
ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না বেইজিং। তিস্তা প্রকল্প, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মিয়ানমার ও আঞ্চলিক সংযোগসহ বিভিন্ন বিষয়ে চীনের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।

জাতীয় স্বার্থে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। এ সময় তিনি বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়নে কেউ অসন্তুষ্ট হলে তাকে ‘রাজশাহীর আম পাঠিয়ে খুশি করা হবে’। একই সঙ্গে তিনি বলেন, রাজপথে বিরোধী দলের চলমান আন্দোলন সরকারের সঙ্গে কোনো সমঝোতার অংশ নয়।

নদী ব্যবস্থাপনা খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও চীন। এই সহযোগিতার আওতায় ‘তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প’ও অন্তর্ভুক্ত। পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশ সুরক্ষায় চীনের আরও বড় পরিসরের সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

নীলফামারীর ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজ ও নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন শেষে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মতামত ও কারিগরি মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ করে দ্রুত তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করা হবে।