অন্যতম সাফল্যের গল্প হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার বদলে দেশটি এখন এই শিল্পের জন্য এক সতর্কবার্তায় পরিণত হচ্ছে।
৩ দিন আগে
মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া: দ্য সাপ্লাই অব ওয়েপনস অ্যান্ড মিউনিশসন টু ইসরায়েল’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় চলমান ইসরায়েলের ‘গণহত্যামূলক’ সামরিক অভিযানের পুরো সময়জুড়ে ভারত ইসরায়েলে কয়েক...
৬ দিন আগে