১৯৭০-এর দশকের শেষ আর ১৯৮০-এর দশকের শুরুর দিকে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলায় বিকাশ হয় একটি সামাজিক নৃত্যের, যেটির নাম কিজোম্বা। দেশটির কিমবুন্দু ভাষায় কিজোম্বা শব্দের অর্থ হলো ‘পার্টি’ বা ‘উৎসব’। ঐতিহ্যগতভাবে পরিবার, বন্ধু, পরিচিত যে কারও সঙ্গে যেকোনো সামাজিক উৎসব বা বিয়ের অনুষ্ঠানে করা হয় এই যুগল নৃত্য। তবে আজকাল অ্যাঙ্গোলার রাজধানী লুয়ান্ডার রাস্তা থেকে শুরু করে নাচের ক্লাবগুলোতেও কিজোম্বা বেশ জনপ্রিয়। এই নাচে সাধারণত সঙ্গীরা একে অপরের খুব কাছাকাছি থেকে ধড় বা বুক স্পর্শ করে নাচেন। নাচের ছন্দ বেশ ধীর, মসৃণ এবং সংবেদনশীল হয়ে থাকে। যুগলেরা কিজোম্বা সংগীতের সুরে তাল মিলিয়ে ফ্লোরজুড়ে হেঁটে হেঁটে বৃত্তাকারে বিভিন্ন মুদ্রা তৈরি করে এই নাচ পরিবেশন করেন। আফ্রিকা ছাড়িয়ে ইউরোপে; বিশেষ করে পর্তুগাল ও ফ্রান্সে এবং সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে অ্যাঙ্গোলার জাতীয় ঐতিহ্য কিজোম্বা।
ছবি: সংগৃহীত

গ্লানিটা হলো লিখতে না পারায়। একজন কবি লিখতে পারছেন না, এটাই তাঁর জন্য চরম অসুবিধার। অনেকে জীবিত আছেন, কিন্তু আর লিখতে পারছেন না। এটা গ্লানিকর। দুই নম্বর কথা হলো, আমার মতো যাঁরা দীর্ঘ জীবন পার করে এসেছেন, তাঁদের শারীরিক নানা অসুবিধার সৃষ্টি হয়। যেমন আমার চোখ নেই, অস্পষ্ট দেখি।
৫ দিন আগে
বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের, বিশেষ করে বম, লুসাই, পাংখোয়া সম্প্রদায়ের অত্যন্ত প্রাচীন এবং জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্য বাঁশের নাচ। ভারতের মিজোরামেও পরিবেশিত হয় বাঁশনৃত্য। মূলত বমদের দ্বারাই নাচটির প্রচলন হয়েছে। বম ভাষায় এই নাচকে বলা হয় রোখা ত্লা। এর অর্থ বাঁশের মাঝে পা ফেলে শোকের নাচ।
৬ দিন আগে
জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে আমরা নারীদের সাহসী ভূমিকা দেখেছি, কিন্তু পরে রাষ্ট্র সংস্কার বা নীতি নির্ধারণের জায়গায় সেই উপস্থিতি ততটা দেখা যায়নি। এটি আসলে ঐতিহাসিকভাবেই হয়ে আসছে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে আমাদের অনেক নারীনেত্রী অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। কিন্তু আজ আমরা কয়জন তাঁদের নাম জানি...
১৯ দিন আগে
কীর্তন নাচ হলো ভারতীয় উপমহাদেশে উদ্ভূত একটি আধ্যাত্মিক ও ভক্তিমূলক নৃত্য। ৫০০ বছর পুরোনো এই নৃত্যকলাটি সাধারণত হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র বা ঈশ্বরের নামসংকীর্তনের সঙ্গে পরিবেশিত হয়। কথিত আছে—পুরাকালে নারদমুনি স্বয়ং ভগবান বিষ্ণুর নামবন্দনা করতেন কীর্তন নৃত্য পরিবেশন করে।
২০ দিন আগে