সম্পাদকীয়

বাংলার সুবেদার মীর জুমলা তাঁর আসাম অভিযানের সময় ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের (তৎকালীন খিজিরপুর) সংযোগকারী সড়কের পাগলা এলাকায় শীতলক্ষ্যা-বুড়িগঙ্গা নদীর সংযোগস্থলে নির্মাণ করেন পাগলা সেতু। সম্ভবত ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময় সেতুটি নির্মাণ করা হয়। ধারণা করা হয়, পাগলা নদীর ওপর সেতুটি দাঁড়িয়ে ছিল বলেই এর নাম পাগলা পুল বা পাগলা সেতু। একটি মন্দিরের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে সেতুটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়, যেখানে দেবতা শিবের মূর্তি ছিল। প্রাচীন ধ্বংসাবশেষটি ছিল পাগল-নাথ মন্দিরের অংশ। মোগল আমলের দৃষ্টিনন্দন সেতুটি আসলে অনেক বছর আগেই ধ্বংসপ্রায় হয়েছে। তবে আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক কারণে ধ্বংসপ্রাপ্ত সেতুর মিনারসদৃশ কয়েকটি পিলারের ধ্বংসাবশেষ এখনো চোখে পড়ে।
ছবি: সংগৃহীত, ১৮৭০-এর দশক

বাংলার সুবেদার মীর জুমলা তাঁর আসাম অভিযানের সময় ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের (তৎকালীন খিজিরপুর) সংযোগকারী সড়কের পাগলা এলাকায় শীতলক্ষ্যা-বুড়িগঙ্গা নদীর সংযোগস্থলে নির্মাণ করেন পাগলা সেতু। সম্ভবত ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময় সেতুটি নির্মাণ করা হয়। ধারণা করা হয়, পাগলা নদীর ওপর সেতুটি দাঁড়িয়ে ছিল বলেই এর নাম পাগলা পুল বা পাগলা সেতু। একটি মন্দিরের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে সেতুটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়, যেখানে দেবতা শিবের মূর্তি ছিল। প্রাচীন ধ্বংসাবশেষটি ছিল পাগল-নাথ মন্দিরের অংশ। মোগল আমলের দৃষ্টিনন্দন সেতুটি আসলে অনেক বছর আগেই ধ্বংসপ্রায় হয়েছে। তবে আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক কারণে ধ্বংসপ্রাপ্ত সেতুর মিনারসদৃশ কয়েকটি পিলারের ধ্বংসাবশেষ এখনো চোখে পড়ে।
ছবি: সংগৃহীত, ১৮৭০-এর দশক

এখন আর যাই থাক বা না থাক দ্রোহ বা বিপ্লব বলে কিছু নেই। শুধু বাংলাদেশে নয়, দুনিয়া থেকেই এই প্রক্রিয়া বা মানুষের ত্যাগের ইতিহাস বিলুপ্ত প্রায়। আমাদের যৌবন পর্যন্ত আমরা জানতাম যাঁরা দেশ ও মানুষকে ভালোবেসে আত্মদান করেন তাঁরা অমর।
২ দিন আগে
আমি সক্রিয় ছাত্ররাজনীতিতে জড়িত হই ১৯৮২ সালের মার্চে; জেনারেল এরশাদের জবরদস্তিমূলক রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পরপর, বিশেষত ক্ষমতা জবরদখলের পর প্রথম হুমকিমূলক একটি ঘোষণা প্রচারের পর। যে ঘোষণায় বলা হয়েছিল, ‘আকারে ইঙ্গিতে, আচারে-উচ্চারণে সামরিক শাসনের সমালোচনা করলেও সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হবে।’ বুঝুন অবস্থা।
৩ দিন আগে
পাবনা শহরের দক্ষিণ রাঘবপুর মহল্লায় কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, ৪০০ বছরের ঐতিহ্য জোড়বাংলা মন্দির। মন্দিরটির নির্মাণকালের সঠিক কোনো তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যায় না। তবে রাধারমণ সাহা রচিত পাবনা জেলার ইতিহাস গ্রন্থ অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদের নবাবের তহশিলদার ব্রজমোহন...
৪ দিন আগে
খবরটা প্রথমে টাচ করেনি। চলে গেলেন বেলা টার—এই বাক্যটা যেন একটু দেরিতে চৈতন্যে এসে ঠেকল। তারপর মনে হলো, এই মানুষ তো সময়কে থোড়াই কেয়ার করেছেন, লেন্সের সামনে সময়কে দাঁড় করিয়ে সব তরিকায় অপদস্থ করেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর হজম হতে কিছুটা সময় নেওয়াই বরং স্বাভাবিক।
৫ দিন আগে