ফরিদপুর প্রতিনিধি

এক সময়ে করতেন চালের ব্যবসা। কিন্তু সেই ব্যবসায় ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন বক্কার গাজী (৫০)। সেই ঋণের তাড়নায় ও পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকতে ঢাকায় একটি ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে রওনা দেন। কিন্তু ঢাকায় আর যাওয়া হলো না তাঁর। সড়ক দুর্ঘটনায় চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
বক্কার গাজী সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানাধীন তারানিপুর এলাকার সাফাত গাজীর ছেলে। আজ মঙ্গলবার ভোরে ফরিদপুর জেলা সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের মল্লিকপুরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে দুটি যাত্রীবাহী বাস খাগড়াছড়ি পরিবহন ও গ্রিন এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা যান তিনি।
এতে ঘটনাস্থলে আরও ৪ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ২৭ জন। আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
নিহত বক্কার খাগড়াছড়ি পরিবহনের যাত্রী ছিলেন। তাঁর সঙ্গে একই কাজের উদ্দেশ্যে ঢাকায় যাচ্ছিলেন একই এলাকার মারুফ হোসেন নামের এক ব্যক্তি। তাঁর পা ভেঙে মেডিকেল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন।
তিনি বলেন, ‘বক্কার চালের ব্যবসা করতে গিয়ে অনেক টাকা ধরা খায়। এতে পাওনাদাররা চাপ দিতে থাকে। টেনশনে পড়ে আমাকে একদিন বলে আমারে ঢাকায় নিয়ে চল, তোদের সঙ্গে কাজ করব। উনি কোনো দিন কোনো কষ্টের কাজ করে নাই। আজ আমাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য যাচ্ছিল। কিন্তু উনিতো চলে গেলেন।’
আহত এই ব্যক্তি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘বক্কার বাসের সামনের দিকে বসা ছিল, আমি মাঝের দিকে বসছিলাম। রাতে ঘুমায় ছিলাম সবাই। হঠাৎ একটা শব্দ হয়, সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার আর চেঁচামেচি শুরু হয়। সবাই কান্নাকাটি শুরু করে। আমার পাও ভেঙে গেছে। আমাদের উদ্ধার করার পর শুনি ৫–৬ জন মারা গেছে। তাঁদের মধ্যে বক্কারও আছে।’
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন—সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার তাড়ানিপুর গ্রামের মৃত সাফাত গাজীর ছেলে বক্কার গাজী (৫০), শ্রীফলকাঠি গ্রামের ইছা মোড়লের ছেলে বাবু মোড়ল (৪০), আবাদচন্ডীপুর গ্রামের আনসার মোড়লের ছেলে মহাসিন মোড়ল (৩৫), কালীগঞ্জের বাজারগ্রামের মনিরুল হোসেনের ছেলে নাহিদ হোসেন (১৯) ও মাগুরা জেলা সদরের বড়পশ্চিমপাড়া এলাকার সিরাজ শেখের ছেলে পিকুল শেখ (২৬)।
নিহতদের মধ্যে পিকুল শেখ গ্রিন এক্সপ্রেস বাসের চালকের সহকারী ছিলেন এবং বাকিরা খাগড়াছড়ি পরিবহনের যাত্রী ছিলেন।
অপরদিকে দুপুর ১২টার দিকে আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্যা, পুলিশ সুপার আব্দুল জলিলসহ জেলা বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর নেতৃবৃন্দ। এ সময় জেলা প্রশাসক নিহত প্রত্যেক পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ২৫ হাজার ও আহতদের ১০ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা দেন।

