
বেলা পৌনে ১টা। সূর্য ঠিক মাথার ওপরে। পেছনে বাঁশের তৈরি ডালি, বাউঙ্কা (বাকুয়া) ও কোদাল বেঁধে সাইকেল চালিয়ে রংপুর নগরী থেকে গঙ্গাচড়ার দিকে যাচ্ছেন কয়েকজন শ্রমজীবী মানুষ। প্রচণ্ড গরমে তাঁদের মাথা থেকে পা পর্যন্ত ঘাম গড়িয়ে পড়ছে।
রংপুর নগরীর কদমতলী এলাকায় গতকাল রোববার দেখা তাঁদের সঙ্গে। চাচা আজকে কোনো কাজ পান নাই? জিজ্ঞেস করতে মমিনুর ইসলাম (৩৯) নামের এক দিনমজুর একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে উঠলেন, ‘বাবা আর কন না বাহে, কাতি মাস নাই আসতে মনে হয় অভাব শুরু হইছে। প্রায় দেড় মাস, থাকি শহরত। আসা-যাওয়া করি চোল কেনো কাম নাই। মনে হয় শহরতও অভাব নাগছে। কী যে হয় চোল দ্যাশত কিছু বুঝবার পাই চোল না।’
কথা বলে জানা গেল, মমিনুর ইসলামের বাড়ি গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের মাঝাপাড়া এলাকায়। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে তাঁর চার সদস্যের সংসার। তিস্তার ভাঙনে ঘর-বাড়ি বিলীন হওয়ার পর তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে মাঝাপাড়া এলাকায় চলে আসেন। নিজের কেনো আবাদি জমি না থাকায় রংপুর শহরে বিভিন্ন স্থানে কাজ করে সংসার চালান।
একই ইউনিয়নের ধামুর এলাকার সুবল চন্দ্র দাস (২৮) বলেন, ‘যখন থাকি দ্যাশত গণ্ডগোল শুরু হইছে, তখন থাকি কাম-কাজ নাই। খুব টানটুন করি সংসার চালাই চোল। শহরের যে মানুষগুলা কাম করাইবে, সেই মানুষগুলায় কয় কাম করাই কেমন করি, ব্যাংক টাকা দেয় না, আর যে টাকা আছে বাজার খরচ করি খাই, না কামে করাই। দ্যাশ আগত স্বাভাবিক হোক তখন দেখা যাইবে।’ এ সময় সুবল চন্দ্র দাস চোখেমুখে হতাশার ছাপ নিয়ে বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে দাদা, এই দেড় মাসে কামাই হইছে মাত্র ১ হাজার ৩০০ টাকা। গতকাইল ৫ হাজার টাকা লাভের ওপর নিছি, জীবন তো বাঁচা নাগবে।’
শুধু মমিনুর ইসলাম ও সুবল চন্দ্র দাসেই নয়, জীবিকা নির্বাহের জন্য এই উপজেলার প্রায় কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন রংপুর নগরীর বিভিন্ন স্থানে কাজের সন্ধানে যান। ১৫-২০ জন শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দেশে আন্দোলন শুরুর পর থেকে শহরে কাজ-কর্ম কমে যাওয়ায় একরকম কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। এখনো কাজ মেলে না অনেক দিনই। এই উপজেলার কয়েক হাজার দিনমজুর। কাজ-কর্ম না থাকায় ধারদেনা করে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কোনো রকমে দিন পার করছেন তাঁরা।

পাহাড় আর হ্রদের মিতালি দেখতে এবারের ঈদের ছুটিতে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে পর্যটকদের মিশ্র উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বাঘাইছড়ির সাজেক ভ্যালিতে পর্যটকদের তিল ধারণের ঠাঁই না থাকলেও রাঙামাটি জেলা শহরে পর্যটকের আগমন ছিল প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম।
৬ মিনিট আগে
প্রশাসক জানান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৭৫২টি যানবাহনে বর্জ্য অপসারণের কাজে সচল ছিল। হয়তো কয়েকটি স্থানে নগণ্য গাড়ি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অচল হয়ে পড়ে। তবে বিকল্প যানবাহনে বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।
৩৮ মিনিট আগে
চামড়া কেনাবেচায় অভিজ্ঞ হেলাল মিয়া এবার এক পরিচিত ব্যবসায়ীর আশ্বাসে মাঠে নেমেছিলেন। তিনি জানান, ওই ব্যবসায়ীর পরামর্শ ও চামড়া কিনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি পেয়ে এবার প্রতিটি চামড়া ২০০ টাকা দরে কিনেছিলেন। এভাবে ১২৫টি চামড়া কেনেন হেলাল মিয়া।
১ ঘণ্টা আগে
হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকদের লেখার ফ্রিডম (স্বাধীনতা) দিয়েছেন। যেমন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে একদলীয় বাকশাল থেকে মুক্ত করে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করেছিলেন।
১২ ঘণ্টা আগে