ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে রক্তপিপাসু হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞের কঠোর সমালোচনা করে গতকাল বুধবার তুর্কি পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
এরদোয়ান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বর্বরতা প্রত্যক্ষ করছে, যিনি মানসিকভাবে অসুস্থ, পাগল, সাইকোপ্যাথ, রক্তখেকো একজন ভ্যাম্পায়ার। নিজেদের নীরবতার মধ্য দিয়ে ইউরোপীয় রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরাও ইসরায়েলের এই ভ্যাম্পায়ারিজমে জড়িত হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের হাত রক্তে রঞ্জিত।’
তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘সারা দুনিয়াতে ইহুদিবাদের মুখোশ উন্মোচিত হচ্ছে। তরুণেরা চোখ মেলতে শুরু করেছে। নেতানিয়াহু ও তার খুনি নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আগে ইসরায়েলের এই ‘গণহত্যা, নৃশংসতা ও বর্বরতা’ থামাতে হবে।’
গাজা উপত্যকার রাফাহ শহরে ‘নিরাপদ স্থান’ হিসেবে চিহ্নিত আশ্রয়শিবিরে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ঘটনা শুধু গাজার জন্যই নয় বরং এটি বিশ্ব শান্তি ও মানবতার জন্য হুমকি। ইসরায়েল যদি আন্তর্জাতিক আইন মেনে না চলে তাহলে কোনো দেশই নিরাপদ নয়।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত ৭ অক্টোবরের পর থেকে অঞ্চলটিতে ৩৬ হাজারেরও বেশি মানুষকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এমন নৃশংসতা বন্ধে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ব্যর্থতার সমালোচনা করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।
এরদোয়ান বলেন, এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে যদি একটি গণহত্যার সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করা না যায় তাহলে জাতিসংঘের কাজ কী? ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে আপনারা (জাতিসংঘ) কিসের অপেক্ষায় রয়েছেন? প্রকৃতপক্ষে গাজায় জাতিসংঘের চেতনার মৃত্যু হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আদালত যে জরুরি ক্ষমতার আওতায় শুল্ক আরোপের পথ আটকে দিয়েছে, তার পরিবর্তে তিনি অন্য আইনি পন্থা ব্যবহার করবেন—যেগুলো থেকে আরও বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব হতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানে শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করার কথা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে এই খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্দেশ দিলে ইরানের শাসন পরিবর্তনের প্রচেষ্টাও এই...
২ ঘণ্টা আগে
গত বছরের এপ্রিল থেকে প্রায় প্রতিটি দেশের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, এই শুল্ক ছাড়া আমেরিকা ধ্বংস হয়ে যাবে এবং বিশ্ব আমাদের নিয়ে হাসাহাসি করবে।
৩ ঘণ্টা আগে
ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ ‘বৈশ্বিক আমদানি শুল্ক’ বা ট্যারিফকে বেআইনি ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। আজ শুক্রবার প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ৬-৩ ভোটে এই রায় দেন।
৪ ঘণ্টা আগে