এক সময়ে করতেন চালের ব্যবসা। কিন্তু সেই ব্যবসায় ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন বক্কার গাজী (৫০)। সেই ঋণের তাড়নায় ও পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকতে ঢাকায় একটি ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে রওনা দেন। কিন্তু ঢাকায় আর যাওয়া হলো না তাঁর। সড়ক দুর্ঘটনায় চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
বক্কার গাজী সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানাধীন তারানিপুর এলাকার সাফাত গাজীর ছেলে। আজ মঙ্গলবার ভোরে ফরিদপুর জেলা সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের মল্লিকপুরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে দুটি যাত্রীবাহী বাস খাগড়াছড়ি পরিবহন ও গ্রিন এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা যান তিনি।
এতে ঘটনাস্থলে আরও ৪ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ২৭ জন। আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
নিহত বক্কার খাগড়াছড়ি পরিবহনের যাত্রী ছিলেন। তাঁর সঙ্গে একই কাজের উদ্দেশ্যে ঢাকায় যাচ্ছিলেন একই এলাকার মারুফ হোসেন নামের এক ব্যক্তি। তাঁর পা ভেঙে মেডিকেল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন।
তিনি বলেন, ‘বক্কার চালের ব্যবসা করতে গিয়ে অনেক টাকা ধরা খায়। এতে পাওনাদাররা চাপ দিতে থাকে। টেনশনে পড়ে আমাকে একদিন বলে আমারে ঢাকায় নিয়ে চল, তোদের সঙ্গে কাজ করব। উনি কোনো দিন কোনো কষ্টের কাজ করে নাই। আজ আমাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য যাচ্ছিল। কিন্তু উনিতো চলে গেলেন।’
আহত এই ব্যক্তি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘বক্কার বাসের সামনের দিকে বসা ছিল, আমি মাঝের দিকে বসছিলাম। রাতে ঘুমায় ছিলাম সবাই। হঠাৎ একটা শব্দ হয়, সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার আর চেঁচামেচি শুরু হয়। সবাই কান্নাকাটি শুরু করে। আমার পাও ভেঙে গেছে। আমাদের উদ্ধার করার পর শুনি ৫–৬ জন মারা গেছে। তাঁদের মধ্যে বক্কারও আছে।’
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন—সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার তাড়ানিপুর গ্রামের মৃত সাফাত গাজীর ছেলে বক্কার গাজী (৫০), শ্রীফলকাঠি গ্রামের ইছা মোড়লের ছেলে বাবু মোড়ল (৪০), আবাদচন্ডীপুর গ্রামের আনসার মোড়লের ছেলে মহাসিন মোড়ল (৩৫), কালীগঞ্জের বাজারগ্রামের মনিরুল হোসেনের ছেলে নাহিদ হোসেন (১৯) ও মাগুরা জেলা সদরের বড়পশ্চিমপাড়া এলাকার সিরাজ শেখের ছেলে পিকুল শেখ (২৬)।
নিহতদের মধ্যে পিকুল শেখ গ্রিন এক্সপ্রেস বাসের চালকের সহকারী ছিলেন এবং বাকিরা খাগড়াছড়ি পরিবহনের যাত্রী ছিলেন।
অপরদিকে দুপুর ১২টার দিকে আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্যা, পুলিশ সুপার আব্দুল জলিলসহ জেলা বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর নেতৃবৃন্দ। এ সময় জেলা প্রশাসক নিহত প্রত্যেক পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ২৫ হাজার ও আহতদের ১০ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা দেন।

পাঙাশ মাছ খাওয়াই যেন কাল হয়ে দাঁড়াল দেড় বছরের শিশু সিয়ামের। মাছের কাঁটা গলায় আটকে সোমবার রাতে মারা গেছে শিশু সিয়াম। ঘটনাটি ঘটেছে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের যশোবন্তপুর গ্রামে। নিহত সিয়াম ওই গ্রামের উত্তরপাড়ার বাসিন্দা আমিনুর ব্যাপারীর ছেলে।
৩ মিনিট আগে
ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল এবং তাঁর স্ত্রী ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও শামীমা নাসরিনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-৭-এর বিচারক মিনাজ উদ্দীন তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
৬ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘অপহরণ ও গুমের’ শিকার এক গরু ব্যবসায়ীর লাশ পদ্মা নদীতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গেছে। আজ মঙ্গলবার সদর উপজেলার আলাতুলি ইউনিয়নে পদ্মা নদীর মিডিল চর এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। ওই স্থানটি রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানা থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ দূরে।
১১ মিনিট আগে
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহতের পর লাশ পোড়ানোর ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। যেকোনো দিন এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। আজ মঙ্গলবার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।
৩১ মিনিট আগে