
করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন এখন শঙ্কা ছড়াচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এরই মধ্যে একে উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট বলেছে। বিশ্বের দুই ডজনের বেশি দেশে এর সংক্রমণ শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন এই ধরন উদ্বেগজনক হলেও স্বাস্থ্য সতর্কতা মেনে চললে এটি মোকাবিলা করা সম্ভব।
করোনার নতুন এই ধরন সম্বন্ধে আমরা খুব কম জানি। তবে এটি যে মারাত্মক সংক্রামক, তা জানা গেছে। তাই সবাইকে টিকা নিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
এর আগের ডেলটা ভ্যারিয়েন্ট ছিল দুঃস্বপ্ন। সিডিসি বলেছে, সংক্রমণের ৯৯ শতাংশ ছিল ডেলটার। এখন ডেলটার চেয়ে অনেক দ্রুত সংক্রমণ ঘটাচ্ছে ওমিক্রন। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের মধ্যে বিভিন্ন বৈচিত্র্য আছে। আর এর মিউটেশন হয়েছে অনেক। এতে কিছু শঙ্কার অবকাশ আছে।
ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট
ওমিক্রন হলো কোভিড-১৯-এর এক নতুন ভ্যারিয়েন্ট। প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই নতুন ভ্যারিয়েন্টের স্পাইক প্রোটিনে এরই মধ্যে ৫০টি মিউটেশন হয়েছে। এতে পুনঃসংক্রমণের আশঙ্কা খুব বেশি।
তবে ওমিক্রন ডেলটার চেয়ে বেশি গুরুতর অসুখ ঘটায় কি না, সেটি এখনো স্পষ্ট নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান আশা করছে, মাস্ক ব্যবহার, হাত ধোয়া, সামাজিক দূরত্ব ও টিকা নেওয়া ঠিক থাকলে ওমিক্রনের সংক্রমণ খুব বেশি হবে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা আর বুস্টার নিলে সুরক্ষা পাওয়া যাবে অনেকটাই।
উপসর্গ
বিশেষজ্ঞদের মতে, মৃদু জ্বর, শীত ভাব, কফ-কাশ, শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি, পেশি ও দেহে ব্যথা, মাথা ধরা, নতুন করে স্বাদ ও ঘ্রাণ লোপ পাওয়া, গলাব্যথা, নাকে পানি ঝরা, বমি ভাব ও ডায়রিয়া ওমিক্রনের উপসর্গ।
লেখক: সাবেক অধ্যক্ষ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ

বর্ষাকালে রিমঝিম বৃষ্টি যেমন স্বস্তি আনে, তেমনি একটানা ভারী বর্ষণ আর জলাবদ্ধতা ডেকে আনে নানা রোগবালাই। বিশেষ করে টানা বৃষ্টির কারণে আমাদের চারপাশে পানি জমে এডিস ও অ্যানোফিলিস মশার বংশবৃদ্ধি ঘটে, আবার সুপেয় পানির উৎসগুলোও দূষিত হয়ে পড়ে।
৪ ঘণ্টা আগে
সারা দিনে শরীরের শক্তির মাত্রা কিংবা এনার্জি লেভেলে কিছুটা ওঠানামা হওয়া স্বাভাবিক। ঘুম, মানসিক চাপ, শারীরিক পরিশ্রম এবং সবচেয়ে বড় বিষয় আমাদের খাদ্যাভ্যাস। সাধারণত যেকোনো খাবার বা স্ন্যাকস খাওয়ার পর আমাদের সতেজ লাগার কথা, কিন্তু কিছু খাবার উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে।
৪ ঘণ্টা আগে
অনেকের মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায়। এরপরই ঘটে আসল বিপত্তি। তখন আর কোনোভাবে ঘুম আসতে চায় না। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘স্লিপ মেইনটেন্যান্স ইনসোমনিয়া’। তবে মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দুশ্চিন্তা করা কিংবা মোবাইল স্ক্রিন অন করার মতো অভ্যাসগুলো পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে বর্ষা মৌসুমে বন্যা একটি পরিচিত দুর্যোগ। বন্যার সময় দূষিত পানি, কাদা, জীবাণু, রাসায়নিক পদার্থ এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে চোখের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায় উল্লেখযোগ্যভাবে। অনেকে সামান্য চোখ লাল হওয়া কিংবা জ্বালাপোড়াকে গুরুত্ব দেন না, কিন্তু সময়মতো চিকিৎসা না করালে তা গুরুতর....
৭ ঘণ্টা আগে