
ফরিদপুরে রাসেলস ভাইপারের উপদ্রব বেড়েছে। বিশেষ করে চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে এই সাপের আনাগোনা। এতে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। এমন সময়ে এই সাপ মারতে পারলে পুরস্কারের ঘোষণা দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তবে তাঁর এমন ঘোষণাকে বন বিভাগ আইন পরিপন্থী বলার পর মত পাল্টিয়েছেন এই নেতা।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের রাসেল স্কয়ারে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভার আয়োজন করে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ। সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. ইশতিয়াক আরিফ তাঁর বক্তব্যের একপর্যায়ে রাসেলস ভাইপার সাপ নিয়ে কথা বলেন।
সাধারণ সম্পাদক তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘ফরিদপুর কোতয়ালী এলাকায় কেউ যদি রাসেলস ভাইপার সাপ মারতে পারেন তাহলে তাকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। যতজন যে কয়টি সাপ মারতে পারবে, প্রত্যেক সাপ প্রতি ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।’
এ বক্তব্যের ২০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই সভায় সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য ঝর্ণা হাসান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হকসহ জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ফরিদপুরের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা গোলাম কুদ্দুস ভূঁইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওই বক্তব্য বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনের পরিপন্থী। যা ২০১২ সালের বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনের পরিপন্থী এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ঘোষণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে কেউ যদি রাসেলস ভাইপার ধরতে গিয়ে সাপের কামড়ে মারা যায়, তবে এ দায় কে নেবে?’
তবে এ বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহ মো. ইশতিয়াক আরিফ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে এবং বন্যপ্রাণী নিধন আইন সম্পর্কে জানা নেই। আমরা এর ব্যাখ্যা দিয়ে একটা প্রেস রিলিজ দেব; যাতে বলা হবে রাসেল ভাইপার জীবিত অবস্থায় ধরে বন বিভাগের কাছে সোপর্দ করলে এ পুরস্কার দেওয়া হবে।’

রাজধানীতে কোরবানির পশুর হাটগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এরই মধ্যে অনেকে গরু নিয়ে এসেছেন হাটে। আগামী রোববার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কেনাবেচা শুরু হলেও আগেভাগে গরুর দাম বুঝে নিতে হাটে ঘুরতে এসেছেন ক্রেতারা। তবে এবার পরিবহন ভাড়া নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন গরু বিক্রেতারা।
২৪ মিনিট আগে
‘রান্নাঘর থেকে শব্দ শুনছি। মনে করছি, পাশের ফ্ল্যাটের বাচ্চা চিৎকার দেয়। আমার মেয়ে যে চিৎকার দিতেছে, আমি সেটা বুঝতে পারি নাই। মনে করেছি, ওর সাথে বড় মেয়ে গেছে, আমার মেয়ে চিৎকার দিবো কেমনে?’ কথাগুলো বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশুটির মা।
৩২ মিনিট আগে
একসময় গ্রাম ও শহরে কামারদের ছিল জমজমাট ব্যবসা। দোকানও ছিল অনেক। কিন্তু এই আধুনিক যুগে অনেকটাই বিলুপ্তির মুখে কামার সম্প্রদায়ের মানুষ। কারখানার অত্যাধুনিক মেশিনে তৈরি, চীন থেকে আমদানি, অনলাইন বিক্রি এবং কয়লা, লোহা ও ইস্পাতের দাম বেড়ে যাওয়ায় কামারদের চাহিদা কমে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পল্লবীতে হত্যার শিকার শিশুটির (৮) মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের মধ্যম শিয়ালদী গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এশার নামাজের পর জানাজা শেষে দাদা-দাদির কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে