লস অ্যাঞ্জেলেস ওয়েভসের একাদশে এবারও সুযোগ পাননি সাকিব আল হাসান। যুক্তরাষ্ট্রে সিক্সটি স্ট্রাইকার্স টুর্নামেন্টে তাঁর দলও ছিটকে গেছে ফাইনালে ওঠার লড়াই থেকে। টি-টেন সংস্করণের টুর্নামেন্টে ফাইনালে ওঠার পথে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের দল নিয়েছে মধুর প্রতিশোধ।
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে গত রাতে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হয়েছিল লস অ্যাঞ্জেলেস ওয়েভস ও আটলান্টা কিংস। ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস ডালাস (ইউটিডি) স্টেডিয়ামে গত রাতে সাকিববিহীন লস অ্যাঞ্জেলেসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট কেটেছে আটলান্টা। অধিনায়ক ম্যাথুস ১৩ বলে করেন ১৮ রান। ১টি করে চার ও ছক্কা মারেন।
দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আটলান্টা অধিনায়ক ম্যাথুস। প্রথমে ব্যাটিং পাওয়া লস অ্যাঞ্জেলেস ওয়েভসের ৮ রানেই ভেঙে যায় উদ্বোধনী জুটি। দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে ওপেনার ঋষি রামেশকে ফেরান আটলান্টার দানিশ আজিজ। নির্ধারিত ১০ ওভারে ৩ উইকেটে ৯৬ রান করে সাকিববিহীন লস অ্যাঞ্জেলেস। রান তাড়া করতে নেমে ৮.৫ ওভারে ৪ উইকেটে ৯৯ রান তুলে ফেলে আটলান্টা। ৭ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে আটলান্টার সর্বোচ্চ স্কোরার টম ব্রুস। ৪ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ব্রুস। নবম ওভারের দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম লস অ্যাঞ্জেলেসের জাগপ্রীত সিংকে টানা চার বলে চার ছক্কা হাঁকিয়ে আটলান্টার জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন।
ইউটিডি স্টেডিয়ামে পরশু প্রথম কোয়ালিফায়ারে সাকিববিহীন লস অ্যাঞ্জেলেস ওয়েভস খেলেছিল শিকাগো সিসির বিপক্ষে। সেই ম্যাচে শিকাগো প্রথমে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ১০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৬৭ রান করেছিল। শিকাগোর ওপেনার ২৮ বলে ৬৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছিলেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ৭ চার ও ৬ ছক্কা। রানরেটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সেই ম্যাচে পেরে ওঠেনি লস অ্যাঞ্জেলেস। ১০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫২ রানে আটকে গিয়েছিল সাকিববিহীন লস অ্যাঞ্জেলেস। টি-টেন সংস্করণের টুর্নামেন্টটি চলছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লিগ ক্রিকেটের (এনসিএল) অধীনে।
এর আগে গত ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় ভোরে ইউটিডি স্টেডিয়ামে তান্ডব চালিয়েছিলেন আটলান্টা অধিনায়ক ম্যাথুস। তাঁর ৩৩ বলে ৮৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে আটলান্টা করেছিল ১০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৪৫ রান। সাকিব ৩ ওভারে ৪৪ রান খরচ করে নিয়েছিলেন ১ উইকেট। ১৪৬ রানের লক্ষ্যে নেমে সাইক্লোনের মতো ব্যাটিং করে ১২ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করেছিল লস অ্যাঞ্জেলেস ওয়েভস। ৮ ওভারে ১ উইকেটে ১৪৬ রান করে ফেলে লস অ্যাঞ্জেলেস। দুই ব্যাটার অ্যাডাম রসিংটন (৫২) ও টিম ডেভিড (৫৮) দলকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে যোগ করা হলো আরও ৫ মিনিট।দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস তখন হয়তো মনে মনে অতিরিক্ত সময়ের কৌশল সাজাচ্ছিলেন। গ্যালারিতে থাকা হাজারো দর্শকও মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন আরও ৩০ মিনিটের স্নায়ুচাপের জন্য। কিন্তু ফুটবল বিধাতার মনে তখন অন্য এক নাটকীয় চিত্রনাট্য লেখা।
৩ ঘণ্টা আগে
মুহূর্তটা কিছুতেই ভোলার নয়। ভোলা যাবে না। জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ডালাস মিক্সড জোন পেরিয়ে চলেই যাচ্ছিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। ‘দিবু (মার্তিনেসের ডাকনাম), বাংলাদেশ থেকে এসেছি’—পেছন থেকে ডাক দিতেই থামলেন। ‘ওহ্, বাংলাদেশ, আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি’, বলতে বলতে ফিরে এলেন প্রতিবেদকের কাছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ মানেই যেন ইউরোপ আর লাতিন আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চ, যেখানে এশিয়া আর আফ্রিকার দেশগুলো যেত শুধুই দু-একটা ‘অঘটন’ ঘটানোর স্বপ্ন নিয়ে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ যেন পুরোনো সব চেনা হিসাব-নিকাশ ওলটপালট করে দিচ্ছে। কিন্তু এই পরিবর্তনের হাওয়া দুই মহাদেশে লেগেছে ভিন্ন সমান্তরালে।
৫ ঘণ্টা আগে
কিন্তু শেষ দিকে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন হর্ষিত রানা। শেষ ওভারে ভারতের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২১ রান। হ্যারি টেক্টরের করা সেই নাটকীয় ওভারে ছিল ওয়াইড, নো-বল আর বাউন্ডারির ছড়াছড়ি। সমীকরণ যখন ২ বলে ৮ রান, তখন ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে আউট হন হর্ষিত রানা। শেষ বলে জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল ৭ রান, স্ট্রাইকে থাকা প্রিন্
৭ ঘণ্টা আগে