
২০১৪ সালে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে মাত্র ৪৪টি আসন পেয়েছিল ঐতিহ্যবাহী দল কংগ্রেস। এরপর ২০১৯ সালের নির্বাচনে আগের বারের চেয়ে ৮টি আসন বেশি পেয়ে মাত্র ৫১টি আসন পেয়েছিল দলটি। আর শরিক দলগুলোর আসন যোগ করে সেবার কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোটের আসনসংখ্যা হয় ৯১। অন্যদিকে, সরকার গঠনের জন্য যেখানে ২৭২টি আসন পেতে হয় সেখানে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট পেয়েছিল ৩৫৩ আসন। শুধু তাই নয়, ৩০৩ আসন নিশ্চিত করে বিজেপি একক দল হিসেবেই সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল।
মোদি হাওয়ায় ২০১৪ সালের পর ২০১৯ সালেও গো-হারা হেরে একেবারে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল কংগ্রেস। দলটি টানা তৃতীয়বারের মতো এবারও হেরেছে, তবে পরিস্থিতি ভিন্ন। কারণ অস্তিত্ব সংকটে থাকা এই দলটি গতবারের তুলনায় একক দল হিসেবে আসনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ করেছে। আর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট এবার অন্তত ২২০ আসন ছাড়িয়ে গেছে। বিপরীতে নির্বাচনে চার শতাধিক আসন পাওয়ার ঘোষণা দিয়ে বিজেপি জোট ৩০০ আসন পাড়ি দিতে পারেনি। উপরন্তু একক দল হিসেবেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি বিজেপি।
এ অবস্থায় জোটবদ্ধভাবে টানা তৃতীয়বারের মতো মোদির সরকার গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত হলেও এবারের নির্বাচন নিয়ে অখুশি নয় কংগ্রেস শিবির। মঙ্গলবার নয়া দিল্লির আকবর রোডে অবস্থিত দলটির সদর দপ্তরে বরং উৎসবের আমেজ দেখা গেছে। সকাল থেকেই সেখানে হাজার হাজার নেতা-কর্মী জড়ো হচ্ছিলেন। সরকার গঠন করতে না পারলেও ইন্ডিয়া জোট যখন ২০০ আসন পেরোয় তখন উল্লাসে ফেটে পড়েন সমর্থকেরা। ঢাক-ঢোল বাজাতে শুরু করেন তাঁরা।
ভোটের ফল ঘোষণার দিনটিতে কংগ্রেস দপ্তরে দুটি বড় প্যান্ডেল তৈরি করা হয়। লাগানো হয় জায়ান্ট স্ক্রিন। সকাল থেকেই ওই স্ক্রিনে ভোট গণনার পরিস্থিতি দেখছিলেন কর্মী সমর্থকেরা। বেলা যত গড়িয়েছে, তাঁদের উৎসাহে কোনো ভাটা দেখা যায়নি। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকেও ছাপিয়ে জোট সঙ্গী তৃণমূল কংগ্রেসের বড় জয়ের খবর স্ক্রিনে ভেসে উঠতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন তাঁরা। মমতা ব্যানার্জিকে সাধুবাদ জানিয়ে ‘দিদি দিদি’ স্লোগানে মুখরিত হয় চারপাশ।
ভারতীয় গণমাধ্যম আজকালের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, বিজেপির জোটের চেয়ে পিছিয়ে থাকলেও ভোট গণনা যত এগিয়েছে কংগ্রেস সদর দপ্তরে ভিড় ততই বেড়েছে। দেশ-বিদেশের সংবাদমাধ্যমে ঠাসা ছিল পুরো এলাকাটি।
কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা বলছিলেন—এটা ঠিক, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি ইন্ডিয়া। তবে বিজেপির সঙ্গে সেয়ানে সেয়ানে টক্কর দিয়েছে।
সন্ধ্যায় সদর দপ্তরে আসেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, সোনিয়া গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। জনগণের রায়কে স্বাগত জানিয়ে খাড়গে বলেছেন, ‘লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে জনগণের বিজয় স্পষ্ট। এটা গণতন্ত্রের জয়। নৈতিক হার হয়েছে মোদির।’
