গত ১ অক্টোবর ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছিল ইরান। দেশটি দাবি করেছিল, লেবাননে হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহকে হত্যার প্রতিশোধ নিতেই তারা এই হামলা চালিয়েছে। তবে ওই ঘটনার দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত ইরানে কোনো পাল্টা হামলা চালায়নি ইসরায়েল। তবে বুধবার একটি সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ইরানে একটি প্রতিশোধমূলক হামলার প্রস্তুতি নিয়েছে ইসরায়েল।
সিএনএন জানিয়েছে, সূত্রটি ইরানে হামলা করতে ইসরায়েলের প্রস্তুতির কথা জানালেও এই বিষয়ে আর কোনো তথ্য প্রদান করেনি। ফলে ইসরায়েল কখন এবং কীভাবে হামলা চালাবে সেই বিষয়েও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে মন্তব্যের জন্য ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়েরও দ্বারস্থ হয়েছে সিএনএন। তবে সেখান থেকে কোনো মন্তব্য এসেছে কি-না সেই বিষয়ে সিএনএনের প্রতিবেদনে কিছু জানানো হয়নি।
সূত্রটি সিএনএনকে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সহ ইসরায়েলি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রকে আশ্বস্ত করেছেন—ইরানের ওপর পাল্টা হামলা তেল এবং পারমাণবিক স্থাপনার পরিবর্তে বরং সামরিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।
এর আগে ইরানের হামলার পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছিলেন, এই হামলার জন্য ইরানকে চড়া মূল্য দিতে হবে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
৬ ঘণ্টা আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন।
৮ ঘণ্টা আগে