
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। আজ বুধবার বেলা আড়াইটা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির খাস কামড়ায় এই বৈঠক হয়।
বৈঠক শেষে বের হয়ে যাওয়ার সময় আইন উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিচার বিভাগের যেসব সমস্যা হচ্ছে, আইন মন্ত্রণালয় ও সুপ্রিম কোর্টের যেসব ক্ষেত্রে আরও সহযোগিতা প্রয়োজন, সেসব বিষয়ে কথা হয়েছে। কিছু বিচারকের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এসেছে, সেগুলো অবগত করার বিষয়ে কথা হয়েছে।
‘বলেছি আমরা অবগত আছি। যাদের বিষয়ে বলা হচ্ছে, তারা তাদের মতো করে ভাববে কী করবে। সুপ্রিম কোর্ট সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে কী ব্যবস্থা নিবেন, তারা তাদের মতো বিবেচনা করবেন।’
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের বিষয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘আইনে অনুপস্থিত ব্যক্তির বিচারের বিধান আছে। আবার আমরা প্রত্যর্পণের বিষয়ে বা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য লিখতে পারি। বিচার করার জন্য আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আশা করছি মাসখানেকের মধ্যে পুরোদমে বিচার শুরু হবে।’
অবকাশ শেষ হলে তিন–চার দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন হয়ে যাবে। এ ছাড়া বিচারপতি নিয়োগে অবশ্যই আইন করা হবে বলে জানান তিনি।

বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
২ ঘণ্টা আগে
ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানির পর ইয়ার্ডের সৈকতে ভেড়ানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড’ থেকে প্রাথমিক অনুমতি (বিচিং পারমিশন) নিতে হয়। আর জাহাজের ফুয়েল ট্যাংক বা কার্গো হোল্ডে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে ‘হট ওয়ার্ক/গ্যাসমুক্ত সনদ’ দেয় বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
৩ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে মনু সেচ প্রকল্পের কাশিমপুর পাম্প হাউস। কৃষকদের কথা চিন্তা করে হাওরের পানি কমানোর জন্য এই পাম্প স্থাপন করা হয়। একটা সময় এটি হাওরাঞ্চলের কৃষকের ভরসা ছিল। তবে এখন সেটিই যেন সংকটের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাম্পগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি না কমায় কৃত্রিম
৩ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁত বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
৩ ঘণ্টা আগে