গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুরের সারাবো এলাকায় বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের শ্রমিকেরা আগস্ট মাসের বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। আজ বুধবার সকালে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন তাঁরা। তাতে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
তা ছাড়া আজ সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত গাজীপুরের আরও দুটি কারখানায় শ্রমিক বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। সদর উপজেলার বাংলাবাজার এলাকার পারটেক্স বেভারেজ লিমিটেড ও শ্রীপুরের যমুনা ফেব্রিকস লিমিটেডের শ্রমিকেরাও বিভিন্ন দাবিতে আজ সকাল থেকে বিক্ষোভ করেন। এ ছাড়া গতকাল থেকে বিক্ষোভ-আন্দোলনের মুখে আজ জেলার পাঁচটি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
পুলিশ ও শ্রমিকেরা জানায়, সারাবো এলাকায় বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের ভেতরে বেশ কয়েকটি শিল্প কারখানা রয়েছে। এগুলোর মালিক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। এসব কারখানায় ৩২ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। যাঁদের বেতনের পরিমাণ মাসে ৮২ কোটি টাকা। হাসিনা সরকারের পতনের পর সালমান রহমানের মালিকানাধীন অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে গত আগস্টের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়নি। গত মাসের বেতনের দাবিতে কয়েক দিন ধরে শ্রমিকেরা আগস্ট মাসের বেতন দাবি করে আসছেন। তাঁদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার বেতন দেওয়ার কথা জানায় কারখানা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সারা দিনে কিছু শ্রমিকের বেতন দেওয়া হলেও বেশির ভাগ শ্রমিক বেতন পাননি।
গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে শ্রমিকেরা বিক্ষোভ শুরু করেন। রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত ছিল। একই দাবিতে আজ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে আবার শ্রমিকেরা কালিয়াকৈর-নবীনগর সড়কের চক্রবর্তী এলাকায় অবস্থান নিয়ে অবরোধ করেন। তাতে ওই সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। গত রাতে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ তাঁদের বুঝিয়ে সরাতে পারেনি। এ সময় তাঁরা আশপাশের কারখানার শ্রমিকদের তাঁদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার দাবি জানান।
গতকাল মঙ্গলবারের শ্রমিক আন্দোলনের জেরে ইতিমধ্যে জেলার পাঁচটি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। এগুলো হলো গাজীপুর গিলারচালা এলাকার ফমকম ফ্যাশন, অ্যাপারেলস-২১ লিমিটেড, ফমকম প্রিন্টিং ও এমব্রয়ডারি, কালিয়াকৈরের চন্দ্রা এলাকার নায়াগ্রা টেক্সটাইল ও সদর উপজেলার শিরিরচালা এলাকার এস এম নিটওয়্যার লিমিটেড কারখানা।
এস এম নিটওয়্যার লিমিটেড কারখানার ডিজিএম ইশরার মুহতাসিমের সই করা নোটিশে বলা হয়, আলোচনা করে শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়া হলেও আন্দোলন অব্যাহত থাকায় কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারোয়ার আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, বেক্সিমকো কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা বেতন দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু শ্রমিকেরা তাঁদের সময় দিচ্ছেন না। আজ দুপুরের পর সবার বেতন পরিশোধ করা হবে বলে তিনি আশা করছেন। শ্রমিকেরা বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে। অন্য যেসব কারখানায় আন্দোলন চলছে, সেখানে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুরের সারাবো এলাকায় বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের শ্রমিকেরা আগস্ট মাসের বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। আজ বুধবার সকালে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন তাঁরা। তাতে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
তা ছাড়া আজ সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত গাজীপুরের আরও দুটি কারখানায় শ্রমিক বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। সদর উপজেলার বাংলাবাজার এলাকার পারটেক্স বেভারেজ লিমিটেড ও শ্রীপুরের যমুনা ফেব্রিকস লিমিটেডের শ্রমিকেরাও বিভিন্ন দাবিতে আজ সকাল থেকে বিক্ষোভ করেন। এ ছাড়া গতকাল থেকে বিক্ষোভ-আন্দোলনের মুখে আজ জেলার পাঁচটি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
পুলিশ ও শ্রমিকেরা জানায়, সারাবো এলাকায় বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের ভেতরে বেশ কয়েকটি শিল্প কারখানা রয়েছে। এগুলোর মালিক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। এসব কারখানায় ৩২ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। যাঁদের বেতনের পরিমাণ মাসে ৮২ কোটি টাকা। হাসিনা সরকারের পতনের পর সালমান রহমানের মালিকানাধীন অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে গত আগস্টের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়নি। গত মাসের বেতনের দাবিতে কয়েক দিন ধরে শ্রমিকেরা আগস্ট মাসের বেতন দাবি করে আসছেন। তাঁদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার বেতন দেওয়ার কথা জানায় কারখানা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সারা দিনে কিছু শ্রমিকের বেতন দেওয়া হলেও বেশির ভাগ শ্রমিক বেতন পাননি।
গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে শ্রমিকেরা বিক্ষোভ শুরু করেন। রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত ছিল। একই দাবিতে আজ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে আবার শ্রমিকেরা কালিয়াকৈর-নবীনগর সড়কের চক্রবর্তী এলাকায় অবস্থান নিয়ে অবরোধ করেন। তাতে ওই সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। গত রাতে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ তাঁদের বুঝিয়ে সরাতে পারেনি। এ সময় তাঁরা আশপাশের কারখানার শ্রমিকদের তাঁদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার দাবি জানান।
গতকাল মঙ্গলবারের শ্রমিক আন্দোলনের জেরে ইতিমধ্যে জেলার পাঁচটি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। এগুলো হলো গাজীপুর গিলারচালা এলাকার ফমকম ফ্যাশন, অ্যাপারেলস-২১ লিমিটেড, ফমকম প্রিন্টিং ও এমব্রয়ডারি, কালিয়াকৈরের চন্দ্রা এলাকার নায়াগ্রা টেক্সটাইল ও সদর উপজেলার শিরিরচালা এলাকার এস এম নিটওয়্যার লিমিটেড কারখানা।
এস এম নিটওয়্যার লিমিটেড কারখানার ডিজিএম ইশরার মুহতাসিমের সই করা নোটিশে বলা হয়, আলোচনা করে শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়া হলেও আন্দোলন অব্যাহত থাকায় কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারোয়ার আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, বেক্সিমকো কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা বেতন দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু শ্রমিকেরা তাঁদের সময় দিচ্ছেন না। আজ দুপুরের পর সবার বেতন পরিশোধ করা হবে বলে তিনি আশা করছেন। শ্রমিকেরা বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে। অন্য যেসব কারখানায় আন্দোলন চলছে, সেখানে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৪ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৪ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৫ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৫ ঘণ্টা আগে