বুধবার ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক হবে দিল্লিতেই। এই বৈঠকে সবার সঙ্গে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, ‘এবারের নির্বাচনে কোনো একক দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। এই জনমত মোদিজির বিরুদ্ধে। মোদির নৈতিক হার হয়েছে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আমরা নির্বাচনে লড়েছি। ইতিবাচক প্রচার করেছি আমরা।’
মধ্যপ্রদেশের ভোপাল থেকে সোমবারই দিল্লি এসেছেন রাকেশ কুশওয়াহ নামে এক ব্যক্তি। দিল্লিতে পৌঁছেই হাজির হয়েছে কংগ্রেস দপ্তরে। রাহুল গান্ধীর ভক্ত তিনি। ভারত জড়ো যাত্রার সময় রাহুল যেমন দাঁড়ি রেখেছিলেন, ঠিক তেমন করেই দাঁড়ি রেখেছেন রাকেশও। পরনে সাদা শার্ট, ডেনিম জিনস। রাহুলের মতোই দেখতে তিনি। ৪৮ বছর বয়সী রাকেশ বলেন, ‘রাহুল গান্ধী আমার নেতা। তাঁর জন্যই ভোপাল থেকে এসেছি। হার কিংবা জিত, সব সময় তাঁর পাশে আছি।’

২০১৪ সালে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে মাত্র ৪৪টি আসন পেয়েছিল ঐতিহ্যবাহী দল কংগ্রেস। এরপর ২০১৯ সালের নির্বাচনে আগের বারের চেয়ে ৮টি আসন বেশি পেয়ে মাত্র ৫১টি আসন পেয়েছিল দলটি। আর শরিক দলগুলোর আসন যোগ করে সেবার কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোটের আসনসংখ্যা হয় ৯১। অন্যদিকে, সরকার গঠনের জন্য যেখানে ২৭২টি আসন পেতে হয় সেখানে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট পেয়েছিল ৩৫৩ আসন। শুধু তাই নয়, ৩০৩ আসন নিশ্চিত করে বিজেপি একক দল হিসেবেই সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল।
মোদি হাওয়ায় ২০১৪ সালের পর ২০১৯ সালেও গো-হারা হেরে একেবারে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল কংগ্রেস। দলটি টানা তৃতীয়বারের মতো এবারও হেরেছে, তবে পরিস্থিতি ভিন্ন। কারণ অস্তিত্ব সংকটে থাকা এই দলটি গতবারের তুলনায় একক দল হিসেবে আসনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ করেছে। আর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট এবার অন্তত ২২০ আসন ছাড়িয়ে গেছে। বিপরীতে নির্বাচনে চার শতাধিক আসন পাওয়ার ঘোষণা দিয়ে বিজেপি জোট ৩০০ আসন পাড়ি দিতে পারেনি। উপরন্তু একক দল হিসেবেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি বিজেপি।
এ অবস্থায় জোটবদ্ধভাবে টানা তৃতীয়বারের মতো মোদির সরকার গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত হলেও এবারের নির্বাচন নিয়ে অখুশি নয় কংগ্রেস শিবির। মঙ্গলবার নয়া দিল্লির আকবর রোডে অবস্থিত দলটির সদর দপ্তরে বরং উৎসবের আমেজ দেখা গেছে। সকাল থেকেই সেখানে হাজার হাজার নেতা-কর্মী জড়ো হচ্ছিলেন। সরকার গঠন করতে না পারলেও ইন্ডিয়া জোট যখন ২০০ আসন পেরোয় তখন উল্লাসে ফেটে পড়েন সমর্থকেরা। ঢাক-ঢোল বাজাতে শুরু করেন তাঁরা।
ভোটের ফল ঘোষণার দিনটিতে কংগ্রেস দপ্তরে দুটি বড় প্যান্ডেল তৈরি করা হয়। লাগানো হয় জায়ান্ট স্ক্রিন। সকাল থেকেই ওই স্ক্রিনে ভোট গণনার পরিস্থিতি দেখছিলেন কর্মী সমর্থকেরা। বেলা যত গড়িয়েছে, তাঁদের উৎসাহে কোনো ভাটা দেখা যায়নি। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকেও ছাপিয়ে জোট সঙ্গী তৃণমূল কংগ্রেসের বড় জয়ের খবর স্ক্রিনে ভেসে উঠতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন তাঁরা। মমতা ব্যানার্জিকে সাধুবাদ জানিয়ে ‘দিদি দিদি’ স্লোগানে মুখরিত হয় চারপাশ।
ভারতীয় গণমাধ্যম আজকালের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, বিজেপির জোটের চেয়ে পিছিয়ে থাকলেও ভোট গণনা যত এগিয়েছে কংগ্রেস সদর দপ্তরে ভিড় ততই বেড়েছে। দেশ-বিদেশের সংবাদমাধ্যমে ঠাসা ছিল পুরো এলাকাটি।
কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা বলছিলেন—এটা ঠিক, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি ইন্ডিয়া। তবে বিজেপির সঙ্গে সেয়ানে সেয়ানে টক্কর দিয়েছে।
সন্ধ্যায় সদর দপ্তরে আসেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, সোনিয়া গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। জনগণের রায়কে স্বাগত জানিয়ে খাড়গে বলেছেন, ‘লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে জনগণের বিজয় স্পষ্ট। এটা গণতন্ত্রের জয়। নৈতিক হার হয়েছে মোদির।’
বুধবার ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক হবে দিল্লিতেই। এই বৈঠকে সবার সঙ্গে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, ‘এবারের নির্বাচনে কোনো একক দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। এই জনমত মোদিজির বিরুদ্ধে। মোদির নৈতিক হার হয়েছে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আমরা নির্বাচনে লড়েছি। ইতিবাচক প্রচার করেছি আমরা।’
মধ্যপ্রদেশের ভোপাল থেকে সোমবারই দিল্লি এসেছেন রাকেশ কুশওয়াহ নামে এক ব্যক্তি। দিল্লিতে পৌঁছেই হাজির হয়েছে কংগ্রেস দপ্তরে। রাহুল গান্ধীর ভক্ত তিনি। ভারত জড়ো যাত্রার সময় রাহুল যেমন দাঁড়ি রেখেছিলেন, ঠিক তেমন করেই দাঁড়ি রেখেছেন রাকেশও। পরনে সাদা শার্ট, ডেনিম জিনস। রাহুলের মতোই দেখতে তিনি। ৪৮ বছর বয়সী রাকেশ বলেন, ‘রাহুল গান্ধী আমার নেতা। তাঁর জন্যই ভোপাল থেকে এসেছি। হার কিংবা জিত, সব সময় তাঁর পাশে আছি।’

পাকিস্তানের এই নতুন সামরিক কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সৌদি আরব। কাতারে ইসরায়েলের হামলার পর যখন উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়, তখন দুই দেশের মধ্যে এসএমডিএ স্বাক্ষরিত হয় (গত বছরের সেপ্টেম্বরে)। সেখানে যোগ দিতে আবার সক্রিয় তদবির চালাচ্ছে তুরস্ক।
১ দিন আগে
ইতিমধ্যে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন, পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসী হুমকি, চীনের আঞ্চলিক বিস্তার ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির কারণে একের পর এক বৈশ্বিক সংকটে পড়েছে ভারত। এর মধ্যে ইরানের চলমান অস্থিতিশীলতা কূটনৈতিক সমীকরণ, বাণিজ্যপথ ও নিরাপত্তার হিসাব-নিকাশে...
২ দিন আগে
একটি কর্তৃত্ববাদী শাসন কীভাবে শেষ হয়? এ বিষয়ে আর্নেস্ট হেমিংওয়ের সেই বিখ্যাত উক্তিটি প্রায়ই উদ্ধৃত করা হয়—‘দেউলিয়া হওয়া যেমন হয়। প্রথমে ধীরে, তারপর হঠাৎ করে একদিন সব শেষ।’ ইরানে যারা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছে, তারা এবং দেশের বাইরে তাদের সমর্থকেরা আশা করছিল, তেহরানের ইসলামি শাসনব্যবস্থা বুঝি সেই
৩ দিন আগে
ইরানে দেশব্যাপী বিক্ষোভ এবং বছরের পর বছর ধরে চলা বাহ্যিক চাপের পরও টিকে আছে বর্তমান শাসনব্যবস্থা। এখন পর্যন্ত ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে এমন কোনো ভাঙনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না, যা বিশ্বের অন্যতম সবচেয়ে স্থিতিস্থাপক সরকারগুলোর একটির পতন ঘটাতে পারে।
৩ দিন আগে